somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"নিজ রাজ্য"

১৫ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


তারিখ: ০৩।০৬।২০১৪
সময়: রাত ০৩.৪৪ মিনিট
 
নিজেকে নিয়ে খুব একটা লেখি না আমি। বিষয়টা এমন নয় যে চেষ্টা করি না। অনেকবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু ব্যর্থ হতে বারবার কার ভালো লাগে বলুন? থাক সে কথা। আজ আরেকবার চেষ্টা করে দেখি। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামে এই লেখা।
 
আমি যে কি করতে ভালোবাসি তা আমার নিজের কাছেও এক রহস্য মনে হয়। তবে আমার ঘরের ছোট্ট বারান্দাটায় বসে, কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনতে শুনতে নির্ঘুম রাত্রিযাপন করতে ভালো লাগে। এই ভালোলাগাটা অন্য রকমের। ভালোলাগে খুব সুন্দর কিছু শব্দ দিয়ে খুব সুন্দর কিছু বাক্য লিখতে। ভালোলাগে সেই বাক্যের মাধ্যমে মানুষকে অন্য জগতে ভ্রমণ করাতে।
 
আমি খুব একটা মিশুক ধরনের না। তবে একবার কারো সাথে মিশতে শুরু করলে তার মাঝে মিশে যেতেই আমি বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। তবে সমস্যা হলো, কারো সাথে সাধারণত খুব একটা মিশি না (একেবারেই দরকার ছাড়া)। আর সেই জন্যেই হয়তো "না বলা কিছু কথা" বলার মত মানুষ আমার চেনা জানায় নেই বললেই চলে। যারাও আছে তাদের সাথে খুব একটা কথা হয়না। মাঝে মাঝেই এর জন্য অভিমান হয়। কিন্তু "কার ওপর এই অভিমান" তা বুঝার ক্ষমতা আমার নেই, কখনো ছিলোও না।
 
আমার নিজের একটা ঘর আছে। যেটা আমার সাথে প্রতি নিয়ত কথা বলে। ঘরটাকেই তাই বেশি আপন মনে হয়। আর আপন জিনিস ছেড়ে যেতে কার ভালোলাগে আপনি-ই বলুন? তাই আজ আমার রাজ্য হলো আমার এই "ঘর"। আমি এর একনিষ্ঠ রাজা।
 
এসব পড়ে অনেকেই ভাবছেন হয়তো, আমি হলাম প্রেমে ব্যর্থ কোনো মহাপুরুষ যার লেখালেখি করার বা কবিতার মত বিরক্তিকর জিনিস তৈরি করার বিশেষ গুণ রয়েছে। তাদের জন্য এই কথাগুলো-
 
প্রেমে ব্যর্থ হলেই যে মানুষ হতাশাগ্রস্থ হবে এমন কোনো নিয়ম কোথাও লেখা আছে কি? আবেগময় কিছু ঘটলেই মানুষ সেই ঘটনা আরেকজনকে জানানোর জন্য উদ্ধত হয়। আবেগটা সুখেরও হতে পারে, কষ্টেরও হতে পারে, হতে পারে উত্তেজনার। এই বৈশিষ্ট্য সকল মানুষের নিউরনে ও DNA তে খুব সূক্ষ্ম এবং জটিল ভাবে সাজানো। আর এই বৈশিষ্ট্য মেয়েরা বেশি প্রদর্শিত করে বলেই তারা সচরাচর কোনো কথা গোপন রাখতে পারে না। আরেকজনকে বলে দেয়। অনেক সময় নিজের অনিচ্ছায় এবং অজানতে। আর যখন মানুষ এই আবেগময় ঘটনা গুলো কাউকে বলতে পারে না তখন সৃষ্টি হয় হতাশার। এই হতাশা চরম আকার ধারণ করে যখন বলার মত ঘটনা জমতে জমতে অনেকগুলো হয়ে যায়। ধিরে ধিরে মানুষ নিজেকে একা মনে করে। নিজের ভিতর একাকীত্ব থেকে নিজের জন্য তৈরি করে আলাদা রাজ্য। শেষমেশ নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয় স্বভাবিক এবং স্বার্থপর পৃথিবী থেকে।
 
আমি এখনো সেই পর্যায়ে যাইনি। তবে বুঝতে পারছি, সেই পর্যায় খুব একটা দূরে নয়। আমি পাগল হয়ে গেছি। এখন আমার মাঝে আমার কোনো অস্তিত্ব নেই।
 
তবে যাই হোক না কেনো, শেষ করবো কাব্যিক ভাবে!
 
"আজ আমার অস্তিত্ব নেই আমার মাঝে,
হয়তো চলে যাবো একদিন বিচ্ছিন্ন কোনো জগতে!
 
আমি জানি কষ্ট তোমাদের হবে,
কিন্তু কি করা?
যেতে তো হবে!
তবে আমি এও জানি তোমরা সইতে পারবে।"
 
কেনো জানি আজ কবিতাও আমার সঙ্গ দিতে চাইছে না।
 
ভালো থাকবেন। নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয়া বোকামি ছাড়া কিছুই না। এমন বোকামির কোনো মানে হয় না।
 
.......................
.......................
.......................
 
 
(অসমাপ্ত)
 
 
উৎসর্গ: অনেক মনে পরে, বন্ধু তোকে। জানি সম্ভব না, তবুও বলি "ফিরে আয়"! আর তোকে একা থাকতে দিবো না।
 
পুনশ্চ: উল্টা-পাল্টা ভাববেন না কেউ। কথা গুলো আমার নয়। এক বন্ধুর। হয়তো এক সময় এই কথা গুলোই ভাবতো সে মনে মনে। শেষ পরিনতি কি ছিলো ইচ্ছা করেই লিখলাম না। ভালোলাগে না মনে করতে।নিজরাজ্য
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দরজা ভাঙ্গে যে রাষ্ট্র।। দ্বীপ সরকার

লিখেছেন দ্বীপ ১৭৯২, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪০



দরজা ভাঙ্গে যে রাষ্ট্র

একদা এক রাতে-
রাষ্ট্র, কড়া নাড়তে নাড়তে দরজা ভেঙ্গে
ঢুকে পড়লো
আমি নিথর,নিস্তব্ধ এক জনগণ
বললাম,আমি ভয় পাচ্ছি
রাষ্ট্র হাসতে হাসতে ভাঙ্গা দরজা দিয়ে
এক পা দুই পা করে,লোকালয়ে মিশে গেলো

রাষ্ট্র কি ভয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

জগন্নাথবাসীগণ, আমার কথা শুনছেন কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

জগন্নাথবাসীগণ,
আপনাদের গরু কোরবানি যদি হযরত জাবের (রাঃ)-এর মতো
নবীজীর সম্মানে হয়ে থাকে, তাহলে মোবারকবাদ।
আর, শুধু প্রতিবাদ দেখাতে একটি অবলা পশুকে হত্যা করে থাকলে,
তার জন্যে খোদার দরবারে বিচার দিলাম।
...বাকিটুকু পড়ুন

রংয়ের মানুষ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৫০


গ্রেট মাদ্রাজ ফ্যামিন যখন অনুপ্রেরণার উৎস
একদিন আমাদের সবার প্রিয় সংসদ সদস্য আমির হামজা ওয়াজে বেশ গরম গরম কথা বলছিলেন। মহান আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টির সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হঠাৎ রাশমিকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

×