আমাদের দেশে এক শ্রেনীর দুষ্কৃতিকারী চক্র ভূয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে । আর এর বেশীরভাগ শিকার হয় গরীব ও অসহায় এসএসসি এবং এইচএসসি পাশ ছেলে মেয়েরা । এই হঠকারীতামূলক ভূয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ভিতর থেকে সঠীক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি খুঁজে বের করা অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার । ফলে চাকরি প্রত্যাশী সকলে পড়ে চরম বিপাকে । অনেকে সঠীক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ও আবেদন করতে ভয় পায় । এই ভূয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিকারীরা তাদের কবলে ধরা পড়া অসহায় ছেলেমেয়েদের লোভ দিয়ে হাতিয়ে নেয় হাজার হাজার টাকা । এদের করাল গ্রাসে কারো কারো জীবন ধ্বংসে পরিনত হয় । অনেক ছেলে মেয়ে সর্বস্ব হারিয়ে বিপথগামী হয়ে পরে । কিন্তু কেনো এই হঠকারীতা? সরকার ও এদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যাবস্থা গ্রহন করছেনা । প্রশাসন ও একেবারেই নির্বাক । পত্রিকাগুলো ও অহরহ ছেপে যাচ্ছে এই ভূয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি । আমাদের সমাজ ও নির্বাক,কেউ এর বিরুদ্ধে কথা বলছে না । অথচ সাধারন মানুষ প্রতারিত হচ্ছে । য়ারা প্রতারিত হচ্ছে তারা ও একেবারেই নির্বাক । কিন্তু কেনো এই নির্বাকতা? এই ভূয়া নিযোগ বিজ্ঞপ্তিকারীরা কেনো এত শক্তিশালী? এদের সঙ্গে কাদের শক্তিশালী হাত রয়েছে,যে এদের বিরূদ্ধে কোনো প্রকার আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে না? এরা কাদের ছত্রছায়ায় এমন অপকর্ম করছে? কালো আইনের ছত্রছাযায় না অন্য কোনো আসমানী শক্তির ছত্রছায়ায়? আমার বন্ধু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সাব্বির ২০১২ সালে এমন এক প্রতারক চক্রের হাতে পরে ওর সর্বস্ব হারিয়েছে । ভাগ্য ভালো জীবনটা নিয়ে ফিরে আসতে পেরেছে । বেশিরভাগ বায়িং হাউজ,ইনসুরেন্স ও প্রাইভেট স্বাস্থ ক্ষেত্রে এধরনের ভূয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বেশি দিয়ে থাকে । সকল চাকরি প্রত্যাশীদের এই ধরনের ভূয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে দুরে থাকার আহবান জানাচ্ছি । এদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির উপরে আবার লেখা থাকে এগূলো নাকি সরকার কর্তক অনুমোদিত । এখন মানুষ এদের ভন্ডাম্তি বুঝতে পারায় এরা তাদের ভূয়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে পরিবর্তন এনেছে । আগে মোবাইল করে তাদের অফিসে লোক নেওয়া হত,আরেএখন চিঠির মাধ্যমে আবেদনের ব্যাবস্থা করছে । যাতে সাধারন মানুষ বুঝতে না পারে যে এটি ভূয়া । আমি ধিক্কার জানাই এদের এবং এদের গডফাদারদের । এদের পালনকর্তা পর্দার মাঝে লুকায়িত শয়তানদের আমি চরমভাবে ধিক্কার জানাচ্ছি । সরকারের উচিৎ শ্রম ও কমর্সংস্থান মন্ত্রনালয় ও তথ্য মন্ত্রনালয়কে সুসংগঠিত করে সঠীক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ব্যাবস্থা করা । আর অতিসত্বর এইসব জানোয়ারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা উচিৎ । পর্দার অন্তরালে লুকায়িত জানোয়ারদের বিরুদ্ধে ও আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা উচিৎ । সরকার এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করলে দেশ থেকে অনেকাংশে দূর্নিতী হ্রাস পাবে বলে আমি আশাবাদী । এবং চাকরি প্রার্থীরা ও হঠকারীতা থেকে মুক্ত পাবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস ।
আলোচিত ব্লগ
রবীন্দ্রনাথের নামে কত শত অভিযোগ

*রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা চুরি করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন! বাস্তবতা হলো, রবীন্দ্রনাথ যখন নোবেল পান, নজরুল তখন লেখালেখেই শুরুই করেননি। তাঁর বয়স সবে ১৪ ছিল।
প্রাপ্ত বয়সে নজরুল... ...বাকিটুকু পড়ুন
এ আগুন আপনাদেরও একদিন গ্রাস করবে।

আজ যারা ধর্ম, জাতীয়তা ইত্যাদির ভিত্তিতে ও তাঁর কথিত “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধিতা”, “মুসলিম বিদ্বেষী” সহ নানা মিথ্যা অভিযোগ আর অজুহাতে রবীন্দ্রনাথ বিদ্বেষের ব্যাপারে চূড়ান্ত বাড়াবাড়ি ও ইতরামি দেখিয়ে বেড়াচ্ছে তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন
পাটায় - পুটায় ঘষাঘষি, মাঝখানে মরিচদের জীবন শেষ?
আওয়ামী তথা ভারতীয়দের নমস্য রবী বাবুর চিত্রে কালিমা লেপন।
দুই দিন পরে, আওয়ামী বিরোধীদের 'রবী' ইউনুস সাহেবকে গালাগালি!!!
এ যেন পাটাপুটায় ঘষাঘষি করে অভাগা মরিচদের জীবন শেষ করার চেষ্টা?
কিন্তু, রবী বাবু কিংবা... ...বাকিটুকু পড়ুন
রাসূল (সা.), আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অনুচিত কাজের সমালোচনা ও সমর্থন করা যাবে না

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান... ...বাকিটুকু পড়ুন
রঠার মুসলিম বিদ্বেষ

রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর সংক্ষেপে রঠা এর ছোট গল্প "রীতিমত নভেল" এ রঠা মুসলমান শব্দের সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করেছেন ‘যবন’। যবন অর্থ অসভ্য, ম্লেচ্ছ, অপবিত্র, বর্বর জাতি, যেকোনো বিদেশি ইত্যাদি ইত্যাদি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।