মক্কায় হজ্বে গিয়ে কেউ মারা গেলে নাকি তিনি জান্নাতে যান। যদিও কেউ মরতে চায় না। সবার কাছে জান্নাতের চেয়ে পৃথিবীর সুখটাই মুখ্য। গত বিশ বছরে শুধুমাত্র শয়তানকে পাথর মারত গিয়ে মারা গেছে প্রায় দুই হাজার মানুষ। শয়তানকে পাথর ছুড়ে ঘৃনা প্রকাশ হলো ওয়াজিব। নিচে বিভিন্ন বছরের জান্নতিদের সংখ্যাটা একটু দেখা যাক-
এ বছর মিনায় শয়তানকে পাথর মারতে গিয়ে পদদলিত হয় ৭১৭ জন মারা যায়।
২০০৬ সালে মিনায় শয়তানকে পাথর ছুঁড়ে মারতে গিয়ে পদদলিত হয়ে মারা যান আরও ৩৪৫ জন।
২০০৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আল-জামারাতে শয়তানকে পাথর ছুঁড়ে মারার সময় পদদলিত হয়ে মারা যান ২৪৪ হাজি।
২০০১ সালের ৫ মার্চ ৩৫ জন হাজি মারা যান ওই আল-জামারাতে একই ধরনের ঘটনায়।
১৯৯৮ সালের ৯ এপ্রিল ১৮০ জন মারা যান হুড়োহুড়িতে হঠাৎ আতঙ্কিত হয়ে। ওই পদদলিত হওয়ার ঘটনাটিও ঘটে আল-জামারাতে, শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের সময়।
১৯৯৪ সালের ২৩ মে ২৭০ জন মারা যান আল-জামারাতে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন ইন্দোনেশীয়।
শয়তানকে পাথর মারা ওয়াজিব হওয়ার কারনে এসময় মৃত্যুটা একটু অস্বাভাবিকই লাগে। যদিও দুর্ঘটনা তো দুর্ঘটনাই। তারপরেও কিছু কথা থেকে যায়। কোন অস্বাভাবিক মৃত্যুই কাম্য নয়। তবে আমার মনে হয়- শয়তান আসলেই বড় শয়তান। নাহলে তাকে পাথর মারার সময় এতো মানুষ মরবে কেন?
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



