অস্থির এক পরিবেশ চলছে সারাদেশে। সবাই যেন এক চাপা অস্থিরতায় ভুগছে।
বিএনপি র পাঁড় সমর্থকদের অস্থিরতা দল এবার ক্ষমতায় আসবে কিনা তা নিয়ে, লুকিয়ে চুরিয়ে আর কত দিন থাকা যায়? পলিটিক্যাল ধান্দাবাজির দরজা আবার খুলবে কিনা এই টেনশনে উষ্ঠাগত প্রান। দলের প্রচারনা চালাতে গিয়ে আবার হাজতবাসের ভয় বোনাস।
বিএনপির হালকা সমর্থক রা আছেন হালকা অস্বস্তিতে,গত দশ বছরে গড়ে তোলা আওয়ামী সখ্যতার দিকে ঝুকবেন নাকি পুরানো বিএনপি র সাথে আবার পথে মিছিলে নামবেন এই ডিলেম্মায় ভুগছেন এরা। এদের বেশির ভাগই মুখে হালকা আওয়ামী ধুয়া তুলে ভোটটা ধানের শীষে মেরে আসবেন।
জামাতের হালকা পাঁড় উভয় সমর্থকদের মার্কা এবার ধানের শীষ।
জাতীয় পার্টীর সমর্থকদের বড় একটা অংশ এবার পার্টির সিদ্ধান্তের(নৌকার) সাথে যাবেন, প্রায় ৯০%।
আওয়ামীলীগের পাঁড় দের নিয়ে বলার কিছু নাই,এরা আজীবন আওয়ামীলীগ।
আওয়ামী হালকাদের বেশিরভাগই নৌকার পালেই হাওয়া দেবেন শুধুমাত্রগত ১০বছরে ভুলেভালে যারা সেমসাইড মিসফায়ারে পড়ে গেছেন(দলীয় কোন সিদ্ধান্তেরকারনে আচমকা ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন যারা)
নতুন ভোটারদের একটা বড় অংশ প্রতিবারেই পারিবারিক শিক্ষা নির্ভর সিদ্ধান্ত নেবেন ,মানে বাপ আওয়ামীলীগ তো পোলা আওয়ামীলীগ আবার ফ্যামিলি বিএনপির ভোটার হলে বাচ্চারাও বিএনপির ভোটার ইত্যাদি।
দোদুল্যমান ভোটার যারা হরতাল পছন্দ করেননা,সরাসরি আওয়ামী ক্ষতির সম্মুখীন হননি,বিএনপিতেও এলার্জী নেই ,দেশকে ভালবাসেন,দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন উপভোগ করছেন আবার গনতন্ত্র নিয়ে চিন্তিত, এই মধ্যবিত্ত শ্রেনী আসল ভূমিকা রাখবেন এইবারের নির্বাচনে।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



