এই সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে ও এরা দুই জন মন্ত্রী হইলো কেন ??
বাতা ২৪.নেটের নিউজটা এরকম
মন্ত্রিসভায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছেন আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও দলটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ। ক্ষমতাসীন জোটের শরিক দল রাশেদ খান মেননও নিজের নারাজির কথা জানিয়েছেন।
আমার কোন বুদ্বি কুলাচ্ছেনা ??
বাংলা নিউজ ২৪.কমের নিউজটা এরকম ::: :বার বার প্রস্তাব পাওয়ার পরও মন্ত্রিত্ব না নিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য প্রবীণ রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ।একই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রবীণ বামপন্থি নেতা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননও।
এমন সুযোগ কি বার বার আসে ??
আর এ ব্যাপারে বি এন পির প্রতিক্রিয়া
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘‘মহাজোটের ভেতর বিদ্রোহ ঠেকাতেই শরিকদের নিয়ে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করছে সরকার।”
তিনি বলেন, “এ সরকারের সময় শেষ। তাদের পতন আসন্ন। এখন আর এন্টিবায়েটিক ও কোরামিন দিয়ে শেষ রক্ষা হবে না। সরকারের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।’’
ঘটনাটা কি ??
আবার প্রথম আলোর নিউজটা এরকম আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের মন্ত্রিসভার চতুর্থ দফা সম্প্রসারণে মন্ত্রী হতে দলটির জ্যেষ্ঠ নেতা তোফায়েল আহমেদ এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা সে প্রস্তাবে রাজি হননি। কেন তাঁরা মন্ত্রিসভায় যোগ দিলেন না, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য হলো তাঁরা দলের ও মহাজোটের হয়ে কাজ করতে চান।
১.তোফায়েল আহমেদ: ‘আমার মতো তোফায়েল আহমেদ মন্ত্রিসভায় না এলে কিছু যায় আসে না।’‘যাঁরা মন্ত্রী আছেন, বাকি দিনগুলো তাঁরা ভালোভাবে কাজ করতে পারবেন। এ ছাড়াও যাঁরা নতুন করে যোগ দিয়েছেন, তাঁরাও যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। আমার মতো একজন তোফায়েল আহমেদ মন্ত্রিসভায় যোগদান না করলে তাতে কিছুই যায় আসে না। দলের প্রতি আমার কোনো ক্ষোভ, হতাশা ও বঞ্চনা নেই।’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কোনো ভুল-বোঝাবুঝি নেই বলেও তিনি জানান। কোনো ধরনের হতাশা থেকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না, সাংবাদিদের এমন প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ এ সব কথা বলেন।
২. রাশেদ খান মেনন: মন্ত্রিসভা গঠন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় ওয়ার্কার্স পার্টিসহ ১৪ দলের কোনো ধরনের অংশগ্রহণ ছিল না। মূলত এ কারণে এক বছর আগে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ ফিরিয়ে দিয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।
মন্ত্রিসভায় যোগ না দিলেও ওয়ার্কার্স পার্টি সংসদে ও সংসদের বাইরে সরকারের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে। মন্ত্রী হওয়ার আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে মহাজোটের শরিক এই দলটি। মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পাওয়ার পর আজ দুপুরে বৈঠকে বসে পার্টির পলিটব্যুরো। আর বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়।
দলের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বলা হয়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ২৩ দফার ভিত্তিতে ১৪ দলের দীর্ঘ ধারাবাহিক আন্দোলন ও মহাজোটভিত্তিক নির্বাচনেরই ফলাফল। সেই ধারাবাহিকতায় মহাজোট সরকারে ১৪ দলের শরিক হিসেবে ওয়ার্কার্স পার্টি অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিন্তু মন্ত্রিসভা গঠনসহ রাষ্ট্র পরিচালনার কোনো ক্ষেত্রেই ওয়ার্কার্স পার্টিসহ ১৪ দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী অথবা আওয়ামী লীগের এ যাবত্ কোনো আলোচনা হয়নি। এ বিষয়ে ওয়ার্কার্স পার্টি ১৪ দলকে সক্রিয় করার জন্য বারবার তাগাদা দিয়েছে। কিন্তু কোনো ফল হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর সিদ্ধান্ত নেয়, সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মন্ত্রিসভায় ওয়ার্কার্স পার্টির যোগদানের আর কোনো অবকাশ নেই। তবে ওয়ার্কার্স পার্টি সংসদে ও সংসদের বাইরে সরকারের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে এবং একইভাবে ১৪ দলসহ অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যকে আরও দৃঢ় করে বিএনপি-জামায়াতসহ দক্ষিণপন্থী সাম্প্রদায়িক শক্তির ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের সব ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করবে।
কেউকি একটু হেল্প করবেন ?? প্লিজ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

