somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

২৪. "একুশ মানে মাথানত না করা"

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


না গুগল আজ কোন ডুডল করে নি। ছবিটা আগের, কোন এক একুশের। তবে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হচ্ছে(২০০০সাল থেকে পালিত হয়ে আসছে)। বাংলা বর্তমানে চতুর্থ বৃহৎ মাতৃভাষা(প্রায় ২৮কোটি লোক বাংলায় কথা বলে)। মায়ের ভাষার জন্য প্রাণ দিতে পারাটা কি কম গর্বের?
প্রশ্ন উঠতেই পারে, শহীদ দিবস ৮ই ফাল্গুন না হয়ে ২১শে ফেব্রুয়ারি কেন? এ নিয়ে সামুতে আগে কম তর্ক হয় নি।(দিবসটি আন্তর্জাতিক হওয়ায় আমি ২১তারিখকেই সমর্থন করি)। সে যাই হোক, ইতিহাসের পাতায় সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, সফিউর, আউয়াল, অহিউল্লাহর নাম লেখা রবে স্বর্ণাক্ষরে।

ছোট বেলা ভাবতাম, রাষ্ট্রভাষা উর্দু মানে দেশের সবাইকে উর্দুতে কথা বলতে হবে। মানে সবখানে বাংলার জায়গায় উর্দু("কন হে বে তু?/আপ হে কন" জাতীয়:D)। বড় হয়ে ভুল ভেঙেছে, উর্দুকে জাস্ট প্রশাসনিক/দাপ্তরিক কাজে ব্যবহার করা হত(আমি অবস্য ইংরেজীর পক্ষে ভোট দিতাম)।

এবার আসি একুশের চেতনায়। একুশ মানে মাথানত না করা, ক্ষমতাবানদের চাপিয়ে দেয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করা, নিজেদের আলাদা স্বত্তাকে চিনতে পারা। ভারত থেকে ভাগ হবার পাঁচ বছর পর নেতারা বুঝতে শুরু করলো, আমাদের মিলের(ধর্ম) চেয়ে অমিল(ভাষা, জাতী, সংস্কৃতি...) বেশী। নেতারা ভুল করলে জাতীকে অনেকদিন ভুগতে হয়। হলও তাই: ৪৭-৭১পরাধীন হয়ে থাকলাম, লক্ষপ্রাণ ঝরে গেল(কাশ্মীরীরা তো এখনো ভূগছে)।

চলো স্বপ্ন দেখি, বিজয়ের শপথ রাখিঃ
৭১সালের তলা বিহীন ঝুড়িটা আজ অনেক সমৃদ্ধ। সে এখন বিশ্বে ৪১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। তাঁর ১৬-১৭কোটি সন্তান(৮ম), ৩৩বিলিয়ন রিজার্ভ(দক্ষিন এশিয়ায় ২য়), ২৫.৩৭লক্ষ কোটি টাকার জিডিপি, প্রবৃদ্ধি ৭.৮%(ভালো অবস্থা)।
তারপরও হতাশ হই, দেশে এখনও ২১.৮%লোক দারিদ্র(১১.৩%অতি দারিদ্র), লক্ষ লক্ষ বেকার, দুর্নীতিতে আমরা ১৩তম, গণতন্ত্রে ৮৮তম(১৬৫দেশের মধ্যে)। এর দুটো দিক আছে, পজিটিভ দিকটা হল: ম্যান পাওয়ারকে যদি আমরা ঠিকমত কাজে লাগাতে পারি, দুর্নীতি দুর করতে পারি, সুস্থ রাজনীতির চর্চা করতে পারি, দেশ কিন্তু অনেক দুর আগাবে। কিন্তু সমস্যা একটাই, আমাদের দেশের মহাসড়গুলোতে(উন্নয়নের মহাসড়কটাও ধরুন) কিন্তু দুর্ঘটনা প্রচুর হয়, দু বছর পর পর রিপেয়ার করতে হয়...:(




⚠⚠⚠মন্তব্য সেটিংসঃ পোস্টে মন্তব্য সুবিধা নেই।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:৫০
১২টি মন্তব্য ১২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×