somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাঙালি লোকসঙ্গীত শিল্পী ও লোকসঙ্গীত গবেষক কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্যের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

০৭ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য একজন ভারতীয় বাঙালি লোকসঙ্গীত শিল্পী ও লোকসঙ্গীত গবেষক। তিনি ছিলেন বাংলা লোকগানের জনপ্রিয় দল ‘দোহার’-এর প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর সঙ্গীতের অনুপ্রেরণা ছিলেন তাঁর কাকা অনন্ত ভট্টাচার্য। তিনি আসামের শিলচরে জন্মগ্রহণ করেন। আসাম তথা উত্তর-পূর্ব ভারতের সিলেটি গান‚ বিহু‚ বাউল, কামরূপী‚ ভাওয়াইয়া গান তিনি দেশে-বিদেশে গেয়েছিলেন। শুধু লোকগানই নয়, ক্ল্যাসিক্যাল সঙ্গীতেও ছিল তাঁর অবাধ যাতায়াত। লোকগানকে বাণিজ্যের মোড়কে বাঁধেননি কখনও। তাঁর গানে বরাবরই প্রাধান্য পেয়েছে লোকায়ত বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার। ক্ল্যাসিক্যাল সঙ্গীতেও অসামান্য দখল ছিল তাঁর। দীর্ঘদিন নানা শিল্পীর সঙ্গে হারমোয়িয়ামে সঙ্গত করেছেন। তবলার তালিম নিয়েছেন পণ্ডিত অনিল ভট্টাচার্যর কাছে। গানের সঙ্গে বিভিন্ন যন্ত্রও বাজাতে পারতেন কালিকাপ্রসাদ। মাটির গান গেয়েছেন লোকায়ত যন্ত্র নিয়েই। লোকসঙ্গীতকে নতুন আঙ্গিকে মানুষের সামনে তুলে ধরার পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্যস্ত থেকেছেন অধিকাংশ সময়। বাংলা বিনোদন চ্যানেলের অসম্ভব জনপ্রিয় রিয়ালিটি শোতে প্রতিযোগীদের প্রশিক্ষকের দায়িত্ব নিয়েছেন। তাঁর হাত ধরে সঙ্গীতের আঙিনায় পা রেখেছেন অনেকে। পরম যত্নে তাঁদের মূল স্রোতে আনার কাজ করছিলেন কালিকাপ্রসাদ। কালিকা প্রসাদের আদিবাড়ি আসামের শিলচর হলেও বাংলাদেশের প্রতি তার ছিল অকৃত্রিম টান, ভালোবাসা। বাংলাদেশের যে কোন অনুষ্ঠানে ডাক পেলেই ছুটে আসতেন। বাংলাদেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর জন্মদিন কিংবা কোনও কলেজের অনুষ্ঠানেও তাকে গান গাইতে দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সিনেমার গানে সুর করছিলেন তিনি ২০১৭ সালে তার শেষ ছবির কাজ ছিল ভুবন মাঝি। ২০১৭ সালের আাজকের দিনে তিনি হুগলী জেলার গুরাপ গ্রামের কাছে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। আজ তার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। বাঙালি লোকসঙ্গীত শিল্পী ও লোকসঙ্গীত গবেষক কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্যের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

