
আমি ক্রিকেট প্রেমী, ক্রিকেট বুদ্ধা নই, ক্রিকেট এর কিছুই বুঝি না। তবে ভালো লাগে খুব ক্রিকেট খেলা দেখতে। বিশেষ করে বাংলাদেশের খেলা দেখার সময় সুযোগ না পেলে মনে হয় শরীরে কেউ সুঁই দিয়ে কেচাচ্ছে, খুব যন্ত্রণা অনুভব করি নিজের মধ্যে। হারি বা জিতি আমি সবসময় বাংলাদেশের খেলা দেখার চেষ্টা করি। যদি যিতে যায় বাংলাদেশ মনে হয় জিতে গেছি আমি, খুব আনন্দ হয় আমার। হেরে গেলে খুব আফসোস করি, খেলায় কোন ক্রিকেটার ভালো খেললো কোন ক্রিকেটার খারাপ খেললো সেটা বিচার করতে আর মনে মনে গালি দিতে দিতে একসময় ভুলে যাই খেলার প্রসঙ্গটিই। আজ আফগানিস্থান বনাম বাংলাদেশ তৃতীয় টি২০ ম্যাচটি দেখছিলাম। ভালো লাগছিল বাংলাদেশের বলিং পর্বটি। ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের শুরুটা তেমন ভালো না লাগলেও শেষটা ভালো লেগেছে, যদিও জয়টা অধরাই থেকে গেলো আজও। মাহমুদউল্লাহ্ মুশফিকুর রহিম দারুণ আনন্দময় কিছু সময় উপহার দিয়েছে আমাকে, খুব ভালো লাগলো তাদের দুজনের পার্টনারশিপ ব্যাটিং। তিন ম্যাচ টি২০ সিরিজ প্রথম দু ম্যাচেই সিরিজ হাতছাড়া সাকিবের, তৃতীয় ম্যাচটি জিততে জিততে হেরে গেলেও কিছুটা সিরিজ হারার কষ্ট কমিয়ে দিয়েছে আমার।
কে কেমন বিবেচনা করবেন জানিনা, তবে আমার কাছে সাকিবের ক্যাপ্টেনসি একদম মনপছন্দ হয়নি, একেবারেই না। প্রতিটা ম্যাচেই আমার খুব মনে পড়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজা'কে। বাংলাদেশ দলের জন্য মাশরাফির প্রয়োজন আরো কিছুদিন ছিল, আমার কাছে তেমনই মনে হচ্ছে। বিশেষ করে ছোট পরিসরের ম্যাচে তাকে রাখাই যেতো আরো কিছুদিন। মাশরাফি'র অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম খুব গোছানো মনে হয়েছে আমার কাছে। এখন কেমন যেনো অগোছালো মনে হয় বাংলাদেশ টিমকে। মনে হয় কেউ মনোযোগীই হতে পারেনা খেলায়, যাচ্ছেতাই খেলে গেল প্রতিটি ক্রিকেটার। খুব কষ্ট পেলাম তিন শূন্যতে সিরিজ পরাজয়ে।
আমি বিশ্বাস করি আফগানিস্থান ক্রিকেট দল টি২০'তে যেকোন ক্রিকেট দলের বিপক্ষে শক্ত প্রতিপক্ষ, তবে একটি ম্যাচ জিতা খুব একটা কঠিন ছিল না বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের জন্য। মনে হচ্ছে মাশরাফি থাকলে দল যতই বাজে খেলুক, একটা ম্যাচ অন্তত জিততে পারতো।
আমি মনে করছি বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ঠকেনি, ঠকেছে সাকিব আল হাসান।
বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের জন্য শুভকামনা রইল, থাকবে সবসময়
ছবিটি গুগল সার্চ করে নেয়া।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০১৮ রাত ১:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



