somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

মুষ্ঠিযুদ্ধের জীবন্ত কিংবদন্তি, সর্বকালের সেরা মুষ্ঠিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর ৭৪তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা

১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


তিন বারের ওয়ার্ল্ড হেভিওয়েট চ্যাপিয়ন এবং অলিম্পিক লাইট-হেভিওয়েট স্বর্ণপদক বিজয়ী বিখ্যাত মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী। তিনি ৬১ টি বক্সিং প্রতিযোগিতার মধ্যে ৫৬ টিতে জয়ী হন এবং মাত্র ০৫ টিতে পরাজিত হন। ১৯৯৩ সালে আমেরিকার ৮০০ জীবিত অথবা মৃত অ্যাটলেটের মধ্যে বেইব রুথের সাথে তাকে যুগ্মভাবে সেরা ঘোষণা করা হয়। যাদের তিনি পরাজিত করেন তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন-লিয়ন স্পিংস্, জো ফ্রেজিয়ার, জর্জ ফোরম্যান, লিয়ন স্পিংস্, কেন নরটন, হেনরী কুপার, সনি লিসটন। যাদের কাছে হেরেছেন তারা হলেন, ট্রেভর বারবিক, ল্যারি হোমস, লিয়ন স্পিংস্, কেন নরটন ও জো ফ্রেজিয়ার। বর্ণিল কর্মজীবনে মোহাম্মদ আলী ছিলেন আপোসহীন একজন মানুষ। অন্যায়, অবিচারের কাছে কখনই মাথা নত করেননি। জীবনের শুরু থেকেই ছিলেন বর্ণবাদ বিরোধী। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে উপেক্ষিত হওয়ার পর বলেছিলেন ‘আমাকে যদি মুষ্টিযুদ্ধ অথবা ইসলামের মধ্যে কোন একটিকে বেছে নিতে হয় আমি ইসলামকেই বেছে নিব।’ ১৯৯৯ সালে সালে বিবিসি এবং স্পোর্টস ইলাট্রেটেড তাকে স্পোর্টসম্যান অব দ্যা সেঞ্চুরী অর্থাৎ শতাব্দীর সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ঘোষণা করে। এক শ্বেতাঙ্গ রেস্টুরেন্টে কালো বলে তিনি সার্ভিস পাননি। ১৯৬৪ সালে তিনি আমেরিকার মুসলিম সংগঠন নেশন অব ইসলামে যোগদান করেন। ১৯৬৭ সালে ভিন্ন ধর্মীয় বিশ্বাস ও ভিয়েতনাম যুদ্ধের বিরোধিতার কারণে গ্রেফতার হন এবং তার বক্সিং খেতাব কেড়ে নেয়া হয় এবং তার বক্সিং লাইসেন্সও স্থগিত করা হয়। এই ক্ষোভে তিনি তার অলিম্পিক স্বর্ণপদক ওহাইও নদীতে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলেন। পরে ১৯৯৬ সালের আটলান্টা অলিম্পিকে সেই স্বর্ণপদক ফিরিয়ে দেয়া হয়। ১৯৭৫ সালে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ১৯৭৯ অবসরে যাবার পর বিভিন্ন মানবতাবাদী কর্মকান্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্তি, সবার জন্য শিক্ষা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সমঝোতা উন্নয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে তার আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। আজ কিংবদন্তি মুষিটযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর ৭৪তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৪২ সালের আজকের দিনে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন। বিশ্ব হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা ।


