পর্দা মহিলাদের ভূষণ। পর্দাই মহিলাদেরকে সৌন্দর্য দান করে। তবে এই পর্দা কি হাত, পা, মুখম-ল খোলা রেখে করলে হবে? না, কস্মিনকালেও নয়। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি হযরত উম্মুলমু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম ও হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে এবং মু’মিন উনাদের আহলিয়া এবং কন্যা উনাদেরকে বলে দিন। উনারা যেন উনাদের চাদরের কিয়দাংশ মাথার উপর থেকে বুকের উপর ঝুলিয়ে দেন।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৬)অত্র আয়াত শরীফ উনার দ্বারা মহিলা উনাদের আপাদমস্তক পর্দা করার বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়।অতএব, প্রত্যেক মহিলাকে শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঢেকে রাখতে হবে এবং শরীয়ত উনার মধ্যে যাদের সাথে বিবাহ করা হারাম অর্থাৎ যারা মাহরাম কেবল তাদের সাথেই দেখা-সাক্ষাৎ করতে হবে। তাহলেই মহিলাদের হাক্বীক্বী পর্দা সংরক্ষিত হবে। আর একমাত্র পর্দাই দিতে পারে নারী উনাদের সম্মান। কেননা, পর্দার কারণে মহিলাদের সৌন্দর্য প্রকাশ পায় না। ফলে কেউ উনাদেরকে উত্ত্যক্ত করে না। অর্থাৎ উনাদের ইজ্জত-সম্মান হিফাযত থাকে।মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা আমাদের সকলকে হাক্বীক্বী পর্দা করার তাওফিক দান করুন। (আমীন!)
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



