somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

বাংলা চলচ্চিত্রের প্রাণপুরুষ হীরালাল সেনের ১০১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জনক হিসেবে যিনি ইতিহাসখ্যাত হয়ে আছেন তিনি হীরালাল সেন। তাঁকে বাংলা চলচ্চিত্রের জনক বলা হয়ে থাকে। চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রয়াসে তিনি ১৮৯৬ সালে কলকাতার ক্লাসিক থিয়েটারে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে সিনেমা জগতে যুক্ত হন এবং ১৯০০ সালের মধ্যেই ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। পরবর্তী সময়ে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, নাটক, বিজ্ঞাপন চিত্র প্রভৃতি তৈরির মধ্য দিয়ে বাঙালি হিসেবে বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হন। ১৯০০ সালে হীরালাল সেন তার ভাই মতিলাল সেনকে নিয়ে গড়ে তোলেছিলেন 'রয়েল বায়োস্কোপ কোম্পানি'। সে বছর বিলেত থেকে একজন মুভি ক্যামেরাম্যান কলকাতায় এলে তাঁর কাছে রপ্ত করেন মুভি ক্যামেরা চালানোর কলাকৌশল। এরপর শুরু হয় হাতেকলমে কাজ। সেকালের খ্যাতিমান নাট্যকার, প্রযোজক ও অভিনেতা অমর দত্তের সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণায় জনপ্রিয় বেশ কিছু বাংলা নাটকের বিশেষ বিশেষ দৃশ্য ধারণ করে ১৯০১ সালে কলকাতার ক্লাসিক থিয়েটারে তা চলচ্চিত্রের মতো প্রদর্শন করেন। সম্ভবতঃ ভারতের প্রথম রাজনীতিক ছবিও তিনিই বানিয়েছিলেন। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের ঐতিহাসিক সভার দৃশ্য ধারণ করেও তা প্রদর্শন করেছিলেন হীরালাল। স্বদেশী যুগে তাঁর এসব ছবি গণমানুষের ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছিল। রয়্যাল বায়োস্কোপ কোম্পানি থেকে তাঁর বেশ কিছু নাটক ও বিজ্ঞাপন চিত্র নির্মিত হয়। এভাবেই বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পে নিবেদিতপ্রাণ ও চলচ্চিত্রপ্রেমী হীরালাল সেন অগ্রদূতের ভূমিকা পালন করেন। বম্বে থেকে ১৯১২ সালে প্রকাশিত বিভিন্ন পত্র পত্রিকার মতে বিভিন্ন জায়গায় তিনি প্রায় ৪০টি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। ১৯১৭ সালে এক অগ্নিকাণ্ডে তাঁর তৈরি সকল চলচ্চিত্র নষ্ট হয়ে যায়। উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের প্রথম পুরোহিত হীরালাল সেনের ১০১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দের আজকের দিনে হীরালাল সেন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কলকাতায় মারা যান। অখন্ড ভারতের চলচ্চিত্র ইতিহাসের পথিকৃৎ হীরালাল সেনের মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।


১৮৬৮ সালের ২ আগস্ট মানিকগঞ্জ জেলার বগজুরি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন হীরালাল সেন। তাঁর পিতার নাম চন্দ্রমোহন সেন, মাতা বিধুমুখী। বগজুরি গ্রামের বিখ্যাত জমিদার গোকুলকৃষ্ণ সেন দার দাদা। গোকুলকৃষ্ণ সেন ছিলেন ঢাকার জজ আদালতের নামকরা আইনজীবী। বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও লোকগাঁথা সংগ্রাহক ডক্টর দীনেশচনদ্র সেন ছিলেন হীরালাল সেনের পিসতুতো ভাই ও সহপাঠী। পিতা মাতার আট সন্তানের মধ্যে হীরালাল ছিলেন দ্বিতীয়। মানিকগঞ্জ মাইনর স্কুলে তাঁর শিক্ষা জীবন শুরু হয়। একই সাথে মৌলভী সাহেবের কাছে ফারসী ভাষাও শিখতেন। ১৮৭৯ সালে মাইনর পরীক্ষা পাস করে ঢাকার কলেজিয়েট স্কুলে ভর্ত্তি হন। ঢাকায় হীরালালের লেখাপড়ার সময়টা ছিল আলোকচিত্রের বিকাশ, বায়েস্কোপ ও উদ্ভাবনের যুগ। ঢাকায় তখন কিছু কিছু আলোকচিত্র তোলা হচ্ছে। ঢাকায় ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে প্রথম আলোলোকচিত্র তোলা হয়, ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় ফটো বাঁধাইয়ের দোকান চালু হয়। কলকাতায় তখন স্থাপিত হয় ফটোগ্রাফিক স্টুডিও বহু বিদেশী, দেশী রাজা, নবাব, মহারাজা, ধনী, শিক্ষিত এবং শৌখিন লোক ফটোগ্রাফির প্রতি আকৃষ্ট হন। তাঁরা ক্যামেরা জোগাড় করতেও সক্ষম হন। ঢাকায় আলোকচিত্র বা ফটোগ্রাফির চর্চার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ছিলেন নবাব খাজা আব্দুল গণি, নবাব খাজা আহসান উল্লাহ, রঘুনাথ দাস, গৌরচন্দ্র বসাক এবং অন্যান্য। হীরালাল নানা সূত্র থেকে ক্যামেরা বিষয়ে লেখাপড়া করেন।পরে পিতার সাথে হীরালাল কোলকাতা গিয়ে কলেজে ভর্ত্তি হন। আই.এস.সি. অধ্যয়ন কালে চলচ্চিত্রের প্রতি ভীষণভাবে আকৃষ্ট হয়ে পড়েন এবং প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ায় যবনিকাপাত ঘটে। ১৮৮৬ সালে তিনি যখন আই এস সির ছাত্র তখনি স্টার থিয়েটারে প্রথম সিনেমা দেখেন এবং মাথায় ফিল্ম ঢুকে যায়। তখন থেকেই তিনি এব্যাপারে তৎপর হয়ে ওঠেন। সে সময়েই সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের ফাদার লাঁফো প্রোজেক্টর মেশিন এনে বিদেশী সিনেমা দেখাতে শুরু করে দিয়েছেন। ফাদার লাঁফোর কাছ থেকে প্রোজেক্টর মেশিনের খুঁটিনাটি জেনে নিয়ে ছবি প্রদর্শনীর ব্যবসার কথা ভাবেন হীরালাল এবং মতিলাল। ১৮৯৮ সাল নাগাদ ফ্রান্সের লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয়ের মতো চলচ্চিত্র প্রদর্শনী শুরু করেন হীরালাল ভাতৃদ্বয়। ১৯০০ সালে বিদেশ থেকে যন্ত্রপাতি আমদানি করেন এবং ভাই মতিলালকে নিয়ে গড়ে তোলেন Royal Bioscope Company.


