হোসাইন জাকির ভাই এখন স্মৃতি। মুখ ভর্তি পান আর চুনটা একটু করে দাঁতের আগায় লাগাতে লাগাতে কোনো মজার গল্প শোনাবেন না তিনি। মানবজমিন থেকে যার সম্বাদিকতা ক্যারিয়ারের উত্থান, সেখান থেকে যুগান্তর হয়ে আলোকিত বাংলাদেশ- সেখান থেকে প্রকাশিতব্য এবকটি কাগজে জয়েনও করেছিলেন।
জাকির ভাই যুগান্তরে কাজ করার সময় বেশ কয়েকবার আলাপ হয়েছিল। বাগের হাটে সিডরের পরের ঘটনা কভার করতে গিয়েছিলেন হোসাইন জাকির ভাই। আমিও একই ঘটনা কভার করতে হিয়েছিলাম; সেখানে। সে সময় তাকে দেখেছিলাম- কাজের প্রতি কতটা নিষ্ঠা ওযত্নবান ছিলেন।
প্রায় সময় গণফোরামের অফিসের সামনে ; নয়া দিগন্তের নিচে মানিকের দোকানে চা- পান খেতে খেতে আড্ডায় মগ্ন হতেন হোসাইন জাকির ভাই। টগবগে হোসাইন জাকির ভাই এখন আর নেই আমাদের মাঝে।
নির্বাচন কমিশন বিটে যারা কাজ করেন; তাদের সৌভাগ্য এ রকম একজন অসাধারণ রিপোর্টারের সাথে তারা কাজ করেছেন।
জাকির ভাই মাস কয়েক ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন। ভারতের টাটা মেমোরিয়ালেও নেয়া হয়েছিল তাকে; আশা ছিল না ধরে নিয়ে ঢাকার মিরপুরে ডেল্টা হসপিটালে ছিলেন তিনি। গত কয়েকদিন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রেও ছিলেন তিনি। আজ কিছুক্ষন আগে অগ্রজ সম্বাদিক বড় ভাই কাজী হাফিজ জানালেন হোসাইন জাকির শেষ পর্যন্ত আমাদের ছেড়েই গেলেন।
কী নির্মম দু:সহ যন্ত্রণাময় খবর-
আল্লাহ তার নাজাতের ফয়সালা করে দিন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারকে শোক সইবার ক্ষমতা দিন - আমীন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



