কোন এক দিনের কথা.......
তখন ইন্টারমিডিয়েট ফাষ্ট ইয়ার এ পড়ি ।
পরীক্ষায় পাশ করে আমরাও বের হলাম তার কয়েক দিন পরই স্কুলে
একজন বিএসসি টিচার নিয়োগ হল ।
নাম তার আবু বক্কর সিদ্দিক । সকলেই বক্কর স্যার নামেই চিনেন ।
দেখতে সাধারন অন্য সকল টিচারদের চেয়ে একটু ভিন্ন টাইপের ।
কথা বলেন পুরো গ্রাম্যভাষায় । চলন বলন পোষাক আশাকেও ছিলেন ক্ষেত ।
শুনেছি পড়ালেখা শেষ করে অনেক দিন চাকরি খুঁজেছেন ।
চাকরি না পেয়ে অবশেষে সাংসারিক কাজে আত্মনিয়োগ করেছিলেন ।
তারঃপর অনেক চেষ্টা তদবির করে স্কুলের চাকরি টা নিলেন । স্কুল থেকে
তাঁর বাড়ি অনেক দূর সব দিক বিবেচনা করে
আমার দূ-সম্পর্কের চাচা আব্দুল হক সাহেব ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি
তিনি তাঁর বাড়িতে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করলেন ।
এমনি ভাবেই বেশ কিছু দিন চলছে ।
মাঝখানে একদিন আমি তাঁর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎও করে
এসেছি ।
সভাপতি কাকার ছেলে নাজমুল । ক্লাস নাইন এ পড়ে ।
শূনেছি স্যার তাঁকে ছোট ভাইয়ের মত স্নেহ করেন । পড়া লেখাতেও
বেশ নজরদারি করছেন । শুনে বেশ খুশিই হতাম ।
হঠাৎ একদিন নাজমুল আমার বাসায় এল । বক্কর স্যার
সম্পরকীয় কিছু কথাও বলল । কিন্তু খোলামেলা তেমন কিছু না বলায়
আমিও কথাগুলু কে খুব সিরিয়াস কিছু মনে করলাম না ।
শহরে এসেছি । হোষ্টেলে থাকছি । রোজ কলেজ করছি ।
হঠাৎ নাজমুলের ফোন । বলছে,ভাই আপনি কবে বাড়ি আসবেন ।
ওর তাড়া দেখে দেরিতে আসার ইচ্ছা থাকলেও দূ দিন পরই বাড়ি এলাম ।
নাজমুলকে ডাকলাম । সমস্যার কথা জানতে চাইলে সে প্রথমে সিরিয়াস পরে-
মৃদু মৃদু হেসে বলল-
ভাই আমাকে একটা বুদ্ধি দেন । কি বুদ্ধি দেব ।
শুনলাম যা আর তা হল -
বক্কর স্যার তার স্কুলে অধ্যয়নরত ক্লাস নাইন এর ছাত্রী নাজনীন কে মনে প্রাণে ভালবাসেন ।
আর সে ভালবাসার মিডিয়া হয়ে নাজমুল কে কাজ করতে হবে ।
ইতিমধ্যে বক্কর স্যার কয়েক টা চিঠিও নাজমুল কে দিয়েছেন নাজনীন কে দেওয়ার জন্যে ।
বন্ধুরা ধৈ্রযহারা হবেন না অনেক মজার ঘটনা
NEXT………Tomorrow
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৪:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



