somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

এইংলিশ, এইংলিশ, এইংলিশ (২)

০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আগের লেখাটিতে চায়নিজদের ইংরেজির বেহাল দশার কথা বলছিলাম। এবারে অন্যান্য কিছু দেশ ঘুরে আসা যাক। দেখতে চায়নিজদের মত হলেও কোরিয়ানদের কথাবার্তা আরও ইন্টারেস্টিং। কোরিয়ানরা সব কথাই উচ্চারণ করে দু-ঠোঁট প্রায় বন্ধ করে। এদের কথা শুনলে মনে হবে কথাগুলো মুখ দিয়ে না বেরিয়ে বরং উল্টো মুখের ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। ডিপার্টমেন্টে আমার পাশের ডেস্কে বসত জিয়ান লু নামের এক কোরীয়ান। বর্তমানে সে মাইক্রোসফটে কাজ করছে। তার সাথে কথা বলার সময় হঠাৎ করে আমি বুঝতাম না আওয়াজ কোত্থেকে আসছে! মাইক্রোসফটের ইন্টারভিউ সে কী করে অ্তিক্রম করল এটার হিসেব আমি এখনও মেলাতে পারিনা। (মাইক্রোসফটেও মিস বারিটোর মত ল্যাংগুয়েজ ইন্সট্রাকটর আছে কিনা কে জানে?) চায়নীজ-কোরিয়ানদের তুলনায় ইন্ডিয়ানদের উচ্চারণ অবশ্য অনেক ভাল। তারপরও এদের উচ্চারণে ইন্ডিয়ান আঞ্চলিকতাটা স্পষ্ট বোঝা যায়, যেটা আমাদের অনেকের কাছেই শুনে বেশ বিরক্তি লাগে। বিশেষত যারা তামিল ভাষায় কথা বলে, তারা ইংরেজি বললেও মনে হয় যেন তামিল শুনছি। এছাড়া বেশিরভাগ ইন্ডিয়ানদের আরেকটি বৈশিষ্ট্য যে এরা কথা বলার সময় খুব জোরে জোরে মাথা নাড়াতে থাকে। আমি বুঝি না এরকম দুটো চক্কর দেবার পরই তো মাথা ব্যাথা শুরু হবার কথা, অথচ ওরা দিব্যি সারাদিন চক্কর দিয়ে যাচ্ছে। এটা আমি আগে খেয়াল করিনি, আমাকে পরিচিত একজন জিনিসটা বলার পর থেকে আমি খেয়াল করে দেখেছি বিষয়টা সত্য।

আমেরিকানদের সবার উচ্চারণও যে খুব শ্রুতিমধুর তা নয়। দু-একজন আছে যাদের কথা শুনলে মনে হয় ইচ্ছে করেই তারা আমাদের সাথে এমন ভাবে কথা বলে যেন বুঝতে গিয়ে আমাদেরকে বেশ বেগ পেতে হয়। এখন আমরা এসবে অভ্যস্ত হয়ে গেছি বিধায় কোন সমস্যা হয়না, তবে খুব শুরুর দিকে এদের কথা শুনে মনে হত ক্যাসেট প্লেয়ারের ফিতে বেশ জোরে ফরওয়ার্ড করলে যে এক ধরনের নয়েজ হয়, অমন করে কিছু বলছে। তখন ওরা অনেকক্ষণ কথা বলার পর কিছু জিজ্ঞাসা করলে আমরা শুধু তাকিয়ে থেকে হাসতাম, আর 'ইয়া, হুমম, ইয়েস, ওওও, আহা, নাইস'- এসব উত্তর দিতাম যেটার মানে হ্যাঁ-না সবকিছুই হতে পারে। কেউ কিছু বলছে, যেটা আমার বোঝার কথা অথচ আমি কিছুই বুঝতে পারছি না- এটা যে কি দুঃসহ একটা পরিস্থিতি সেটা এই পরিস্থিতিতে না পড়লে বোঝা অসম্ভব। কেউ যদি মনে করে থাকে যে, সে ইংরেজিতে অনেক বেশি স্মার্ট- ঢাকার বড় বড় ফাস্ট ফুডের দোকানে খুব ভাব নিয়ে ইংরেজিতে অর্ডার করেছি কত্ত, বন্ধু-বান্ধবদের সাথে তো ইংলিশ ছাড়া আমি কঠাই বলিনা, হাফপ্যান্ট পড়েই তো আমি শপিংয়ে বেরোই সবসময়, মেটাল-রক-গোথিক এসব আমার লাইফ-- এখানকার আসল আমেরিকান লাইফ দেখলে তাদের সব লাফালাফি একবারেই বন্ধ হয়ে যাবে। প্রয়োগের অভাবে হয়ত আমাদের দেশের বেশিরভাগ ছেলেমেয়েরা ইংরেজিতে একটু 'কাঁচা' হয়ে থাকে, কিন্তু যাদের মাঝে 'আঁটি'ই নেই তাদের এসব ভাব নেয়া যে কত্ত বিশাল গাধামি সেটা তারা বুঝলে আমাদের দেশের তারুণ্য আজ অনেক সুন্দর হত।

