
প্রথাবিরোধী ধর্মদর্শনের প্রাচীন ধারাবাহিকতার বাংলাদেশী রূপকার হলেন আরজ আলি মাতুব্বর। সক্রেটিস বলেছিলেন, 'An unquestioned life is not worth living.' মানবসভ্যতার অগ্রগতির মূলে কাজ করেছে প্রশ্ন। প্রশ্নের বৈজ্ঞানিক উত্তরের দীর্ঘ ইতিহাস মোটেও কুসুমাস্তীর্ণ নয়। অগণিত প্রতিভাবানকে এ জন্য কঠোর সাধনা ও ত্যাগ করতে হয়েছে, কেউ কেউ জীবন দান করেছেন। প্রায় শতবর্ষ আগে ঢাকা শহরের বুকে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্র 'শিখা' পত্রিকার শীর্ষভাগে লেখা থাকত, 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।' কথাটির তাৎপর্য এ যুগে আরও প্রাসঙ্গিক। বুদ্ধির মুক্তির জন্য প্রশ্ন উত্থাপন এবং এর যৌক্তিক সমাধানের কোনো বিকল্প নেই। এদিক থেকে আমাদের সমাজে আপাত উত্তরণের কোনো সম্ভাবনা দৃশ্যমান নয়। কেন এটি সম্ভব হলো না, এর উত্তর লুকিয়ে আছে আরজ আলী মাতুব্বরের জীবনদর্শনে। তিনি মনে করতেন পশু যেমন সামান্য জ্ঞান নিয়েই সন্তুষ্ট থাকে ধর্মবাদী ব্যক্তিগণও তেমনি সামান্য জ্ঞান নিয়েই জীবন কাটিয়ে দেয়। নিজের প্রান্তিক জীবনের সাধারণ কয়েকটি ঘটনাতেই তিনি বুঝে নিয়েছেন তার ও তার সমাজের আচরিত ধর্মের স্বরূপ। ক্রমাগত গ্রন্থ পাঠে বুঝে নিয়েছেন এর কারণাবলী। এই অন্ধকারাচ্ছন্নতার বিরুদ্ধে তার অবস্থান ছিল সুস্পষ্ট। তাই তিনি অনবরত প্রশ্নবাণে দগ্ধ করেছেন তথাকথিত সমাজপিতা ও তাদের আচরিত-প্রচারিত ধর্ম ও দর্শনকে। স্ব-শিক্ষিত দার্শনিক, চিন্তাবিদ এবং বিজ্ঞানমনস্ক লেখক আরজ আলী মাতুব্বরের লেখায় জগত ও জীবন সম্পর্কে নানামুখী জিজ্ঞাসা উঠে এসেছে যা থেকে তার প্রজ্ঞা, মুক্তচিন্তা ও মুক্তবুদ্ধির পরিচয় পাওয়া যায়। তবে শহুরে মধ্যবিত্ত কিংবা গ্রামীণ ক্ষমতাবান কারও কাছেই আরজ আলী মাতুব্বর গ্রহণযোগ্যতা পাননি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ঘাটতি সত্ত্বেও সাহসীকতার সাথে তিনি কতিপয় বই লেখেন। বিশ্ব ও জীবন সম্পর্কে তাঁর দার্শনিক লেখা বিতর্কিত হয়ে পড়ে এবং তিনি ইসলাম-বিরোধী কর্মী হিসেবে সমালোচিত হন। তাঁর বইগুলো প্রকাশে অনেক বাধা পেরোতে হয়েছিলো কারণ তাঁর বইগুলো সর্বদাই সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধের হুমকিতে থাকত, কারণ তাঁর লেখনী রাষ্ট্রের সংখ্যাগুরু লোকদের মতের বিরুদ্ধাচারিত নির্দিষ্ট দাবিকৃত ধর্মীয় মত বা ভাবাদর্শ ধারণ করত। মাতুব্বরকে তাঁর বই - “সত্যের সন্ধানে”র (Sotyer Shondhaney") জন্য বন্দী করা হয় এবং পুলিশ হাজতে নেয়া হয়। দার্শনিক, চিন্তাবিদ ও লেখক আরজ আলি মাতুব্বরের ১১৯তম জন্ম দিন আজ। ১৯০০ সালের আজকের দিনে তিনি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। প্রবাসে প্রথমবারের মতো এবার দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বরের জন্মদিন পালন করা হবে নিউইয়র্কে। ১৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তাঁর ১১৯তম জন্মোৎসব পালন করা হবে জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজা মিলনায়তনে। জন্মোৎসবে আরজ আলী মাতুব্বরের জীবন ও কর্ম নিয়ে এক মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন প্রফেসর মতলুব আলী, লেখক আহমাদ মাযহার এবং কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট জাকির হোসেন বাচ্চু। এটি আয়োজন করেছে জন্মোৎসব উদযাপন পরিষদ, নিউইয়র্ক। তার জন্মোৎসব উদযাপন অনুষ্ঠাটি হবে সবার অংশগ্রহণমূলক। প্রথমে তিনজন বক্তা আরজ আলী মাতুব্বরের জীবন দর্শন ও সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা বলবেন। তারপর সবাই প্রশ্ন করে বা যে কারো প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। দার্শনিক, চিন্তাবিদ ও প্রথাবিরোধী লেখক আরজ আলী মাতুব্বরের জন্মবার্ষিকীতে আমাদের গভীর শ্রদ্ধা ও ফুলেল শুভেচ্ছা।

ধর্মান্ধ সমাজে কালজয়ী এক মানবঃ আরোজ আলী মাতুব্বর ১৯০০ ইংরেজী সালের ১৭ই ডিসেম্বর মোতাবেক বাংলা ১৩০৭ সালের ৩রা পৌষ বরিশাল শহর থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে চরবাড়িয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত লামছড়ি গ্রামে এক গরীব কৃষক পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। স্ব-শিক্ষিত, দার্শনিক এই লেখকের প্রকৃত নাম ছিলো “আরজ আলী”। আঞ্চলিক ভূস্বামী হওয়ার সুবাধে তিনি “মাতুব্বর” নাম ধারণ করেন। তাঁর পিতার নাম এন্তাজ আলী মাতুব্বর। ১২বছর বয়সে তিনি তাঁর বাবাকে হারান। এর পরে দুই একরের (৮১০০ মিটার২) বসতবাড়িটি নিলামে উঠে। জমিজমাহীন বালক আরজ আলী স্থানীয় সুদখোরদের কাছে তখন তাঁদের পরিবারটি দেনার দায়ে পূর্বপুরুষের ভিটামাটি হারিয়ে সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় পড়ে যায়। অন্যের দয়া দাক্ষিণ্যে বহু কষ্টে খেত খামারে কাজ করার কারণে আর দরিদ্র আরজ আলী আর স্কুলে পড়ার সুযোগ পান নি। আরজ আলী নিজ গ্রামের মুন্সি আবদুল করিমের মসজিদ দ্বারা পরিচালিত মক্তবে সীতানাথ বসাকের কাছে 'আদর্শলিপি' পড়তেন। দরিদ্রতার কারণে নিয়মানুবর্তিতার অভাবে তাঁকে মক্তব ছাড়তে হয়। এরপর তিনি কৃষিকাজে নিয়োজিত হন। পরে এক সহৃদয় ব্যক্তির সহায়তায় তিনি প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করেন। সাথে সাথে তিনি নিজের ঐকান্তিক চেষ্টায় লেখাপড়া শিখতে থাকেন। নিজের জ্ঞানের পিপাসা মেটাতে তিনি বরিশাল লাইব্রেরীর সমস্ত বাংলা বই একজন মনোযোগী ছাত্রের ন্যায় পড়েন। দর্শন ছিলো তাঁর প্রিয় বিষয়। কিন্তু পাঠাগারে পর্যাপ্ত বই ছিলো না। পরে বিএম মহাবিদ্যালয়ের দর্শনের এক শিক্ষক – কাজী গোলাম কাদির তাঁর জ্ঞানগর্ভ বিচার দেখে মোহিত হন এবং তিনি মহাবিদ্যালয়ের পাঠাগার থেকে বই ধার দেয়ার ব্যবস্থা করে দেন। এভাবেই তাঁর মানসিক আকৃতি গঠিত হয়। তিনি নিজ চেষ্টায় বিজ্ঞান ও দর্শনসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর জ্ঞান অর্জন করেন। জগত ও জীবন সম্পর্কে নানামুখী জিজ্ঞাসা তাঁর লেখায় উঠে এসেছে যা থেকে তাঁর প্রজ্ঞা, মুক্তচিন্তা ও মুক্তবুদ্ধির পরিচয় পাওয়া যায়। আর্থিক সঙ্কটের কারণে, মাতুব্বর কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কোর্স বা ডিগ্রী লাভ করতে পারেন নি। কৃষিকাজের ফাঁকে ফাঁকে তিনি জমি জরিপ বা আমিনের