
ভাবলাম কিছুই লিখবনা কিন্তু না লিখে পারলামনা। এটাই অামেরিকা। নারী নেতৃত্বের প্রশংসা করে, কৌশলে নারী নেতৃত্ব চাপিয়ে দেয় কিন্তু নারী নেতৃত্ত্ব মানেনা। অাসলে পাশ্চাত্য সমাজ একটা অাধুনিকতার মুখোশ পরে অাছে।
তাদের বক্তব্য অাধুনিকতা মানেই নারীর ক্ষমতায়ন। এটা শুধু কথার কথা। পাশ্চাত্য বিশ্ব এটা মুখে বললেও বাস্তবে তারা নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেনা।তারা অাসলে বিশ্বাস করে নারী ভোগের সামগ্রী। তাই ফ্যাশানের নামে ছোট ছোট পোশাক পোরিয়ে ছেড়ে দিয়ে বলে এটা নারী স্বাধিনতা। অামেরিকার সমাজ বাস্তবতার বহিঃপ্রকাশ এবারের নির্বাচন। ডোনাল ট্রাম্প নারীদের নিয়ে এতো অাপত্তিকর কথা বলার পরও অাজ প্রেসিডেন্ট হইলো। কিন্তু এতোদিন জানতাম অামেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে হলে তাকে চারিত্রিক দিক থেকে ভালো হতে হয়, এবার ধারনা পাল্টে গেলো।
ট্রাম্পের নিকট ভালো কিছু প্রত্যাশা করা কঠিন। কারণ ট্রাম্প একটি উগ্রো ও নিম্ন মানসিকতার মানুষ।
যাহোক কি ঘটাই এবং ঘটে এটাই এখন দেখার বিষয়...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


