
উপকূলের জন্য আইয়ূব খান ছিলেন ত্রাতা। তিনি পুরো উপকূল বেড়িবাঁধ করেছিলেন মহাপরিকল্পনায় বড় বাজেটে। ওয়াপদা নামক সংস্থার মাধ্যমে বেড়িবাঁধ সুইজ গেট ও খালগুলো পরিচালনার ব্যবস্থা করেছিলেন। এমনকি সুইজ গেট চালানোর জন্য বেতনভুক্ত কর্মচারী ছিলো। নিয়মিত বেড়িবাঁধ সংস্থারো হত। খাল খনন নদীশাসনো হত।
বেড়িবাঁধগুলো কোথাও কোথাও আইয়ূবের বাঁধ নামে পরিচিত ছিলো। ওয়াপদার বাংলোকে আমাদের এলাকায় বলতো আইয়ূবের দালান।
আমাদের শৈশব ও কৈশরের সাথে এসব গল্প মিশে আছে। আমরা পাকিস্তান দেখিনি বা তাদের কোন নেতার গল্পো শৈশব কৈশোরে মনে রাখতাম না কিন্তু আইয়ূবের বাঁধ, আইয়ূবের দালান স্মৃতিতে সমুজ্জ্বল ছিলো।
বিগত শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত বেড়িবাঁধের সংস্কার মোটামুটি ঠিকি ছিলো। কালসাপের মত ছোঁবল দিয়ে আসে তারপর। আইয়ূবের বেড়িবাঁধের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। দুদশক পেরিয়ে গেছে চেতনার বাংলাদেশে কোন সরকারই আর মহাপরিকল্পনা করিনি উপকূল নিয়ে। বেড়িবাঁধ হয়নি সমন্বিত বিগবাজেটে। হাসিনা বা খালেদা, কেউ হতে পারিনি আইয়ূব বাঁধের মত হাসিনার বাঁধ খালেদার বাঁধ নামে পরিচিত হতে।
(কপি)
আতিফ আবুবকর
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মে, ২০২১ বিকাল ৩:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