কাজ শিখে নেন। এরপর জমি জরিপের কাজকেই পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন। কৃষি ক্ষেতের জন্য এভাবে কিছু পুঁজি জমা করেন। একসময় মানুষ ও জীবন সম্পর্কে তাঁর মনে প্রশ্ন জাগলে তিনি এ বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে নিজস্ব ধরনের চিন্তাভাবনা শুরু করেন। আরজ আলী মাতুব্বর সাম্যবাদী ঢঙের, অনেক অজ্ঞতা, কুসংস্কার ও ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করেন। তাঁর লেখার জন্য তাঁকে ধর্মীয় ভাবমূর্তির প্রতিমাধ্বংসকারী হিসেবে বিবেচিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, তিনি ইসলামের বংশগতির ধারা সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেন এবং স্বকীয় মত-বৈশিষ্ট্য একমতে আনতে ব্যর্থ হন।

অতি ব্যবহার এবং অপব্যবহারে বাংলা ভাষার বহু শব্দ গুরুত্ব হারিয়েছে। এমন একটি শব্দ দার্শনিক। বাংলাদেশে দর্শনের ছাত্র বা শিক্ষকের অভাব নেই। দর্শনশাস্ত্রের অনুবাদকও রয়েছেন। তাদের মধ্যে খুব অল্পসংখ্যকই মৌলিক চিন্তা করেন। যারা মৌলিক চিন্তা করেন, তাদের অনেকেরই একাডেমিক ডিসিপ্লিন 'দর্শন' ছিল না। অথচ নির্বিচারে সবাইকে দার্শনিক অভিধায় ভূষিত করা হয়। আরজ আলী মাতুব্বর ছিলেন যথার্থই দার্শনিক। তিনি সেই নগণ্যসংখ্যক দার্শনিকের অন্যতম, যিনি মৌলিক চিন্তা করেছেন। শুধু বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে মতান্তর নয়। মাতুব্বর লক্ষ করেছেন, একই ধর্মের মধ্যে বিপরীত মতবাদের উপস্থিতি। হিন্দু ধর্মের বেদ ও উপনিষদের অন্তঃসারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। খ্রিষ্টধর্মে প্রোটেস্ট্যান্ট ও ক্যাথলিকদের মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে। ইসলাম ধর্মের মধ্যে শিয়া, সুন্নি, মুতাজিলা, ওহাবি, খারিজি প্রভৃতি সম্প্রদায়ের মত ভিন্ন। অকপট সত্য উচ্চারণের জন্য মাতুব্বরকে নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তার জীবন নিয়ে হাসনাত আবদুল হাই উপন্যাস লিখেছেন। সেখানে তাকে তুলনা করা হয়েছে গ্যালিলিওর সঙ্গে। তাদের দু'জনেই প্রচলিত রাষ্ট্র ব্যবস্থা দ্বারা নিপীড়িত হয়েছিলেন। ধর্ম, দর্শন, বিজ্ঞান বিষয়ে মাতুব্বরের স্পষ্ট বক্তব্য প্রতিক্রিয়াশীল ক্ষমতাবান গোষ্ঠীকে ক্ষুব্ধ করে তুলেছিল। ফৌজদারি মামলায় তিনি গ্রেফতার হন। তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে পুলিশ সুপার অকারণ উপদেশ বর্ষণ করেন তার প্রতিঃ
'মানুষের প্রচলিত বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠান, সংস্কারে আঘাত দিলে সামাজের স্থিতিশীলতা বজায় থাকে না। সুতরাং তুমি যত ইচ্ছা বই পড়ো, জ্ঞান অর্জন করো, ক্ষতি নেই। কিন্তু সেসব বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা করতে পারবে না। তুমি বইপত্র পড়ে যা জানবে, তা প্রচার করতে পারবে না- এই প্রতিশ্রুতি যদি দাও, তাহলে তোমাকে ছেড়ে দিতে পারি।'লেখনীর কারণে আরজ আলী মাতুব্বর যতবার ধর্মীয় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ততবারই তাঁকে হুমকি ও হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়। বাংলাদেশে, তাঁর লেখা যে সব বইয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ (সেন্সর) করা হয় সেগুলো হলঃ
