somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যে সম্পর্কের কোন সীমারেখা নেই,যাকে বাঁধতে চাই না কোন সংজ্ঞা বা শিরোনামেও-২

২১ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পর্ব-১
Click This Link
নুসরাতের কল রাখার পরপরই বুঝলাম মেজাজটা অতিরিক্ত রকম খারাপ হয়ে গেছে।নুসরাত একটা অপরাধবোধে ভুগছে তাও বুঝতে পারি।ও নিজেকে নিয়ে একটু সময় কাটাক-আমি ভাবি।

মা-র কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম।বললাম কাল একবার ডিপার্টমেন্টে যাব।মা আমার দিকে তাকিয়ে কিছু একটা আঁচ করল।মানা করল না। বলল,
-গাড়িকে আসতে বল তাহলে।আর কে কে আসবে?
-মনির আর আজাদকে আসতে বলেছি।
-আড্ডা দিবি তিনজনে?
হাসলাম আমি।
-ঠিক আছে।
মা বলল।

মনির আর আজাদ-আমার দুই জানে জিগার দোস্ত। মনিরের সাথে আমার চিন্তাভাবনা মিলে বেশি। আর আজাদের সাথে আমার বেয়াই-বেয়াইনের সম্পর্ক।জ্ঞান হবার পর শাওয়ারের পানি ছাড়া যে অল্প ক'জন আমাকে কাঁদতে দেখেছে তাদের ভেতর এই মনির আর আজাদ দুইজন।
তিনজনে অনেক মাস্তি করি আমরা।নুসরাতকে এর ভেতর টানি না।মনির আর আজাদের সাথে আড্ডা দেবার একটা সুবিধা হল যে কোন বিষয় নিয়েই আড্ডা দেয়া যায়।ছেলে-মেয়ে কোন ম্যাটার থাকে না।আবার তিনজনই আমরা আমাদের লিমিট জানি।অদ্ভুত কম্বিনেশন!

দুজনকেই ফোন করলাম,সময় জানালাম কখন যাব।
-দোস্ত!তোর জন্যই ওয়েট করছিলাম।এবার দাদাবাড়ি গিয়ে যে অ্যাকসিডেন্টের ভেতরে তুই পড়েছিলি,তারপর আমরাও চাইছিলাম তোর সাথে একটু সময় কাটাতে,তাতে যদি তোর একটু ভাল লাগে।
ওরা বলল।আমিও সায় জানালাম।

পরদিন সকালে ডিপার্টমেন্টে গেলাম। গিয়ে দেখি দুই চিড়িয়ার একটাও আসে নাই!সারাজীবন শুইনা আসছি মেয়েরা অলটাইম লেইট,এদের বেলায় সবসময় দেখি পুরা উল্টা!মেজাজ তিড়িং-বিড়িং মার্কা হয়ে গেল। পার্সোনাল নম্বর থেকে আজাদরে কল দিলাম।
-কি বেয়াই,কদ্দূর?
-আইসা পড়ছস?বেশি না বেয়াইন ১০ মিনিট লাগবে। আইজকাও তোর লগে পারলাম না।যাহ!

লাইন কাইটা দিলাম।গাড়িকে চলে যেতে বললাম।
তারপর কি আর করা! ডিপার্টমেন্টের করিডোরে দুইহাতে দুই চিড়িয়ার জন্য দুই প্যাকেট আম নিয়া ওয়েট করতে লাগলাম।

......(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুন, ২০০৮ রাত ১০:০১
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩৬



ফেসবুক মেমোরিঃ
৩২ জুলাই এই পোস্ট লিখেছিলাম.....

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

ভালো থাকার চেষ্টা সবসময় করি, বেঁচে থাকার উপাদান খুঁজে নিতে চেষ্টা করি- পুঞ্জিভূত ক্ষোভ আর কিছু করতে না পারার আফসোস... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা সীমানা পেরিয়ে - বালির দাগে রাজনীতি

লিখেছেন রাজসোহান, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:০২



১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ভোলা সাইক্লোন। দশ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস উঠে আসে ব-দ্বীপের নিচু চরে। মৃতের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কথার বুলেট ছুড়ি

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০



ভাবতে তোমার দোষটা কোথায়?
ভেবে দেখো পাপ করোছো নাকি
সংসারে কেনো জাহান্নামে পুড়ো-
ভাবতে তোমার দোষটা কোথায়?

দোষটা তোমার নিজের ভুলগাড়ি
কেমনে চালাও ব্রেক ফেল হয় আড়ি
অহমিকার ভুলটা তোমার নয় কি
দোষটা তোমার নিজের ভুলগাড়ি।

এক্সিডেন্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরি - ১৯৫

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১২



আজ সকালে হোটেলে নাস্তা করেছি।
ইচ্ছা ছিলো ঘুম থেকে উঠবো ১২ টায়। কিন্তু এক ছাগলে অকারণে ফোন করে ঘুমটা নষ্ট করে দিয়েছে। রাতে যে মোবাইলের সাউন্ড বন্ধ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশ ভ্রমনঃ মেহেন্দীগঞ্জ উলানিয়া_জমিদার বাড়ি

লিখেছেন মৌন পাঠক, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×