মোহাম্মদ আলী ১৯৪২ সালের ১৭ জানুয়ারি কেন্টাকি রাজ্যের লুইসভিলে জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম নাম ক্যাসিয়াস ক্লে। ক্লে ছিল তার ক্রীতদাস পূর্ব পুরুষদের খেতাব। পরবর্তীতে ক্যাসিয়াস ক্লে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়ে বিশ্ব দরবারে মোহাম্মদ আলী নামে পরিচিত হন। ক্লের বাবার নাম ক্যাসিয়াস মার্সেলাস ক্লে সিনিয়র ও মাতার নাম ওডিসা গ্রেডি ক্লে। বাবা বিলবোর্ড ও সাইনবোর্ড লিখতেন, মা ছিলেন গৃহিণী। একটি মজার ঘটনার মধ্য দিয়ে তার মুষ্টিযুদ্ধ জগতে আগমন। ১৯৫৪ সালের একদিন মোহাম্মদ আলীর সাইকেল চুরি হয়ে যায় তখন সে লুইসভিলের পুলিশ অফিসারকে (জো ই মার্টিন) জানায় সে চোরকে পেটাতে চায়। অফিসার তাকে বলে যে এর জন্য তাকে লড়াই করতে জানতে হবে। পরদিন তিনি মার্টিন এর কাছ থেকে বক্সিং শেখা শুরু করেন। তিনি তাকে শিখিয়েছিলেন কিভাবে প্রজাপতির মত নেচে নেচে মৌমাছির মত হুল ফোটাতে হয়। তিনি বক্সিং মাস্টার ফ্রেড স্টোনার ও চাক বোডাক এর কাছেও প্রশিক্ষণ লাভ করেন। ১৯৬০ সালে রোমে অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীণ অলিম্পিকে লাইট হেভিওয়েটে স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৬৪ সালে লিখন ও বানান দুর্বলতার কারণে তিনি মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীতে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হন। কিন্তু পরের বছর তার পরীক্ষা নেয়া হয়, তিনি এ ওয়ান শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন। সেই সময় আমেরিকা ভিয়েতনামে যুদ্ধ করছিল। ভিয়েতনামে যুদ্ধের জন্য তাকে মনোনয়ন দেয়া হলে তিনি যুদ্ধে যেতে অস্বীকৃতি জানান এই বলে যে, "যুদ্ধ পবিত্র কোরান শিক্ষার বিরোধী। আমরা আল্লাহ ও তার রাসুলের অনুমতি ছাড়া যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারি না। কোন খৃস্টানের কিংবা অবিশ্বাসীদের যুদ্ধে শরিক হওয়া আমাদের উচিত হবে না।" তিনি আরও বলেন, "তাদের (ভিয়েতনামীদের) সাথে আমার কোন বিবাদ নেই। তারা (ভিয়েতনামীরা) আমাকে কালো বলে গাল দেয় নি। অন্যত্র তিনি বলেন," তারা (মার্কিনিরা) কেন আমাকে উর্দি পরিয়ে দশ হাজার মাইল দূরে পাঠিয়ে ভিয়েতনামীদের উপর বোমা আর বুলেট মারতে বলবে যখন লুইসভিলেই (আলীর গ্রাম) সামান্যতম মানবাধিকার অস্বীকার করে নিগ্রোদের সাথে কুকুরের মত আচরণ করা হয়।" ভিয়েতনাম যুদ্ধে যেতে অস্বীকৃতির কারণে তাকে গ্রেফতার ওবিচারের সম্মুখীন হতে হয়। ১৯৬৭ সালের ২০ জুন মাত্র ২১ মিনিটের বিচারে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শাস্তিস্বরূপ তার বক্সিং খেতাব কেড়ে নেয়া হয় এবং তার বক্সিং লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করা হয়। এর কারণে তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত লড়াই করতে পারেননি। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপীল করা হয়। ইতোমধ্যে আলীর সমর্থনে ও যুদ্ধের বিপক্ষে জনমত তীব্রতর হতে শুরু করে। আলী তার সমর্থনে সারাদেশব্যাপী যুদ্ধবিরোধী মনোভাবসম্পন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বক্তৃতাদান অব্যাহত রাখেন। পরে আদালত রায় পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হন।