১৮৯৮ সালে হীরালাল সেনের তোলা স্থিরচিত্র ভারতীয় শিল্প ও কৃষি প্রদর্শনীতে স্বর্ণপদক পায়। সেই সঙ্গে শুরু হয় হীরালাল সেনের জয়যাত্রাও। ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায়ও বায়েস্কোপ প্রদর্শিত হয় সদর ঘাটের ক্রাউন থিয়েটারে। রয়েল বায়েস্কোপ কোম্পানি পরে বাংলাদেশে আরো অনেক এলাকায় বায়োস্কোপ দেখায়। এর মধ্যে রয়েছে হীরালাল সেনের জন্মস্থান বগজুরি, জয়দেবপুর রাজপ্রাসাদ ও ঢাকার নবাববাড়ি। হীরালাল শুধু বায়েস্কোপ দেখিয়ে ক্ষান্ত হননি। তিনি বায়েস্কোপ নির্মাণের কথাও ভাবেন। ১৯০১ খ্রিস্টাব্দে হীরালাল বায়েস্কোপ বানিয়েছিলেন। তাঁর তোলা চিত্রায়িত নাট্য-দৃশ্য ১৯০১ খ্রিস্টাব্দের ৯ ফেব্রুয়ারি প্রদর্শিত হয়। তার প্রদর্শিত নাট্য-দৃশ্যের মধ্যে ছিল ‘ভ্রমর’, ‘আলীবা’, ‘হরিরাজ’, ‘দোল লীলা’ ‘বুদ্ধ’, সীতারাম’। হীরালালের ক্লাসিক থিয়েটারে মঞ্চস্থ হওয়া নাটকগুলো থেকে দৃশ্য শুট করে নাটকের বিরতিতে দেখাতেন। তিনি অমর দত্ত, গিরীশ ঘোষ, অমৃতলাল বসুর মঞ্চস্থ নাটক গুলো ধারণ করতেন। তিনি ১৯০৩ সালে 'অলীবাবা ও চল্লিশ চোর' নামে একটি বড় দৈর্ঘ্যের ছবি বানান। যদিও ছবিটি কখনো প্রদর্শিত হয়নি। কলকাতার টাউন হলে দেশনেতা সুরেন্দ্র ব্যানর্জীর নেতৃত্বে ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের দৃশ্য তোলেন হীরালাল সেন। সম্ভবত সেটিই ছিলো রাজনৈতিক কোনো ঘটনা চলচ্চিত্রে ধরে রাখার প্রথম ভারতীয় প্রয়াস। আরেকটি ব্যাপারেও হীরালাল ভারতে প্রথম ছিলেন সেটি হলো বিজ্ঞাপন চিত্র নির্মাণ। তিনি জবা কুসুম তেল ও এডওয়ার্ডস টনিকের বিজ্ঞাপন চিত্র তৈরি করেছিলেন। চলচ্চিত্রশিল্পের ইতিহাস সৃষ্টিকারী হীরালাল সেনের শেষ জীবন সুখের হয়নি। ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি ভাই মতিলালের সঙ্গে মতদ্বৈততার কারণে রয়েল বায়োস্কোপ ছেড়ে যোগ দেন লণ্ডন বায়োস্কোপ কোম্পানিতে। সেখানে তিনি কাজ করেন একজন সাধারণ কর্মচারী হিসেবে। কিন্তু সেখানেও টেকেনি বেশিদিন। রামদত্ত নামে অপর এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে মিলে তিনি তৈরি করেন সিনেমা হল। কিন্তু এখানে তিনি চরম প্রতারণার শিকার হন। এলফিনস্টোন বায়োস্কোপ কোম্পানীর জামশেদজি ফ্রেমজি ম্যাডান তাঁর থেকে অনেক বেশি সাফল্য অর্জন করেন। এসব ঘটনায় তাঁর মন ভেঙ্গে যায়। তিনি প্রবল আর্থিক সঙ্কটে পড়েন। শেষ পর্যন্ত তিনি তাঁর একমাত্র সম্বল দুটি ক্যামেরা আংটি মলিলক (পান্না বাবু) এর কাছে বন্ধক রেখে টাকা ধার নেন।


