
অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। ⇨A little learning is a dangerous thing.
বাংলার এক শিক্ষক ক্লাসে পড়াচ্ছেন কবিতার ভাবার্থঃ
কপোল ভিজিয়া গেলো নয়নের জেলে
এক ছাত্র প্রশ্ন করলো স্যার কপোল মানে কি?
শিক্ষকঃ সব গাধা, এরা কপোল মানেও জানেনা ! ছ্যা !
গাধা কপোল হলো কপাল !!
ছাত্রের প্রশ্নঃ স্যার তাহলে নয়নের জলে কপাল ভিজিল কেমনে?
শিক্ষক পড়লেন ভ্যবচ্যাকায়! কপোলের অর্থ তিনিও জানেননা!
কিন্তু ছাত্রের কাছেতো তা প্রকাশ করা যাবেনা। তিনি ছাত্রকে ধমক দিয়ে
বললেন পরের লাইন শুনবিতো আগে !
পা দুখানি বাধা ছিলো তমালেল ডালে
ছাত্রটি কবিতার মানে বুঝলো, হয় ধমকের জন্য
নয়তো মূর্খতার জন্য।
যেমন এক ডিজিটাল ছাত্র পিছনের বেঞ্চে বসে সেলফোনে
আঙ্গুলের স্পর্শ বুলিয়ে যাচ্ছে। এটি নজরে আসলো এক ডিজিটাল
শিক্ষকের। তিনি ছাত্রটিকে দাঁড় করিয়ে প্রশ্ন করলেন, তুমি বুঝেছ?
ছাত্রটির নির্বিকার জবাব, হ্যাঁ স্যার বুঝেছি!!
ডিজিটাল যুগের ছাত্রদের সায়েস্তা করতে ডিজিটাল শিক্ষক বললেন,
তুমি যে বুঝনাই, তা যে আামি বুঝেছি তাও তুমি বোঝ নাই!!
আমার অদ্যকার ছবির ফিরোজ পাটোয়ারী শহীদ দিবস কি তা যে বোঝেনাই
সেই কথাযে পাবলিক বুঝে ফেলেছে, তাও তিনি বুঝেন নাই। লজ্জা শুধু
ফিরোজ পাটোয়ারীর নয়, লজ্জা আমাদের, লজ্জা বাঙ্গালী জাতির যে জাতি
বাংলা ভাষায় কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


