রাজনৈতিক বিষোয় নিয়ে লিখতে এখন আর মোটেও ভাল লাগে না। তারপরেও আশেপাশে যা কিছু ঘটে, তা থেকে aloof থাকাও যায় না। বিশেষ করে সাম্প্রতিক কালে যা ঘটছে আমাদের দেশে তা মোটেও গ্রহনযোগ্য কিছু না।
এক পক্ষে বিম্পি আছে। অন্য পক্ষে আছে আম্লিগ। বিম্পির মাঠের অবস্থা এমন যে তারা মাঠে থাকা আম্লিগের অনুমতি নিয়েই এতো কাল সভা-সমাবেশ করে আসছে। সেই দলের এমন কি বল হল যে তারা পেট্রোল বোমা মেরে এতো ক্ষয়ক্ষতি করে ফেলল! আশ্চর্য না?
যুযোগের অপেক্ষায় সবাইই থাকে। শেরাটন হোটেলের সামনে গান পাউডার দিয়ে ১১ জন মানুষকে পুড়ীয়ে মারল নানক আর শেখ সেলিম। তখন আন্দোলনের নামে আম্লিগ কি না করেছে। আর কিছু হলেই সেই সময়ের তথাকথিত সূধীসমাজ সব দায় চাপিয়ে দিত বিম্পির উপরে। মাঠে যে দলের নেতাকর্মীরা থাকতেই পারে না আম্লিগের জ্বালায়, সেখানে সেই বিম্পি-করনেওয়ালরা এত্তো এত্তো পেট্রোল বোমা এনে, মজুদ করে, বাসে ছুঁড়ে মেরে পালিয়ে যাবে -- কি আশ্চর্য না!
২০০৪-২০০৬ সালের আম্লিগের আন্দোলনের সময়ে বিম্পি, আম্লিগের একটাকেও জেলে ঢোকায় নাই। এমন কি জোকার জলিলকেও না। আর আজ সেই আম্লিগ জেনে শুনে সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করছে। তারা পুলিশ আর প্রশাসনকে ব্যবহার করে বিম্পির সব নেতাকেই জেলে ভরে রেখেছে। এমন কি একটা দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে তার সব নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে।
২০০৪ সালে হুমায়ুন আজাদকে কোপানো হল ফেব্রুয়ারি মাসে। চারিদিকে ধ্বনি উঠল জঙ্গীবাদের উত্থান হয়েছে। আজকে সেই ফেব্রুয়ারি মাসেই একজনকে হত্যা করা হল। তাহলে কেন সুধী সমাজ বলতে পারছে না জঙ্গীবাদের উত্থান হয়েছে? এখন তারা তোতলায় কেন? না কি তাদের ঐ ইয়েটা মানে ঈমানদন্ডটা ঝুলে গেছে, আর খাড়া হচ্ছে না?
মানুষ সব দেখছে। মানুষ ভাবছে এক চোর আরেক চোরের দলের সাথে যা করছে, তা ঠকই আছে। তারা এও জানে, এক চোরের দল মালসহ আউট হলে অন্য চোরের দল আগের চেয়েও বেশী বেশী মাল কামাই করবে। এমন কি আগের চোরের দলকে তুলোধূনা করা ছাড়বে। তাই জনতা আজ নিশ্চুপ।
আমাদের জন্য আমাদের নেতারাই যথেষ্ট। আমাদের ধ্বংস এদের হাতেই হবে। তবে তরুনরা এগিয়ে এলে, দেশের জন্য কোণ ডাক দিলে কেন এই দেশের শুভ শক্তির জয় হবে না, তাই ভাবি মাঝে মাঝে। জনগণের শক্তির কাছে সব কিছুই অপরাজেয়। নির্বিকার জনগণের মুক্তি কি তাহলে মিলবে না?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