নেটিভদের মাঝে আরেক প্রজাতি হচ্ছে- 'কালো'। আমেরিকায় 'ব্ল্যাক' বা 'নিগ্রো' এধরণের শব্দ উচ্চারণ করা আইনত নিষিদ্ধ। এ যুগে হয়ত সাদা-কালো বিভেদ স্পষ্টভাবে কোথাও নেই, তবে কালচারে এ-দুজাতের বিশাল পার্থক্য। ভাষার ক্ষেত্রেও উচ্চারণেও আছে অনেক তফাৎ। এরা আধো কথা মুখে রাখে আর আধো কথা উচ্চারণ করে। আমি খেয়াল করে দেখেছি এরা প্রতিটি শব্দের ঠিক অর্ধেকটুকু উচ্চারণ করে এবং বাকি অর্ধেক উহ্য রাখে। ইউভিএ-তে কালো স্টুডেন্টদের সংখ্যা অনেক কম। এখানে কালোরা মূলত শ্রমজীবি বা বলা যায় শ্রমজীবিরা মূলত কালো। দোকান-পাট, কন্সট্রাকশনের কাজ, সিটিবাস, ক্লিনিং, মেইনটেনেন্স- এসব কাজেই আমি প্রধানত কালোদের দেখেছি। এদের 'আধো কথা' না বুঝলে যদি বলি- 'সরি, আমি বুঝতে পারিনি, আবার বলবেন?', সে ক্ষেত্রে ওরা আবার বলবে, যতবার বলি ততবার বলবে, কিন্তু তাও একবারও সুন্দর করে বলবে না। 'সৌন্দর্য্য' বিষয়টি এদের বেশিরভাগের মাঝেই অনুপস্থিত। দীর্ঘদিন শেতাংগদের অন্যায়ের সাথে লড়াই করে কোনমতে টিকে থাকতে থাকতে এদের অনেকের মাঝেই বোধহয় সৌন্দয্য, কোমলতা এসব জিনিস বিকশিত হতে পারেনি।

প্রতি মূহুর্তে এসব হরেকদেশের হরেকরকম ইংরেজি শুনে-বুঝে-কথা বলে- ক্লান্ত হয়ে যখন এনামুল-তনিমা-মুনির অথবা তানিয়া আপার ডেস্কে গিয়ে দু-বাক্য বাংলা বলতে পারি তখন মনে হয় প্রাণে বুঝি একটু স্বস্তি এসেছে।

ইংরেজি ক্লাসে আমাদের অনেক বিচিত্র বিচিত্র কাজ করতে হচ্ছে। কিছু আছে খুব বাচ্চাদের কাজ আবার কিছু আছে সত্যিই বেশ দরকারি। মজার মজার অনেক কিছুও এসময় জানা যায়। যেমনঃ উচ্চারণে পার্থক্যের কারণে যে অর্থ কত বদলে যেতে পারে সেটার উদাহরণ হিসেবে মিস বারিটো একদিন চায়নীজ ভাষায় 'মা' শব্দটির কথা বললেন। চায়নিজ ভাষায় 'মা' কথাটির অর্থ নাকি 'মা', 'দড়ি', 'অভিশাপ' কিংবা 'ঘোড়া' যে কোন কিছু হতে পারে। বারিটোর অনুরোধে একজন চায়নিজ ছাত্র একদিন চারটি উচ্চারণই আমাদেরকে করে শোনায়। আমরা কেউ প্রথম তিনটিতে কোন পার্থক্য বুঝলাম না, কেবল 'ঘোড়া' বোঝানোর সময় ঘোড়ার ডাকের মত করে কাঁপা গলায় 'মা--' উচ্চারণ করাতে আমরা সেটা বুঝতে পারলাম। বুয়েটের হিসেবে এই ছেলের নাম এখন থেকে 'ঘোড়া' হয়ে যাবার কথা। কিন্তু এখনও কেন হয়নি সেটা বুঝে উঠতে পারছিনা।

