somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

পরিবেশ ও জীব বৈচিত্রের জন্য মারাত্বক হুমকি ই-বর্জ্য

২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ই-বর্জ্য হচ্ছে ইলেকট্রনিক বর্জ্য। যেমন- পরিত্যক্ত টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ক্যামেরা, এয়ারকন্ডিশনার, মাইক্রোওভেন, সিএফএল বাল্ক্ব, ওয়াশিং মেশিন, মুঠোফোন, ডিভিডি প্লেয়ার, ইলেকট্রনিক খেলনাসামগ্রী ইত্যাদি। এসব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ব্যবহারের পরে যখন নষ্ট হয়ে যায়, তখনই এটি বর্জ্যে পরিণত হয়, যা ই-বর্জ্য নামে পরিচিত। প্রযুক্তির উৎকর্ষতার সাথে সাথে টিভি, ফ্রিজ, মাইক্রো ওভেন, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, এয়ারকন্ডিশনার, ওয়াশিং মেশিন, ডিভিডি প্লেয়ার, সিএফএল বাল্ব এসব কিছু ব্যবহার হচ্ছে প্রতিদিনকার জীবনে। এগুলো ব্যবহারের কয়েক বছর পর কর্মক্ষমতা শেষ হলে ফেলে দেওয়া হচ্ছে যেখানে সেখানে। অথবা বিভিন্ন অঞ্চলে একদম নিজ উদ্যোগে গড়ে ওঠা কিছু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর দোকানে।তারা এসব সামগ্রী থেকে প্রয়োজনীয় লোহা, প্লাস্টিক রেখে বাকিটা ফেলে দেন। যেগুলো যায় বিভিন্ন আবর্জনা ফেলার স্থান, নদী-নালা ও ডোবায়। ‘ই-বর্জ্যের মধ্যে অনেক বিষাক্ত পদার্থ ও রাসায়নিক যৌগ আছে, যা রোদে এবং তাপে নানাভাবে বিক্রিয়া করে। অনেক সময় রোদে ফেলে দেওয়া ‘ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট’ (আইসি) থেকে নির্গত হয় ক্ষতিকর বিকিরণ। এই ই-বর্জ্য পানিতে ফেলে দিলে ও মাটিতে পুঁতে রেখে দেওয়ার পরও বিষাক্ত থাবা বন্ধ থাকে না। ই-বর্জ্য অটিজম ও মানসিক বিকাশ না হওয়ার অন্যতম কারণ।’ বাংলাদেশে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান গুলো বলছে দেশে প্রতিবছর ১০ মিলিয়ন মেট্রিক টন ইলেকট্রনিক্স ওয়েস্ট বা ই-বর্জ্য তৈরি হচ্ছে। যেগুলো ব্যবস্থাপনার অভাবে পরিবেশ ও মানুষের শরীরে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। তবে এর আশি শতাংশ আসছে দেশের বাইরে থেকে। Environment and Social Development Organization নামে একটি সংস্থার গবেষক ড.শাহরিয়ার হোসেন বলছিলেন চট্টগ্রামের জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প থেকে বছরে ৮০ শতাংশ বর্জ্য উৎপাদন হচ্ছে। বাকি ২০ শতাংশ হচ্ছে বাংলাদেশে। তিনি বলেন "পুরানো জাহাজ যেগুলো ভাঙ্গার জন্য আনা হয় সেগুলোর মধ্যেও সেসব দেশের ইলেকট্রনিক্স পণ্য বা ই-ওয়েস্ট থাকে। এসব বিষাক্ত উপাদান মাটিতে এবং পানিতে যাচ্ছে। চক্রাকারে তা আবার মানুষের শরীরে প্রবেশ করছে"। কিন্তু এসব ইলেকট্রনিক্স পণ্য কি শুধু প্লাস্টিক, লোহা – তামা বা কঠিন ধাতব পদার্থ দিয়েই তৈরি হয়! এগুলো তৈরিতে আরও ব্যবহার করা হয় সিসা, ফাইবার গ্লাস, কার্বন, সিলিকন, পারদ- পণ্যের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও উপাদান। ফলে উন্মুক্ত স্থানে কোন প্রশিক্ষণ ছাড়া এসব সামগ্রী ভাঙ্গা, বেচা-কিনা এবং সবশেষে বিভিন্ন আবর্জনার স্তূপ বা পানিতে এর অবশিষ্টাংশ ফেলাটা পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতিকর হতে পারে সে প্রশ্ন এসে যায়। বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক শাকিল আকতার বলেন দুইভাবে মানুষের শরীরে এটি প্রভাব ফেলে। প্রথমত ত্বকের বিভিন্ন রোগ এবং পরবর্তী পর্যায়ে কিডনি, ফুসফুস ও ব্রেনের মারাত্মক ক্ষতি করে এসব উপাদান। এখন বছরে দেশে যেখানে ১০ মিলিয়ন মেট্রিক টন ইলেকট্রনিক্স বর্জ্য তৈরি হচ্ছে এবং তাতে পরিবেশ ও শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।


