অদ্ভুত বিষন্নতায় ভরা পৃথিবী। কালো আঁধার, নিরব-নিস্তব্ধ চারপাশ। এরই মাঝে জুনিপোকার সবুজ আলো, তোমরা যাকে জোনাকি বলো। জোনাকির গায়ে যেটুকু আলো পাওয়া যায়, তাতেই অল্পস্বল্প পৃথিবী দেখা যায়। এই আলোয় তোমায় দেখতে পেলে বেশ হতো।
গ্রাম বাংলায় শীত নেমেছে। কুয়াশার চাদর দিয়ে শরীরটাকে কোনমতে জড়িয়ে নিয়ে পৃথিবীটা এই রিতুটা কাটিয়ে দেবে বলে ভাবছে। এই সময়টায় গায়ে কাথা-কম্বল চড়াতেই হয়। আবার মাথার ওপরে বনবন শব্দে ফ্যানটা না ঘুরলেও যেন তৃপ্তি আসে না ঘুমে। শহরের জনবহুল এলাকায় তুলনামূলক শীত কম। মানুষের গরম নিশ্বাসে গরম হয়ে এসেছে বাতাস। গ্রামে কিন্তু এর চেয়ে বেশি ঠাণ্ডা হওয়ার কথা। কিন্তু অবাক করা ব্যাপার, এবার দক্ষিণের গ্রামগুলোতে তেমন শীত নেই। খেজুরের রস নামানো শুরু হয়নি এখনও। পিঠা-পুলি খাওয়ার সময়ও আসেনি। এমন সময়ে গ্রামে আসাটা 'লস প্রজেক্ট'। দাদা, বললেই তো বলবেন বলজি।
এমন ঠাণ্ডার রাতে গ্রামবাংলায় বাইরে বের হওয়া মুশকিল। ঢাকা শহর বা মফস্বল শহরেও রাতে বের হওয়া বরং সহজ। আজ যখন বের হয়েছিই, তখন ঝিঁঝিঁ পোকার সাথে আরও অনেক পোকারা আমাকে গান শোনাচ্ছে। আজ রাতে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে পল্লীগীতির উৎসবে থাকতে না পারার কষ্ট যেন কিছুটা লাঘব হলো। এখন কেউ চোর ঠাউরে ধোলাই না দিলেই হয়। তবে আমি চাই আজ আমায় ভূত-পেত্নীতে ধরুক। হিমুদের কি ভূত-প্রেতে ধরে? আমার জানা নেই। আমি যদিও হিমু হতে পারিনি। তবে আজ হিমুস্রষ্টার জন্মদিন। সবাইকে শুভেচ্ছা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