ব্যক্তিগত জীবনে মোহাম্মদ আলী ৪ বার বিয়ে করেন। তার ৭ মেয়ে ও ২ ছেলে। এর মধ্যে লায়লা আলী জগদ্বিখ্যাত নারী মুষ্টিযোদ্ধা। ক্যারিয়ারের কারণে মোহাম্মদ আলী বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করার সুযোগ পান। ৭টি মহাদেশেই রয়েছে তার পদচারণা। ১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে লিওন স্পিঙ্কসের সঙ্গের বিখ্যাত ম্যাচে হারের পর হেভিওয়েট শিরোপা হাতছাড়া হয়ে যায় মোহম্মদ আলীর। এরপরই ছুটি কাটাতে আসেন বাংলাদেশে। স্ত্রী ভেরোনিকাকে নিয়ে ৭ দিনের সফরে বাংলাদেশে এসে অভিভূত হয়েছিেলেন মোহাম্মদ আলী। সাত দিনের সফরে তিনি সুন্দরবন, রাঙ্গামাটি, সিলেট ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করেন। বাংলাদেশ সরকার তাকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব দিয়ে কক্সবাজারে তার জন্য একটি জমি বরাদ্দ করা হয়। বাংলাদেশের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি বলেছিলেন ‘যাই হোক আমেরিকা আমাকে বের করে দিলেও আমার আরেকটি বাড়ি আছে।’ আমেরিকায় ফিরে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেছিলেন ‘স্বর্গে যেতে চাইলে আগে বাংলাদেশ যাও।’ মোহাম্মদ আলী শুধু দু’হাত দিয়ে মুষ্টিযুদ্ধই করেননি। তিনি অবিচল, আপোষহীন এক সংগ্রামী পুরুষ ছিলেন। সনি লিস্টন আর ফ্রাজিয়াররাই তার প্রতিপক্ষ ছিল না; অন্যায়, সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন, বর্ণবাদ, জাতিগত ভেদাভেদের বিরুদ্ধেও তিনি ছিলেন সোচ্চার। তার এই দৃঢ়তাই বলে দেয় তার মুষ্টি যেমন প্রতিপক্ষের চেহারা আর শরীরকে এবড়ো থেবড়ো করে দিয়েছে ঠিক তেমনি আজ পৃথিবীর মানুষ যদি তাদের মুষ্টিকে ঐক্যবদ্ধ করে তাহলে দুমড়ে-মুচড়ে যাবে অন্যায়-অবিচার, রক্তপাত, বর্ণবাদ, দারিদ্র্য, আর প্রতিষ্ঠিত হবে মানবজাতির কাক্সিক্ষত শান্তি। অবসরের পরে তিনি তার জীবনকে মানবতার কল্যাণে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।


৭৪বছর বয়সী অসুস্থ মোহম্মদ আলী বর্তমানে একজন আন্তর্জাতিক কূটনীতিক হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পারকিনসন রোগে আক্রান্ত এই জীবন্ত কিংবদন্তি। আজ ৭৫ বছরে পা দেবেন তিনবারের এই হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন। মাঝে সমস্যা দিয়েছে মূত্রনালীতে ইনফেকশন। ১৯৮৪ সালে আলীর পারকিসন্স রোগ ধরা পড়ে। আশা করছি সুস্থ অবস্থায়ই পরিবারের সঙ্গে জন্মদিনের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেবেন সর্বকালের সেরা মুষ্ঠিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী। বিশ্বখ্যাত মুষ্টিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১১:৪৪
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাষ্ট্রের ভুলের মূল্য কি তবে শিশুদের জীবন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৪


যেকোনো দেশে শিক্ষিত নাগরিককে রাষ্ট্রের সম্পদ মনে করা হয়। তাদের জ্ঞান, বুদ্ধি আর অভিজ্ঞতা দিয়ে রাষ্ট্র উপকৃত হবে, এটাই স্বাভাবিক প্রত্যাশা। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক সময় চিত্রটা যেন উল্টো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের সুদিন ফিরিয়ে আনতে ব্লগ টিমের প্রতি বিনীত আবেদন

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:০৬


শ্রদ্ধেয় ব্লগ টিমের প্রতি বিনীত নিবেদন,
ব্লগের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কিছু কথা দীর্ঘদিন ধরেই মনে জমে আছে। কথাগুলো কোনো অভিযোগ হিসেবে নয়, বরং একজন সাধারণ ব্লগার ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে কোন 'জঙ্গী' নেই

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৫:২৫

'জং' শব্দটার অর্থ 'যুদ্ধ'। এভাবে, জঙ্গী কথাটার অর্থ দাঁড়ায় - যোদ্ধা বা যুদ্ধ করেন। যে কোন যুদ্ধই প্রাণহানি ডেকে আনে। আগের কালে, রাজারা যুদ্ধ করে দেশ জয় করতেন। তাঁদের অণ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই প্রথম খাল বাবার পলিটিক্যাল ম্যাচুরিটির নিদর্শন পেলাম

লিখেছেন অপলক , ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪

২০১০ সালে ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখ। মেয়েলি ব্যাপার বলি, প্রতিহিংসার ব্যপার বলি অথবা পলিটিক্যাল ইমম্যাচুরিটির কথা বলি, বাংলাদেশ জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের নতুন করে আকীকা দিয়ে নাম রাখা হয়েছিল হযরত শাহজালাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮


মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×