১.
আমার পরিচিত এক ভদ্রলোক অজ্ঞান পার্টির ব্যাপারে সব সময় সচেতন। তাঁকে কখনো অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়তে হতে পারে এটা কেউ ভাবতে পারে নি। ঢাকা থেকে উত্তরবংগে যাওয়ার পথে তাঁর ভীষণ কাশি হয়। আমার ধারণা কেউ কোন রকম ধুলোর গুঁড়ো বা গ্যাস তাঁর নাকে দিয়েছিল। কাশির এক পর্যায়ে তাঁকে এক ভদ্রলোক নিজের ব্যাগ খুলে ‘চ্যবণপ্রাশ’ খেতে দেন। এক চামচ ‘চ্যবণপ্রাশ’ খেয়ে তিনি চিৎ।
২.
আমার পরিচিত এক ভদ্রলোক আর তাঁর শালা ঢাকা থেকে যশোর যাচ্ছিলেন। পথে সুট-টাই পরিহিত এক লোকের সাথে তাঁদের পরিচয় হয়। আলাপ আলোচনার এক ফাঁকে উনি তাঁদের বিস্কুট খেতে দেন। দুলাভাই বেমক্কা বিস্কুট খেয়ে ফেললেও শালাবাবু অজ্ঞান পার্টির বিষয়ে সচেতন। তখন ঐ সুটেড-বুটেড লোকটি কোকের এক লিটারের বোতল শালাবাবুর নিজের হাত দিয়েই খোলান। কোক খেয়ে শালাবাবুর চোখ বন্ধ। গায়ের দামী জামাটা পর্যন্ত খুলে নিয়ে গেছে।
৩.
গতকাল দেখলাম আমার এক ফেসবুক ফ্রেণ্ড সবাইকে সাবধান করছে। দিন কয়েক আগের এক ঘটনা। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে দাড়ি-টুপিওয়ালা এক হুজুর ইফতার করছিলেন। তিনি যেই ঠোঙ্গা থেকে খেজুর খাচ্ছিলেন সেই ঠোঙ্গা থেকে খেজুর খেতে বলেন। হুজুর মানুষকে কে সন্দেহ করবে? খেজুর মুখে দিয়ে আমার বন্ধু আত্মহারা হলেন। এখন মোবাইলহারা হওয়ায় তিনি সবার মোবাইল নাম্বার চেয়ে ফেসবুকে মেসেজ দিচ্ছেন।
৪.
উদাহরণ আরো দেয়া যায়। আমাদের এইসব উদাহরণ যত শেয়ার করব তত বেশি সচেতন হতে পারব। রুমালের গন্ধ থেকে শুরু করে ডাবের ভেতর ঘুমের ওষুধ সব ব্যাপারেই আমাদের সাবধান থাকতে হবে। ওষুধের ওভার ডোজে এরই মধ্যে কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০১২ সকাল ১১:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



