চাকুরী খামু, তরা কি করতে পারিস দেখি! এমন ভাবটাই আজ দেখালেন বাংলালিংকের সিইও এরিক অস। কইছে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনে যাচ্ছি। অর্গানাইজেশনের সব লেয়ার লাগবো না। তুইলা দিমু। চাকুরী সবার রাখন যাইবো না।
কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসছে না বাংলালিংক। মঙ্গলবার অপারেটরটির সিইও এরিক অস সংবাদ সম্মলেনে এমনটা নিশ্চিত করে জানিয়ে দিয়েছেন। বলেছেন, বাংলালিংকের পুরোপুরি ডিজিটালে ট্রান্সফরমেশন হচ্ছে । ফিউচারের কথা চিন্তা করে কিছু ডিপার্টমেন্ট তুলেই দিচ্ছেন তারা। তাই লোক কমানোর বিকল্প নেই।
কর্মীদের সম্মানের সাথে বিদায় জানাবেন বলেও জানান বাংলালিংকের নতুন সিইও এরিক।
এরিক বলছেন, তার প্রতিষ্ঠানের সবকর্মীই অন্য যে কোনো টেলিকম অপারেটরের কর্মী থেকে দক্ষ। তবে কিছু লোকককে বাদ দেয়া ছাড়া তার উপায় নেই।
অপারেটরটির ভেতরে অনিয়ম ছিল স্বীকার করে নিয়ে এরিক বলছেন, তারা অনিয়মের কারণে বেশ কিছু সাপ্লায়ার ভেণ্ডরের সাথে চুক্তি শেষ করে এনেছেন। কারো বিরুদ্ধে তারা মামলাও করতে পারেন। আর ভেণ্ডরদের এ সব অনিয়মে তার প্রতিষ্ঠানের কর্মীদেরও যোগসাজশ ছিল।
তিনি অবশ্য করাপশন নয় এগুলো নন কমপ্লায়েন্স ইসু হিসাবে উল্লেখ করে বলছেন, এ গুলো ঘটেছে এবং এটাই বাস্তব। আমরা এখন এ সব কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি।
লাভজনক অবস্থায় আসার পর কর্মী ছাঁটাই কতটা যৌক্তিক? এমন প্রশ্নে এরিক বলছেন, গত বছরের থার্ড কো্য়াটারে কেবল বাংলালিংক প্রফিট করেছিল। পুরো বছর মেলালে তার প্রফিট ছিল না। তবে তারা প্রফিট শেযার করেননি ঠিক আছে, কিন্তু কর্মীদের কাজের মূল্যায়ন করে তারা বোনাস দিয়েছেন।
কর্মীদের ইউনিয়ন করার প্রস্তাবনা সরকারের কাছে আছে, এ বিষয়ে তার অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা লেবার ল ফলো করি। সরকার আমাদের কাছৈ ইউনিয়নের বিষয়ে জানতে চাইলে মালিকপক্ষ নিয়মানুসারে এর জবাব দেবে।
রবি এয়ারটেল মার্জার ইসুতে এরিক বলেছেন, আমরা একটা লেভের প্লেয়িং ফিল্ড আশা করছি। বিশেষত স্পেকট্রামের ক্ষেত্রে। আশা করছি রেগুলেটর এটি দেখবেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




