somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

মানবতাবাদের অমর কবি আল্লামা মুহাম্মদ ইকবালের ১৪২তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বিংশ শতাব্দীর মুসলিম জাগরণের অন্যতম নকীব, মানবতাবাদী অমর কবি আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল। ইকবাল ছিলেন একাধারে কবি, সাহিত্যিক, ইতিহাসবিদ, দার্শনিক, রাজনীতিবিদ এবং ইসলামি চিন্তাবিদ। ইকবাল তাঁর ধর্মীয় ও ইসলামের রাজনৈতিক দর্শনের জন্যও বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন। তাঁর একটি বিখ্যাত চিন্তা দর্শন হচ্ছে ভারতের মুসলমানদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন। এই চিন্তাই বর্তমান পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছে। ১৯০৮ থেকে ১৯৩৮ সালের মধ্যে কবি ও দার্শনিক হিসেবে ইকবালের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। তার ক্ষুরধার লেখনী ও জাদুমন্ত্রবত্ বর্ণনায় ইসলামি শিক্ষা সংস্কৃতি, ইতিহাস ঐতিহ্য যেভাবে প্রতিভাত হয়ে উঠে তা সত্যিকার অর্থেই একজন সচেতন পাঠককে রীতিমতো পুলকিত ও চমকিত করে। তার ফার্সী ও উর্দু কবিতা আধুনিক যুগের ফার্সী ও উর্দু সাহিত্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফার্সি সৃজনশীলতার জন্য ইরানে তিনি ইকবাল-ই-লাহোরী নামে পরিচিত। ইকবাল তার ধর্মীয় ও ইসলামের রাজনৈতিক দর্শনের জন্যও বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন। তাঁর একটি বিখ্যাত চিন্তা দর্শন হচ্ছে ভারতের মুসলমানদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন। এই চিন্তাই তৎকালীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছিলো। মানবতাবাদী কবি আল্লামা ইকবাল ১৮৭৭ সালের আজকের দিনে পা্ঞ্জাব প্রদেশের শিয়ালকোটে জন্মগ্রহণ করেন। আজ তার ১৪২তম জন্মবার্ষিকী। মুসলিম মিল্লাতের অমর কবি আল্লামা মুহাম্মদ ইকবালের জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা। তাঁর কবিতাগুলি মুসলিম মিল্লাতের জন্য সবসময় প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।


(আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল এর পিতা শেখ নূর মুহাম্মদ)
মুসলিম রেনেসার কবি আল্লামা ইকবাল ১৮৭৭ সালের ৯ নভেম্বর বিভাগপূর্ব ভারতবর্ষের পাঞ্জাবের শিয়ালকোটে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর প্রকৃত নাম মুহাম্মদ ইকবাল। তবে তিনি আল্লামা ইকবাল হিসেবেই অধিক পরিচিত। আল্লামা শব্দের অর্থ হচ্ছে শিক্ষাবিদ। তার পিতা শেখ নুর মুহাম্মদ ছিলেন একজন সুফিভাব ও চিন্তাধারাসম্পন্ন পরহেজগার ব্যক্তি। তার মা ইমাম বিবিও ছিলেন অত্যন্ত ধার্মিক মহিলা। ইকবালের পূর্ব পুরুষ ছিলো কাশ্মীরের অধিবাসী এবং সুপ্রাচীন এক কাশ্মীরী ব্রাহ্মণ পরিবারের বংশধর। এই বংশের পারিবারিক উপাধি ছিল সপরূ। মাত্র তিন পুরুষ আগে অষ্টাদশ শতকে সপরূ পরিবারের এক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি জনৈক মুসলিম সাধকের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ইকবাল ছিলেন অসাধারণ মেধা শক্তির অধিকারী। প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে কলেজ পর্যন্ত প্রত্যেক শ্রেণীতে প্রথম স্থান লাভ করার গৌরব অর্জন করেন তিনি। মায়ের তত্বাবধানে লেখাপড়া শুরু করে প্রথমে স্থানিয় মক্তবে ভাষা ও কুরআন শরিফ শিক্ষা লাভ করেন। পরে স্কচমিশন স্কুল এ ভর্তি হন।এখান থেকেই তিনি ম্যাট্রিক ও আইএ পরিক্ষায় উত্তির্ন হয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য লাহোরের সরকারী কলেজে ভর্তি হন। এখান থেকে বিএ এবং ১৮৯৯ সালে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে এম,এ পাশ করেন। ১৯০৫ সালে ইউরোপ যান ইকবাল। তিনি ইংল্যন্ড এর কেম্ব্রিজ এবং জার্মানির হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়াশুনা ও গবেষনা করেন। পরবর্তিতে ১৯০৭ সালে মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। জার্মানি হতে পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে তিনি আবার বিলাতে আসেন। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বার এট্-ল পাস করেন। এ সময়ে কিছুকাল তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি ফার্সির অধ্যাপক হিসাবে কাজ করেন। ১৯০৮ সালে ইকবাল এক সম্পুর্ন নতুন কাব্য ও দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে। দেশে ফিরে কিছুকাল তিনি আইন ব্যবসায়ে মন দিয়ে ছিলেন। কিন্তু আইন ব্যবসা তার ভাল লাগল না। তিনি কবিতা লেখায় মন দিলেন। তিনি যেমন বিরাট পণ্ডিত ছিলেন তেমনিই পৃথিবীর একজন বিখ্যাত কবিও ছিলেন। তার কবিতার ভাবধারা বড় উঁচুস্তরের। প্রথম দিকে তিনি যে সমস্ত রচনায় হাত দেন তার ভিতরে তার না-ই-হিন্দ বিখ্যাত কবিতা। ইকবালের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থসমূহের মধ্যে বাং-ইদারা বাল-ই-জিব্রিল এ তালিম, শিকোয়াহ ও জবাব-ই-শিকোয়াহ উল্লেখযোগ্য।