১৬ কোটি মানুষের এই দেশে প্রায় ১৩ কোটি মানুষের হাতে মুঠোফোন; অন্যান্য ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও বাড়ছে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে। এগুলোর প্রায় ৩০ শতাংশই প্রতিবছর ই-বর্জ্যে পরিণত হচ্ছে। রাজধানীতে ২০১৬ সালে এক লাখ ৪২ হাজার মেট্রিক টন ই-বর্জ্য বের হয়েছে। এর মধ্যে বড় একটি অংশ মোবাইলের ই-বর্জ্যও রয়েছে। একটি এনজিওর গবেষণা বলছে, দুই বছর আগেও দেশে দৈনিক গড়ে ৫০০ টনের বেশি ই-বর্জ্য তৈরি হতো। বর্তমানে তা আরও বেড়েছে। যা আগামী ২০২১ সালে প্রায় এক হাজার ১৭০ টনে পৌঁছবে।’ বেসরকারি সংস্থা এনভাইরনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন (ইএসডিও) পরিচালিত গবেষণা প্রতিবেদনের হিসাব অনুযায়ী, দেশে বছরে ই-ওয়েস্ট তৈরি হচ্ছে প্রায় তিন মিলিয়ন মেট্রিক টন। ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্যের ব্যবহার প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বাড়ছে এসব পণ্যের বর্জ্যও। বিশেষ করে গত কয়েক বছরে এ বর্জ্যের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ হারে বেড়েছে। উন্নত দেশে কোন ইলেক্ট্রনিক পণ্য সামান্য নষ্ট হলে বাড়ির বাইরে নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলা হয়। দরিদ্র দেশের লোকজন তা সংগ্রহ করে নিজেদের দেশে পাঠায়। এভাবেও উন্নত দেশের লোকজন কৌশলে বর্জ্য পার করে দিচ্ছে। বাংলাদেশে রিসাইক্লিং ব্যবস্থা এখনও গড়ে ওঠেনি। বিলম্বে হলেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতিমালা করা হচ্ছে। ইএসডিওর তথ্যানুযায়ী, ই-ওয়েস্টের ট্র্যাডিশনাল এ ব্যবস্থাপনায় শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষ করে যেসব শিশু রিসাইকেল প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। ই-ওয়েস্ট রিসাইক্লিং প্রক্রিয়ায় প্রায় ৫০ হাজার শিশু জড়িত রয়েছে। তাদের প্রায় ৮৩ শতাংশ শিশু ব্রেইন, কিডনি, ফুসফুস ড্যামেজ, উচ্চ রক্তচাপ, মানসিক বিষণ্নতা, নার্ভ সিস্টেমের দুর্বলতা, শ্রবণশক্তি হ্রাস, পঙ্গুত্বসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। যাদের মধ্যে থেকে বছরে প্রায় ১৫ শতাংশ শিশু মারা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ই-বর্জ্যের বিষয়টি এখন বাংলাদেশের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। এর স্বাস্থ্যঝুঁকিও মারাত্মক। বর্জ্য ঝুঁকি থেকে উত্তরণের পথ দ্রুত খুঁজে বের করতে হবে। দেশের মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে হবে। এ ক্ষেত্রে এখনই ব্যবস্থা না নিলে এর জন্য চড়া মূল্য দিতে হবে।