দরকারি জিনিসে আমার আগ্রহ কম হওয়া সত্ত্বেও আমি বেশ কিছু ভালো জিনিস শিখেছি এই কোর্সে। যেমনঃ লেখায় রেফারেন্স যুক্ত করার যে এত স্ট্যান্ডার্ড থাকতে পারে তা আমার জানা ছিলনা। অনেক সময় বইতে কোন থিওরাম কিংবা কাজের কথা উল্লেখ করতে লেখকের নাম ও নামের পাশে একটা সন ব্রাকেটের ভেতরে লেখা থাকে, যেমনঃ (নিউটন ১৬৬৬)। আমি এতদিন এটাকে লেখকের জন্মসাল ভাবতাম। এই ক্লাসে এসে জানতে পারি যে এটা আসলে কত সালে লেখাটি ছাপা হয় সেটা বুঝাচ্ছে। এছাড়াও এক ক্লাসে আমাদেরকে শেখানো হলো অনলাইনে কি করে ইউভিএ'র লাইব্রেরি থেকে বই, জার্নাল, থিসিস ইত্যাদি সার্চ করে ইস্যু করা যায়। এসব আমরা আগে থেকে জানলেও নতুন জানতে পারলাম ইউভিএ লাইব্রেরির স্পেশাল রাইটস এর কথা, যার বদৌলতে বিশ্বের যে কোন লাইব্রেরি বা জার্নাল থেকে আমি বই, আর্টিকেল ইত্যাদি ইস্যু করতে পারি এবং ইউভিএ কতৃপক্ষ সেটার সফট কপি তিনদিনের মাঝে এবং যে কোন হার্ডকপি দু-সপ্তাহের মধ্য এনে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এ কথা বাসায় এসে মুনিরকে শোনানো মাত্র মুনির বলতে থাকে- 'হায় হায়, তাইলে তো আমরা হুমায়ূন আহমেদের সব নতুন বই অর্ডার দিতে পারি এখন থেকে! বইমেলাতে বই বের হলেই সাথে সাথে আমরা দিব অর্ডার।' আমি অবশ্য এ ব্যাপারে তাকে কোন আশ্বাস দিতে পারলাম না। চিন্তায় পড়ে গেলাম, আমি কি 'বিশ্বের যে কোন লাইব্রেরি' শুনেছি নাকি 'আমেরিকার যে কোন লাইব্রেরি' শুনেছি। তখন মনে হলো আমার এ প্রশ্নের উত্তর একমাত্র স্বর্ণকেশী, বাকপটু, অমায়িক, প্রতিভাময়ী, কো-অর্ডিনেটর অফ ব্রাউন লাইব্রেরি ক্যাথরিন-ডি-স্যুলেই সঠিকভাবে দিতে পারবে। ইস, মানুষ কার্ড দিলে সেটা সাথে সাথে ফেলে দেবার অভ্যাসটা যে কেন করেছি!