১। সত্যের সন্ধানে, (The Quest for Truth) (১৯৭৩), ২। সৃষ্টির রহস্য, (The Mystery of Creation) (1১৯৭৭), ৩। অনুমান, (Estimation) (১৯৮৩), ৪। মুক্তমন (Free Mind) (১৯৮৮)
১৩৯২ সালে বাংলা একাডেমী আরজ আলী মাতুব্বরকে আজীবন সদস্য পদ প্রদান এবং বাংলা ১৩৯২ সালের ১লা বৈশাখ নববর্ষ সংবর্ধনা জ্ঞাপন করে। ১৩৮৫ বঙ্গাব্দে হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার লাভ করেন, ১৩৯২ বঙ্গাব্দে উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী কর্তৃক বরণীয় মনীষী হিসেবে সম্মাননা লাভ করেন। এছাড়াও বিজ্ঞানচেতনা পরিষদ প্রতি বছর তার স্মরনে আরজ আলী মাতুব্বর স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করে থাকে। মৃত্যুর পরে তাঁর কিছু অপ্রকাশিত পান্ডুলিপি আরজ আলী মাতুব্বরের রচনাবলী শিরোনামে প্রকাশিত হয়। তাঁর কিছু লেখা ইংরেজীতে ভাষান্তর করা হয় এবং পাঠক সমাবেশ কর্তৃক সেগুলো খন্ডাকারে আবদ্ধ করা হয়। এছাড়া তার আরো কতিপয় প্রকাশিত গ্রন্থ রয়েছে। সেগুলো হচ্ছেঃ ১। ম্যাকগ্লেসান চুলা (১৯৫০), ২। স্মরণিকা (১৯৮২)

ব্যক্তিগত জীবনে আরজ আলী মাতুব্বর ২৯ অগ্রহায়ণ ১৩২৯ সালে লালমন্নেছাকে বিয়ে করেন। বিয়ের সময় কনের বয়স ছিল ২১ বছর। তাদের তিন মেয়ে :এশারন নেছা, ছলেমান নেছা এবং ফয়জন্নেছা; একছেলে: আব্দুল মালেক। পরে তিনি পাশের গ্রামের আব্দুল করিম মৃধার মেয়ে সুফিয়াকে বিয়ে করেন। এই সংসারে তাদের চারটি মেয়ে : হাজেরা খাতুন, মনোয়ারা খাতুন, নূরজাহান বেগম ও বায়াম্মা বেগম; দুই ছেলে : আবদুল খালেক ও আবদুল বারেক। তিনি দশ সন্তানের জনক ছিলেন।
১৯৮৫ সালের ১৫ মার্চ মোতাবেক বাংলা ১৩৯২ সালের ১লা চৈত্র বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরলোকগমন করেন দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৫ বছর। তিনি তার ৮৫ বছরের জীবনকালে ৭০ বছরই লাইব্রেরিতে কাটিয়েছেন পড়াশোনা করে। জ্ঞান বিতরণের জন্য তিনি তার অর্জিত সম্পদ দিয়ে গড়ে তুলেছিলেন ‘আরজ মঞ্জিল পাবলিক লাইব্রেরি’। মানবতার সেবায় মরণোত্তর চক্ষুদান এবং মেডিকেলের ছাত্রদের শিক্ষার উদ্দেশ্যে ব্যবহারের জন্য বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ-এর এনাটমি বিভাগে মরণোত্তর দেহদান করেন আরজ আলি মাতুব্বর। কুসংস্কার ও ধর্মান্ধতার বিপরীতে আরজ আলী মাতুব্বরের জীবনদর্শন ছিল বিজলি তথা যুক্তির কড়া আলোর অনুগামী। একবিংশ শতাব্দীতে বিজ্ঞান-প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতির যুগে যখন ধর্মীয় উগ্রতাও বিস্তার লাভ করেছে, তখন দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বরকে স্মরণ করা আমাদের একান্ত কর্তব্য। দার্শনিক, চিন্তাবিদ ও লেখক আরজ আলি মাতুব্বরের ১১৯তম জন্ম দিন আজ। প্রথাবিরোধী লেখক আরজ আলী মাতুব্বরের জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা।
নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


