somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মো: নিজাম উদ্দিন মন্ডল
পাঠক ছিলাম, লেখক হলাম। পড়ব বেশী, লিখব কম। পছন্দের বিষয় প্রকৃতি, জীবন ও দর্শন। ভালোলাগে প্রবন্ধ ও সম্পাদকীয়। প্রতীক্ষায় আছি একদল বিচক্ষণ লেখকের। যারা সমাজের সমস্যাগুলো বুঝবে, তা নিয়ে ভাববে ও লিখবে। যে লেখায় মানুষ হবে সচেতন, দেশের হবে উন্নয়ন।।জয় বাংলা।।

বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা ও কিছু পাওয়া, না পাওয়ার গল্প। ("জাস্টিস ডেলেইড ইজ জাস্টিস ডিনাইড"--- কথাটা কি আসলেই সত্যি??)n

২২ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"জাস্টিস ডেলেইড ইজ জাস্টিস ডিনাইড", কথাটি প্রথম শুনি, কেডি পাঠকের "আদালত" অনুষ্ঠানে। ঐ চরিত্রটি(রনিত রায়) আমার এতই ভাললেগেছিল যে, আগের নিকটি ঐ রকম একটা নামে ছিল। যদিও সেটা তিক্ত অভিজ্ঞতা। তাই ঐ কাসুন্দিটা না ঘাঁটাই ভাল।।

বাংলায় প্রবাদটির ("জাস্টিস ডেলেইড ইজ জাস্টিস ডিনাইড") জুতসই প্রতিবাক্য তৈরি হয় নি। তবে আমরা ‘বিলম্বিত বিচার, বিচার অস্বীকারেরই নামন্তর’- এ রকম অনুবাদ করতে পারি। বাক্যটির ব্যাখ্যা করলে এ রকম বলা যায়, "কোনো দল বা পক্ষ যদি তাৎক্ষণিকভাবে তার প্রতিকার না পায়। তাহলে তা তার জন্য কোনো প্রতিকার, প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধ সৃষ্টি করে না। বরং সময়ান্তরে (সময়ক্ষেপণ) প্রতিকার, ইচ্ছা, প্রতিবেদন আলামত এবং পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটায়। প্রতিপক্ষ এ অবস্থাকে নানা কায়দা কৌশল, ঘুষ-দুর্নীতি এবং তদবিরের মাধ্যমে বিষয়টি বিরূপ ব্যাখ্যা করেন। ফলে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, কেসটির কোনো বিচার বা প্রতিকার করা হয় না।"
যা চেইন রিয়্যাকশনের মত অপরাধকে বাড়িয়ে তোলে।।


পরিসংখ্যানটা খুবই হতাশাজনক:(

প্রতিবছর জিংজিং(শ্রদ্ধেয় চাঁদগাজীর ডায়লগ) যেই হারে বাড়ছে; তাতে মনে হয়, এইডসও ঐ হারে ছড়াচ্ছে না। এর কারন যেমন একটা নয়, তেমনি শুধুমাত্র একটা ওষুধে কাজও হবে না। এটা মনে রাখা দরকারঃ
"Injustice anywhere is a threat to justice everywhere." -- -- Martin Luther King.

চলুন ত্যানা না পাকিয়ে, প্রিয় নেতার কিছু কথা শুনিঃ
"---- ---- ---- আর একটি কথা বলতে চাই।
বিচার, বিচার। বাংলাদেশের বিচার, ইংরেজ আমলের বিচার। আল্লার মর্জি, যদি সিভিল কোর্টে কেস পড়ে, সেই মামলা শেষ হতে লাগে ২০ বছর। আমি যদি উকিল হই, আমার জামাইকে উকিল বানিয়ে কেস দিয়ে যাই। ঐ মামলার ফয়সালা আর হয় না। আর যদি ক্রিমিনাল কেস হয়, তিন বছর, চার বছরের আগে শেষ হয়ে না। এই বিচার বিভাগকে নতুন করে গড়তে হবে। থানায় ট্রাইবুনাল করবার চেষ্টা করছি। সেখানে যাতে মানুষ এক বছর, দেড় বছরের মধ্যে বিচার পায়, তার বন্দোবস্ত করছি। আশা করি সেটা হবে।।"

শুধু দেখুন। বলার কিছু নাই। লেখক নিরব।:(

বিচার বিভাগ, দেশের তিন নাম্বর স্তম্ভ। কিন্তু তার ভিতটা এখনো মজবুত হল না। পঁচাত্তরের হেলে পড়া গাছটা, বাঁকা হয়েই বৃদ্ধি পেতে থাকলো। যদিও দেশের বিচার ব্যবস্থার উপর কোন কালেই আমি সন্তুষ্ট ছিলাম না। বিশেষত ৭৫'পরবর্তি ঘটনায় তারা যেই ভাবে ক্ষমতাস্বীনদের লেজুড়বৃত্তি করেছে, তা বিচার বিভাগকে কলঙ্কিত করেছেX(। যেই ধারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে এখনো চলমান।


আধুনিক সময়ে প্রবাদটি এমন হবে, ‘টু ডিলে জাস্টিস ইজ ইন জাস্টিস’।:(:(বিচারপতি তোমার বিচার করবে কে? আচ্ছা? গাছটিকে সোজা করার মত কী কেউ নেই??

"--- --- --- ---
আজ নেই বর্গী, নেই ইংরেজ, নেই পাকিস্তানী হানাদার,
আজো তবু কেন আমার মনে, শূণ্যতা আর হাহাকার?:(
আজো তবু কী লাখো শহীদের রক্ত যাবে বৃথা?
আজো তবু কী ভুলতে বসেছি স্বাধীনতার ইতিকথা?"




এসব পড়তে আর লিখতে গিয়ে মন, মেজাজ দুটোই বিগড়ে আছে। ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতে পারবো না। বিস্তারিত আর লিখলাম না, বুদ্ধিমানরা বুঝে নিন। আমি এখন গান শুনবো।।

বি. দ্রঃ আমাদের গ্রামে এখনো কোন ধর্ষনের ঘটনা ঘটেনি।:)

ছবিঃ নেট+ প্রথম আলো পত্রিকা থেকে তোলা।(এপ্রিল, ২০১৮)
আর লেখাটা, নয়াদিগন্ত,(০২ মার্চ ২০১৮, ১৮:২৫) ড. আবদুল লতিফ মাসুম স্যারের (অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়) কলাম থেকে আংশিক কপি করা।।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:৫২
১৭টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

লিখেছেন মেহবুবা, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৮


প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩




যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।

সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কেমনের দিনে

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫



মাঝেমধ্যেই মনের ক্যানভাসটা কেমন যেন বিবর্ণ হয়ে যায়। পৃথিবীর সমস্ত রং হারিয়ে যায় অচেনা পথের বাঁকে। কোনো সংকেত ছাড়াই একরাশ এলোমেলো বিষণ্ণতা এসে জেঁকে বসে মনের কার্নিশে। চারপাশের চেনা জগৎটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি, যার অর্থ খারাপ বা অন্যায়কারীকে শাস্তি দেওয়া এবং ভালো বা সৎ মানুষকে রক্ষা করা। এটি মূলত সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কারো নামে মিথ্যা অপবাদ কাম্য নয় তবে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩৯


ঘটনাটি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের এবং তার সঙ্গে থাকা এক সাংবাদিক বন্ধুকে ঘিরে। পরিবাগ ওভারব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ট্রান্সজেন্ডার বা হিজড়া জনগোষ্ঠীর কয়েকজনের সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×