ইংরেজিতে কথাবলার পাশাপাশি প্রফেশনাল লাইফে আরেকটি জিনিস খুব গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হলো প্রেজেন্টেশন। বুয়েটে পড়ার সময় আট সেমিস্টার মিলিয়ে বড় জোর দু-তিনটি প্রেজেন্টেশন করতে হয়েছে। আমরা এটাকে খুবই অপছন্দ করতাম এবং সেসব স্যাররা প্রেজেন্টেশনের কথা বলতেন তাদেরকে আমরা অহেতুক ঝামেলা সৃষ্টিকারী টিচার মনে করতাম। এখানে এসে যেটা দেখি চিত্রটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে সব প্রফেসরই খুব সিরিয়াসলি জিনিসটাকে দেখেন এবং আমাদেরকে উৎসাহ দেন আরও সুন্দর করে প্রেজেন্ট করার প্রতি। আমাদের হেড অফ দ্য ডিপার্টমেন্ট মিস ম্যারি একবার খুব সুন্দর একটি কথা বলেছিলেন। তার ভাষ্য মতে, একজন রিসার্চারের নিজস্ব রিসার্চের বিষয়ের ওপর চার রকমের স্পীচ সবসময় তৈরি রাখতে হবেঃ দুই-মিনিট স্পীচ, পাঁচ-মিনিট স্পীচ, পনের-মিনিট স্পীচ ও এক ঘন্টার স্পীচ। দুই-মিনিটের স্পীচ হচ্ছে 'এলিভেটর স্পীচ', অর্থাৎ আপনি কারো সাথে লিফটে করে যাচ্ছেন এবং সে জিজ্ঞাসা করল- 'ভাই, আপনি কি নিয়ে কাজ করেন?'। তখন তাকে দিতে হবে দু-মিনিটের একটি এলিভেটর স্পীচ। পাঁচ-মিনিটের স্পীচ হচ্ছে কোন পার্টিতে যখন দুজন রিসার্চারের দেখা হবে তখন পান-পাত্রে চুমুক দিতে দিতে তাকে দিতে হবে পাঁচ-মিনিটের 'পার্টি স্পীচ'। পনের মিনিটের 'কনফারেন্স স্পীচ' হচ্ছে নিজের গবেষণা পত্র কোন কনফারেন্সে উপস্থাপনের জন্য। আর এক ঘন্টার স্পীচ হচ্ছে পিএইচডি ছাত্রদের জন্য ভয়াবহ 'ডিফেন্স স্পীচ' যেটার পাস-ফেলের ওপরই আপনার সবকিছু নির্ভর করছে। (আরেকটু বাকি)
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬
১৫টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কৈফিয়ত

লিখেছেন জটিল ভাই, ১১ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ১:০০


(ছবি নেট হতে)

আউযুবিল্লাহিমিনাশশাইত্বোয়ানিররাজিম।
বিসমিল্লাহিররাহমানিররাহিম।
আসসালামুআলাইকুম।

উপরের মত করে সূচনা যাদের নিকটে বিরক্তিকর মনে হয়, তাদের নিকট ক্ষমা প্রার্থণা করে বলছি,

এভাবে শুরু করার ফলে আমার বিভিন্ন সুবিধা হয়ে থাকে। যেমন ঐ অংশটা লিখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবনঃ কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে কভু আশীবিষে দংশেনি যারে।

লিখেছেন জাদিদ, ১১ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ১:১৪

১।
মেয়েকে রুমে একা রেখে বাথরুমে গিয়েছিলাম। দুই মিনিট পরে বের হতে গিয়ে দেখি দরজা বাইরে থেকে লক। পিলে চমকে উঠে খেয়াল করলাম পকেটে তো মোবাইলও নাই। আমি গেট নক... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বপ্নরচিত গল্পনাটক

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১১ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ১:৪৪

গত কয়েকদিন ইউটিউবে প্রচুর নাটক দেখেছি। বেশিরভাগই কমেডি ড্রামা, অল্প কিছু ছিল সামাজিক নাটক। নাটক দেখার পর মন জুড়ে আনন্দের রেশ জেগে থাকতো। সেই রেশ এভাবে স্বপ্নেও স্থান করে নিবে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেঘের অক্ষর, ইতিউতি এবং অন্যান্য

লিখেছেন জুনায়েদ বি রাহমান, ১১ ই আগস্ট, ২০২২ ভোর ৪:৩৫

'ইতিউতি'


সন্ধ্যাতারা কলি মেলেছে মোহনকান্দার আকাশে
বাতাসে লকডাউনের ভাপসা গন্ধ আর নিশিতা বড়ুয়ার বিরহী সঙ্গীত-

'বন্ধু তোমায় মনে পড়ে, বন্ধু তোমায় মনে পড়ে....'

রুমমেট ডুবে আছে বিরহী রোমান্টিসিজমে।

আমি পাঠ করছি অতন্দ্রিতার সংসারকাব্য- মেঘের স্মৃতিকথা...
করোনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোটিপতি এবং বাংলাদেশীদের সুইস ব্যাংকের হিসাব।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১১ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:১৮



স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারী ছিল ৫ জন। ১৯৭৫ সালে তা ৪৭ জনে উন্নীত হয়। ১৯৮০ সালে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ৯৮টি। এরপর ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬... ...বাকিটুকু পড়ুন

×