আল্লামা ইকবাল শুধু মাত্র কবি ছিলেন না, তিনি ছিলন একজন ভবিষ্যৎ দ্রষ্টাও। তাঁর একটি বিখ্যাত চিন্তা দর্শন ছিলো ভারতের মুসলমানদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন। তার এই চিন্তাই পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছিলো। ইকবাল ছিলেন ছিলেন একজন খাঁটি মুসলমান। কাজে ও চিন্তা, সাধনায় ও লক্ষ্যে ইসলামের মূলনীতির উপর ইকবালের ছিল প্রগাঢ় বিশ্বাস, মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা আরাধনা, জীবন-মরণ সবই সর্বশক্তিমানের নিকট সমর্পিত। শরিয়ত, তরিকত ও মারেফতের ক্রিয়াকলাপের সাহায্যে মানুষ কামিল ইনসান বা পরিপূর্ণ মানুষ পর্যায়ে উন্নীত হতে পারে, এ ছিল তার ধর্মীয় বিশ্বাস এবং এ সবের মূল উৎস কোরআনের দিকে ফিরে যাওয়ার জন্য তার ইঙ্গিত সুস্পষ্ট। খিলাফত প্রতিষ্ঠার কাজে আল্লাহই তাদের সাহায্য করবেন। সময় ক্ষেত্রে তাদের বিজয় সুনিশ্চিত। তিনি মুসলমানদের ইসলামি আদর্শের রূপায়ণে উৎসাহিত করে বলেন, ইসলাম একমাত্র আল্লাহর ধর্ম। কোরআনের শিক্ষা ব্যতীত জাতির মুক্তি নেই। তার দ্বীনদারি ও ইসলামপ্রিয়তা তাদের ইসলামের পথযাত্রী বানিয়ে দেয়। তার নবীপ্রেম তাদের মধ্যে ইসলামি জীবনব্যবস্থার প্রতি অদম্য প্রেরণা সৃষ্টি করে। আল্লামা ইকবাল মিল্লাতে মুসলিমের অমূল্য সম্পদ ছিলেন। তিনি উপমহাদেশের মুসলমানদের তার কবিতার জাদুর কাঠি দিয়ে জাগ্রত করেন, তার চিন্তাধারা তাদের সিরাতে মুস্তাকিম প্রদর্শন করে। শেষ জিবনের অসুস্থ শয্যায় শুয়ে তিনি বুঝতে পারেন শ্রিঘ্রই জাতিয়তাবাদের নামে বিশ্বব্যাপি এক রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষ দেখাদেবে। তার "ইবলিশ কি মজলিশ ই শুরা" কাব্যে দ্বিতিয় মহাযুদ্ধের ইংগিত দেন তিনি। ১৯৩৫ সালে তার "বাল-ই-জিব্রিল" গ্রন্থে তিনি সাম্যবাদি ও মানবতা বাদি সেই বিপ্লবি কবিতাটি প্রকাশ করেন। কবি যাকে বলেছেন এটা হলো ফিরিশতাদের জন্য আল্লাহর আদেশ জাতে মানুষ পৃথিবীতে ন্যায়বিচার ও সাম্য প্রতিষ্ঠা করতে পারে।
ব্যক্তিগত জীবনে ১৮৯৩ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে পারিবারিক প্রথা অনুযায়ী ইকবাল গুজরাটের সিভিল সার্জন খান বাহাদুর আতা মুহাম্মদের কন্যা করিম বিবি কে বিয়ে করেন। এই স্ত্রীর গর্ভে তাঁর কন্যা মেরাজ বিবি ও পুত্র আফতাব ইকবালের জন্ম হয়। এ স্ত্রীর সাথে তার মনোমালিন্য হলে তারা আলাদা বাস করতে থাকেন। প্রথম স্ত্রীর সাথে বিচ্ছিন্নতার পর এক কাশ্মিরী পরিবারের সরদার বেগম নামীয় মহিলার সাথে তাঁর দ্বিতীয় বিবাহ হয়। এই স্ত্রীকে তিনি বিবাহের চার বছর পর ঘরে তোলেন এবং তার গর্ভেই ১৯২৪ সালে জাবিদ ইকবালের জন্ম হয়। ইকবালের তৃতীয় বিবাহ ১৯১২ সালে লুধিয়ানানিবাসী মোখতার বিবি’র সাথে। সন্তান প্রসবকালে তার মৃত্যু হয়। শেষ জীবনে ইকবাল অসুস্থ হয়ে পড়েলে প্রথম স্ত্রী করিম বিবির ধারস্থ হন এবং মৃত্যু পর্যন্ত এই স্ত্রীই তাঁকে সঙ্গ দেন। মিল্লাতে মুসলিমের অমূল্য সম্পদ, আধুনিক যুগের ফার্সি ও উর্দু সাহিত্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আল্লামা ইকবাল ১৯৩৮ সালেল ২১ এপ্রিল পরলোকগমন করেন। কিন্তু তার আগেই পুথিবীর সকল মুসলিমকে শুনিয়ে যান নতুন করে জেগে উঠার বানি। আজ আল্লামা মুহাম্মদ ইকবালের ১৪২তম জন্মবার্ষিকী। মুসলিম রেনেসার অমর কবি আল্লামা ইকবালের জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা।


