ইদানিং কালের একটি মুখরোচক আলোচনার নাম রিজওয়ানা হাসান নাম্নী বিখ্যাত নারী উকিলের স্বামীর অন্তর্হান; অতঃপর অপহরণের টান টান উত্তেজনা; ৩৫ ঘন্টা শেষে সেই উত্তেজনার অবসান।
খালি চোখে দেখলে বাঙলাদেশে বিখ্যাত স্ত্রীর স্বামী হিসাবে আবু বকর সিদ্দিকীর এই যাওয়া-আসাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে বিখ্যাত কোন নারীর স্বামীরা অপহৃত হন নাই। এইটা আমাদের দেশের ইতিহাসে একটা মাইলস্টোন ঘটনা হিসাবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
আমাদের যাদের সামান্য ঘোরাঘুরির অভ্যাস আছে, তাদের কাছে ঢাকার অদূরে কোন ফেরী আছে বলে জানা নাই। উনার যেতে তিন ঘন্টা লাগল, আর ফিরে আসতে মাত্র এক / সোয়া ঘন্টা! বাসার দিকে না যেয়ে উনি উলটা পথে গেলেন অনেক সময়। মুক্ত হবার পর ১ ঘন্টা কোথায় ছিলেন?
এই সব, এবং এমনতর অনেক প্রশ্ন ওঠায় এখন অনেকেই এই ঘটনাকে সন্দেহের চোখেই দেখছেন। কিন্তু পরথুম আলু ব্যাপারটাকে সেই ভাবে দেখে নাই। তারা বলতে চাচ্ছে যে স্বামীকে ফিরে পাওয়া কি অপরাধ? তাদের ফরমায়েশি লেখক জাকারিয়া এই লেখার উদ্গাতা।
কোন আলোচিত / সন্দেহজনক / সমালোচিত ঘটনাকে কবরে পাঠানো পরথুম আলুর একটা পুরাতন অভ্যেস। দুয়েকটি উদাহরণ দিলে সেটা পরিস্কার হবে আমাদের কাছে।
শমী কায়সারের রগরগে প্রেম কাহিনী ও বিবাহ সংবাদ ছেপেছিল। সেই জামাই বাবুটি ভেগে যাবার পরে সেই সংবাদটি কবরে চলে গিয়েছিল। পরিমল জয়ধরের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছিল।
কানিজ আলমাসের পারসোনায় মেয়েদের স্নানের দৃশ্য গোপন ক্যামেরায় ধারণ করেছিল। সেই সংবাদ পরথম আলুই কিন্তু গায়েব করে দিয়েছিল। এদের সহায়তা পেয়েছিল বলেই পারসোনা সেই যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিল।
অখ্যাত স্বামী ও বিখ্যাত স্ত্রীর বয়ানে অনেক গরমিল হচ্ছে। সে জন্য গোয়েন্দারা খুব সঙ্কটে আছেন। তবে কেন জানি মনে হচ্ছে, এই ঘটনাটা সাজানো। তাই অনেকেই মনে করছেন, স্বামী অপহরনের ঘটনায় ফেঁসে যাচ্ছেন রিজওয়ানা !
সংবিধিবদ্ধ সতর্কিকরণঃ যারা পরথুম আলুর দুষ দেখেন না, তাদের জন্য এই পোস্ট না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



