অন্তত এখনকার বিশ্বায়নের যুগে কথাটা শুনতে অনেকটা বেকুবের মতো শুনালেও বাস্তবিক অর্থে এটাই তৃতীয় বিশ্বের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিকভাবে জর্জরিত দেশ গুলির জন্য সর্বোত্তম বিকল্প উপায়। উন্নত আর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ দেশ গুলির গনতন্ত্র অনুসরণ করতে গিয়ে অনুন্নত, উন্নয়নশীল দেশ গুলি গনতন্ত্রের জগাখিচুড়ী বানিয়ে ফেলছে! কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না মাঝখান দিয়ে সবসময় রাজনৈতিক অস্থিরতা লেগে থাকে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধ দেশের নাগরিকরা শিক্ষত ও দূরদর্শী হয় তাই তারা প্রার্থী নির্বাচনে বেশ সতর্ক থাকে। উল্টোদিকে তৃতীয় বিশ্বের নাগরিকরা যেসব চতুর ব্যক্তি মিথ্যা প্রলোভনের দ্বারা তাদেরকে বিভ্রান্ত করতে পারে, সেই নির্বাচনে জয়ী হয়। ফলে অযোগ্য ব্যক্তি নির্বাচিত হয়ে আসে।
একনায়কন্ত্রের কথা শুনলে একটা ভীতিকর পরিস্থিতি চোখের সামনে ভেসে উঠে। আসলে শক্তিশালী একনায়কন্ত্রের দ্বারা অনুন্নত কিংবা গরিব অনেক দেশ উন্নত দেশের কাতারে এসেছে তার নজির কিন্তু কম নয়। অত্যাধিক নির্বাচনী ব্যয় একটি দেশের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়! আর এই ব্যয় সত্যিকার অর্থে রোধ করা তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলোর জন্য সম্ভব নয়।
একনায়কতন্ত্র শাসন ব্যবস্থায় নির্বাচনী ব্যয় অনুপস্থিত। একজন একা ব্যক্তি কতই বা আর দুর্নীতি করবে? গনতন্ত্রে তো দলবল নিয়ে দুর্নীতি করে এতে দেশ উন্নতি করার সম্ভাবনা ক্ষীণ!
একনায়কতন্ত্র শাসন ব্যবস্থায় একনায়ক দ্রুত যেকোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। তাকে কারো কাছে জবাবদিহি করতে হয়না এবং আলোচনাও করতে হয়না বলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া ও কাজ করা তার পক্ষে সম্ভব হয়। একনায়ক তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে অনুন্নত দেশকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতি ও অগ্রগতির পথে নিয়ে যেতে পারে। তার নেতৃত্বে শিল্প, সাহিত্য ও বিজ্ঞানের উন্নতি সাধন করতে পারে। একনায়কের অধীনে সারা দেশ একইভাবে পরিচালিত হয় বলে জাতীয় ঐক্য ও সংহতি দৃঢ় হয়।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একনায়কন্ত্রকে ভালোভাবে গ্রহন করে না এটা সাম্রাজ্যবাদীদের স্বার্থেই তবে শেষকথা হলো একটি শক্তিশালী একনায়কন্ত্রের শাসকই পারে একটি অনুন্নত, উন্নয়নশীল দেশকে এগিয়ে নিতে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক আর সামাজিক মুক্তি দিতে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