পাদটিকাঃ এই মহান বিপ্লবী দার্শনিক কবিকে অনেকে জেনে বা না জেনে অযথাই পাকিস্তানি কবি কিংবা বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী বলে অভিযুক্ত করেন। যদিও ইকবালের ইন্তেকাল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা এমন কি পাকিস্তান প্রস্তাবের ও আগে ১৯৩৮ সালে। ইকবাল পাকিস্তানের কবি এই অদ্ভুত (প্রধানত তথাকথিত বামপন্থিদের চেষ্টায়) আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে স্বাধীনতার পর আমাদের দেশ থেকে ইকবালের নাম মুছে ফেলার এক প্রবনতা সৃষ্টি হয়েছিল। অথচ ১৯৭২-৭৩ সালে ভারতের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়এ ইকবালের নামে চেয়ার প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। আসলে বামপন্থিরা ইকবালকে ঢেকে রাখতে চান কারন তার আদর্শ ছিল ইসলাম। ১৯০৮ সাল থেকে ১৯৩৮ সালে তার মৃত্য পর্যন্ত ইকবাল বিশ্ব মানবতার জন্য ইসলামকেই একমাত্র সঠিক আদর্শ হিসেবে চিন্তা ও প্রচার করে গেছেন। নতুন যে মানবতার বানী তিনি পৃথিবীর সামনে তুলে ধরলেন তা কোন স্থান,কাল,পাত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সে মানবতা সর্বকালের প্রকৃত সত্যের প্রকাশ। যে কবি একদিন লিখে ছিলেন "সারে জাঁহা সে আচ্ছা হিন্দুস্তাঁ হামারা" আজ তিনি বললেন "সব দেবতার সেরা সে দেবতা যাহারে কহিছ স্বদেশ ফের, বসন তাহার বনেছে কাফন আবরি বদন ইসলামের"। মানবতাই ইসলামের মৌল আদর্শ। আর সেই জন্যই ইসলাম ছিল তার কাব্য ও জিবনের আদর্শ ও দর্শন। তিনি শুধু নিজ জাতি তথা মুসলমানের কল্যাণ নিয়েই ভাবেন নি। গোটা মানব জাতির মুক্তি ছিল তার অন্তরের আকুতি। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)'র আদর্শ তথা ইসলাম যে গোটা মানব জাতির জন্য মুক্তির একমাত্র পথ সেটা তুলে ধরতে গিয়েই তিনি ইসলামী আদর্শের শ্রেষ্ঠত্ব ও মহিমা তুলে ধরেছেন। খোদাপ্রেম থেকে উদ্ভুত গভীর আধ্যাত্মিক জ্ঞান, ন্যায়বিচার, ঈমান, ঐক্য ও মানব-প্রেমই যে মুসলমানের বড় পরিচয় সে কথা বার বার স্মরণ করিয়ে দিতে ভুলেন যে কবি তিনি কি করে পাকিস্তানি কবি কিংবা বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী বলে অভিযুক্ত হতে পারেন !!! স্যার মোহাম্মদ ইকবাল ভারত ও পাকিস্তানে যেমন সমাদৃত ও জনপ্রিয়; বাংলাদেশেও তিনি সম্মানের অধিকারী। ইরানেও তার পরিচিতি আছে। সব দেশেই তিনি স্মরণীয় ও বরণীয়।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৩৯
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাসাগরের ধারের সেই ছোট্ট দ্বীপ সামোয়া এবং বিশ্বকাপ ফুটবল

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩২

বিশ্বকাপের এই মৌসুমে ফুটবল নিয়ে একটা দারুণ হার্ট লিফটিং মুভি দেখে ফেললাম - "Next Goal Wins"
গল্পটা আমেরিকান সামোয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে নিয়ে। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩১-০ গোলে হেরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা-গান-খেলাধুলা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১৭

আইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা ভয়ংকর

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!

শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×