(হীরালাল সেনের স্ত্রী হেমাঙ্গিনী দেবী)
ব্যক্তিগত জীবনে হীরালাল সেনের বিয়ে হয় হেমাঙ্গিনী দেবীর সাথে। হীরালাল সেনের পুত্র-কন্যাদের মধ্যে যাদের নাম জানা যায়, তারা হলেন সুরবালা দেবী, প্রফুলল বালা দেবী, প্রতিভা দেবী (তথি) ও বৈদ্যনাথ সেন। এই সন্তানদের মধ্যে কেউ চলচ্চিত্রের সঙ্গে জড়িত হননি। ১৯১৭ সালের ২৪ অক্টোবর এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হীরালালের যাবতীয় ফ্লিম ও ফটোগ্রাফ তথা ভারতীয় ইতিহাসের চলচ্চিত্র ইতিহারের প্রমাণ্য নথি পুড়ে যায়। এই ঘটনার চার দিন পরে ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দের ২৯ অক্টোবর হীরালাল সেন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কলকাতায় মারা যান। বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করে নিজে রিক্ত অবস্থায় মারা গেলেও ভবিষ্যৎ বংশধরদের জন্য রেখে গেছেন তাঁর শেষ সম্বল দুটো ক্যামেরা। চিত্রশিল্পের অগ্রগতির পথযাত্রার মিছিলে হীরালাল সেনের অবদান হীরার দ্যুতি সমরণীয় হয়ে থাকবে। চলচ্চিত্র নিয়ে হীরালাল সেনের চিন্তা ছিল সে-যুগের একটি নতুন উদ্ভাবনী ও উচ্চতর শৌখিন আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। হীরালাল সেন স্বীকৃতি না পেলেও ভারতবর্ষের প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে বলা হয় তার নাম। তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র অধিদপ্তর প্রবর্তন করে ‘হীরালাল সেন স্মৃতিপদক’। আজ কিংবদন্তি এই চিত্র নির্মাতার ১০১তম মৃত্যুবার্ষিকী। উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জনক হীরালাল সেনের মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৩
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ন্যায়ের আন্দোলন হোক নিয়মতান্ত্রিক ভাবে....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৩৭

শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে আন্দোলনরত গুটিকয়েক শিক্ষার্থীদের সাথে ভুয়া আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে অরাজকতা প্রিয় অ ছাত্রদের বিরাট একটা অংশ অশ্লীল ভাষায় অশোভন উক্তি করে চলছে। একশ্রেণীর মেয়েরা এহেন অশ্লীল নোংরামির হোতা-... ...বাকিটুকু পড়ুন

গভীর ক্রন্দন

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৫৮


মেম্বার বাড়ি আর সরকার বাড়ির শত্রুতা দীর্ঘদিনের। জমিজমা লইয়া আজ এমন একখানি ঘটনা ঘটিয়া যাইবে, কেহ বোধহয় কল্পনাও করিতে পারেন নাই।

সকাল আটটায় কাঠের ব্যাপারী খসরু আসিয়া হাজির। দলিল লেখক আবু... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাজারের আগুন নিভবে পে-স্কেলে, প্রবৃদ্ধি ছুঁয়ে যাবে দশ শতাংশ ...

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৮


কেরামত মওলা সাহেবকে চেনেন না এমন মানুষ সচিবালয়ে কমই আছেন। তিনি মন্ত্রিপরিষদের একজন সিনিয়র সচিব। আজ নতুন পে স্কেল নিয়ে গঠিত সচিবদের কমিটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর এবং গুরুত্বপূর্ণ মানুষটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামাবাদে জুলাই শহীদদের স্মরণে অনুষ্ঠান

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৭ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:৪৩



পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বক্তারা দাবি করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের একক অর্জন নয়; এটি ছিল ছাত্র-জনতার সম্মিলিত আন্দোলনের ফল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপা আর ফিরে আসবে না......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৭ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৪১

যুগে যুগে গণ-আন্দোলন ও তীব্র জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হওয়া বিভিন্ন দেশের স্বৈরশাসকদের তালিকাঃ

(১) মোহাম্মদ রেজা পাহলভিঃ (ইরান - ১৯৭৯)১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লবের সময় লাখ লাখ মানুষের প্রবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×