ই- বর্জ্য পরিবেশে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে ৷ক্রমাগত পরিবেশ দূষণের ফলে পৃথিবীর জীব-বৈচিত্রের অস্তিত্ব আজ হুমকির সম্মুখীন। ই-বর্জ্যের রয়েছে মারাত্মক রেডিয়েশন, যা বিভিন্নভাবে পরিবেশের ওপর প্রভাব ফেলে। সাধারনত উদ্ভিদকূল, জলজ প্রাণী, দ্বীপ অঞ্চলের প্রাণীরা প্লাস্টিক বর্জ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতির ... শুধুমাত্র উদ্ভিদ বা জলজ প্রাণী নয়, মানুষ ই- বর্জ্য দূষণের কারণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ৷বিশেষ করে আমাদের ব্যবহূত ইলেকট্রনিক সামগ্রীতে নানা ধরনের উপাদান থাকে। যেমন- ক্যাডমিয়াম, লিড অক্সাইড, সিসা, কার্বন, সিলিকন, বেরিলিয়াম, ফাইবার গ্লাস, পারদসহ নানা ধাতব উপাদান। ইলেকট্রনিক সামগ্রী নষ্ট হয়ে গেলেও উপাদানগুলো নিঃশেষ হয় না, বর্জ্যের মধ্যেই থেকে যায়। এগুলো পচনশীল নয় বিধায় পরিবেশের যথেষ্ট ক্ষতিসাধন করে। ফলে মাটি, গাছপালা, ফসল ও জীববৈচিত্র্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়ে। যে প্রভাবের কারণে জলবায়ুর পরিবর্তনও ঘটতে থাকে ধীরে ধীরে। আমরা দেখতে পাচ্ছি, পুরোনো ইলেকট্রনিক সামগ্রী যখন ভাঙাড়ির দোকানে স্থান পায়, তখন দোকানির প্রয়োজনে এ বর্জ্যগুলোকে রোদের তাপে শুকিয়ে নেয়। অথবা অনেকে বর্জ্যগুলোকে দোকানে না রেখে রাস্তার পাশে ফেলে রাখে। বিপদ তখনই ঘটতে থাকে। রোদের তাপে 'ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট' যেটি আমাদের কাছে আইসি নামে পরিচিত, তা থেকে মারাত্মক বিকিরণ নির্গত হতে থাকে। শুধু রোদেই নয়, এটি মাটির নিচে চাপা দিলে কিংবা পানিতে ফেলে দিলেও ক্ষতিকর বিকিরণ নির্গত হতে থাকে। শুধু তা-ই নয়, এক চা চামচ পরিমাণ পারদ ২০ একরের একটি জলাশয়ের পানি আজীবনের জন্য ব্যবহারের অনুপযোগী করে ফেলতে পারে। আর যত্রতত্র ফেলে রাখার কারণে ই-বর্জ্যের রেডিয়েশন রিসাইকেলের মাধ্যমে মানবদেহে দ্রুত প্রবেশ করে। পরে মানুষের ত্বক, কিডনি, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্র, যকৃৎ, মায়েদের স্তন ও মস্তিস্কের মারাত্মক ক্ষতি করে। উন্নত বিশ্বে রিসাইক্লিংয়ের ব্যবস্থা থাকলেও লোকজন কৌশলে দরিদ্র দেশে ই-বর্জ্য পাঠিয়ে দিচ্ছেন। তাদের ইলেকট্রনিক পণ্যসামগ্রী একটু নষ্ট হলে কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ হলে সেটি মেরামত না করেই বাড়ির সামনের ডাস্টবিনে ফেলে রাখে। আর সেগুলো দরিদ্র দেশের লোকেরা কুড়িয়ে সামান্য মেরামত করে নিজ দেশে পাঠিয়ে দেন। অনেক সময় মেরামতেরও প্রয়োজন পড়ে না। যারা এমনটি করছেন, ঘুণাক্ষরেও টের পাচ্ছেন না দেশের মানুষের কী ক্ষতিটা করছেন তারা। পরিবেশ বিপর্যয়, জলবায়ুরও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটছে; যা আমরা তাৎক্ষণিকভাবে টের পাচ্ছি না, দেখছি না খালি চোখে, পারছি না সহজেই উপলব্ধি করতে। উল্লেখ্য, বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সমীক্ষায় জানা যায়, দেশে বছরে প্রায় ১০ মিলিয়ন মেট্রিক টন ই-বর্জ্য তৈরি হচ্ছে। তার মধ্যে জাহাজ ভাঙা থেকে ৮০ শতাংশ বর্জ্য উৎপাদন হচ্ছে, বাকি ২০ শতাংশ দেশে উৎপাদন হচ্ছে। এর মধ্যে কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও মুঠোফোন সেট থেকে বেশি ই-বর্জ্য উৎপাদন হচ্ছে। এ বিষয়টি নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে দ্রুত। ই-বর্জ্যের রেডিয়েশন-দূষণ থেকে মুক্তি পেতে হলে খুব দ্রুত রিসাইক্লিং কারখানা গড়ে তুলতে হবে। যে কারখানায় ই-বর্জ্য প্রসেস করে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী যন্ত্রাংশ তৈরি করা যাবে। দেশে ই-বর্জ্য রিসাইক্লিং কারখানা হাতেগোনা কয়টি মাত্র, যা আমাদের ই-বর্জ্যের চেয়ে সংখ্যায় অপ্রতুল। অথচ ই-বর্জ্য রিসাইক্লিং কারখানা হতে পারে একটি সম্ভাবনাময় শিল্পও। শিল্পটির বিস্তার ঘটলে দেশে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি পরিবেশ দূষণমুক্ত হবে যেমন, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট রোধ হবে। রোধ হবে জলবায়ুর পরিবর্তনও। দৃষ্টি আকর্ষণ করছি পরিবেশ অধিদপ্তর 'ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক পণ্য থেকে সৃষ্ট বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা-২০১৮' শিরোনামে পুরোনো বা ব্যবহূত পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য। তাতে করে পরিবেশ বাঁচবে, দেশ বাঁচবে, অদৃশ্য দূষণ থেকে রক্ষা পাবেন দেশের সাধারণ মানুষও।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪৩
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮




রুবার সাথে আমার বিয়েটা ওঠ ছেড়ি তোর বিয়ের মতোই হয়েছে । একদম সাধারন কোনরকম অনুষ্ঠান নাই । সেইদিন অফিসে অনেক কাজ ছিলো । চোখে তারা ফারা দেখছিলাম । বসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রথম .........।

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


আন্ডারগ্রাউন্ড শোতে এটাই আমার প্রথম ড্রামস বাজানোর একটা মুহূর্ত।

কিছু গল্প আসলে পরিকল্পনা করে শুরু হয় না।কিছু গল্প হঠাৎ করে একটা মুহূর্ত থেকে জন্ম নেয় আর তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমুদ্রের নীল খাম

লিখেছেন ডি এইচ তুহিন, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২


এই শহরে থাকি প্রায় সাতাশ-আটাশ বছর ধরে। তিন প্রেমিকার মায়া ছেড়ে যাওয়া যায় না এমন এক অদ্ভুত সুন্দর এই শহর। যার এক হাতে নদী, অন্য হাতে সমুদ্র, আর কপালে জায়গা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী দুঃশাসনের পতন অনিবার্য ছিল, জুলাই তো স্রেফ উছিলা মাত্র!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৮



জুলাই নিয়ে অনেক বিতর্ক, সমালোচনা আছে। কিন্তু, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে জুলাই গণঅভ্যূত্থান না হলে আমরা দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেতাম না। জুলাই ঘিরে যত বিতর্ক, সমালোচনাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুমুখোচিন্তা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:১৬

সব মৃত্যু গণনায় আসে না। রাজনৈতিক সহিংসতার একটি পুরনো নিয়ম আছে। মৃত্যু সমান মৃত্যু নয়। কোনো মৃত্যু পত্রিকার প্রথম পাতায় যায়, কোনো মৃত্যু জয়পুরহাটেই থেকে যায়। এই বাছাইটা দৈবাৎ হয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×