কালিকাপ্রসাদ ১৯৭১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ভারতের আসাম প্রদেশের শিলচরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি জন্মেছিলেন এমন এক সময়ে, যখন পপ আর রকের দাপটে বাঙালির আটপৌরে আঞ্চলিক গানগুলো ডুবে যাচ্ছিল অবহেলার আঁধারে। তার একক প্রচেষ্টাতেই সেই অনাদর থেকে মূলধারায় স্রোতে ফেরে লোকগান।পরিবারের আর পাচজনের মতই ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতের প্রতি আগ্রহ ছিল কালিকার। কালিকা উঠতি বয়সে কবিতা লিখত,পরেও কবিতার সঙ্গ ছাড়েনি। বিভিন্ন ধরনের গান নিয়ে ধারাবাহিক চর্চা থেকে শুরু করে সংগ্রহ। দেশের অন্যন্য জায়গা ছাড়াও এসেছেন বাংলাদেশ। বাউল-ফকিরদের আখরায়। কলা বিভাগে স্নাতক হওয়ার পর শিলচর ছেড়ে চলে আসেন কলকাতায়। তুলনামূলক সাহিত্য নিয়ে স্নাতোকোত্তরে ভর্তি হন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। কাকা অনন্ত ভট্টাচার্যর মৃত্যুর পর তাঁর বিপুল গানের সম্ভার নিয়ে কাজ শুরু করেন কালিকাপ্রসাদ। উনিশশো নিরানব্বইয়ে শুরু করেন গানের দল দোহার। কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্য্য হলেও সকলের কাছেই তিনি কালিকাদা নামেই পরিচিত। চোখে না দেখেও, একজন মানুষকে যে দাদার আসনে বসানো যায় তার প্রমান কালিকাদা। লোক সঙ্গীতের অসাধারণ পরিবেশনা ও বুদ্ধিভিত্তিক ব্যাখ্যা এবং বিশ্লেষণ নিয়ে দর্শক শ্রোতার হৃদয় জয় করেছেন কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্য্য। যে কয়েকজন শিল্পীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মাটির গানের এই উত্তরণ ঘটেছিল‚ কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য তাঁদের মধ্যে অগ্রণী। কালিকাপ্রসাদ কোন ব্যক্তি ছিলেন না। তিনি তাঁর মেধা, প্রজ্ঞা, প্রকাশ ও পরিবেশনা দিয়ে বাণী ও সুরের কারুকার্যে ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছিলেন। কালিকা প্রসাদ সংগীত প্রেমীর ভেতর প্রিয়তর এবং শ্রদ্ধাস্পদ এক নাম। বিশেষ করে আমাদের সিলেট অঞ্চলের গানকে অনন্য এক মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছেন এই গুণী শিল্পী। মাটির সোঁদা গন্ধমাখা দোহার ব্যান্ডের ভিতরেই কেবলমাত্র আবদ্ধ ছিল না তাঁর পরিচয়। এক একটা গানকে তিনি দেখতেন এক একটা চরিত্র হিসেবে। শৈল্পিক মাত্রা অতিক্রম করে মগ্ন থাকতেন গানের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে। সর্বত্র লোকসঙ্গীতকে একটা আলাদা সত্ত্বা হিসেবে পেশ করেছিলেন কালিকাপ্রসাদ।

কালিকাপ্রসাদ গান লিখতেন আবার সংগ্রহ ও করতেন। লোকগানের বিশাল সংগ্রহ ছিল তারঁ। তার কাকা অনন্ত ভট্টাচার্য’র সংগ্রহে ছিল পাঁচ হাজারেরও বেশি লোকগান। সেসব শুনতে শুনতেই বড় হয়েছেন কালিকা। আর সেইসব গানকে অবলম্বন করেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনগুলিতে বন্ধুদের নিয়ে গড়ে তোলেন গানের দল দোহার। নতুন সহস্রাব্দের সূচনা লগ্নে সবাই যখন ঝুঁকছে পশ্চিমা সুর-লয়ের দিকে, ছাত্রদের ব্যান্ড মানেই যেখানে সফট, অল্টারনেটিভ থেকে শুরু করে হার্ড ও প্রগ্রেসিভ রক ঘরানার গান, সেখানে দোহার যেন ছিল এক ব্যতিক্রমী নাম। নিজেদের মৌলিক গান দিয়ে নয়, দোহার পরিচিত পেয়েছিল আবহমান বাংলার বাউল, কীর্তন, ঝুমুর, ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, চটকার মতো ভুলতে বসা লোকগান নতুন করে তুলে এনে। দোহার-এর দর্শন আর নিজের সংগীতচর্চার চিন্তাধারাকে তুলে ধরে কালিকাপ্রসাদ বলেছিলেন, “আমরা লোকগান গাই। নতুন গান লিখি না বা গাই না। আমাদের গানে পশ্চিমী বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার হয় না। সেই জন্যই ‘দোহার’ গানের দল। ব্যান্ড নয়।’’ শুধু লোকগান গেয়েই তাদের একটা নিজস্ব শ্রোতা তৈরি হয়। চিরচেনা সুরগুলোকেই নিজস্ব আঙ্গিকে বাজানোর কায়দা, বিভিন্ন মেঠো বাদ্যযন্ত্র যেমন ঢোল, খোল, মাদল, ধামসা, সারিন্দা, ডুবকি, খঞ্জনি বাজিয়ে গানের সঙ্গে ধ্বনির বাতাবরণ তৈরির ব্যাপারগুলোকেই দারুণভাবে গ্রহণ করে। বাংলাদেশেও ঠিক সেই সময়টাতেই আর্টসেল, ব্ল্যাক, নেমেসিস, ক্রিপটিক ফেইট-এর মতো ব্যান্ডগুলোর পাশাপাশি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বাংলা কিংবা লালন-এর মতো ব্যান্ড। অর্ণবের গাওয়া ‘সোনা দিয়া বান্ধাইয়াছি ঘর’ তখন তুমুল জনপ্রিয়। হাবিব-এর সংগীতায়োজনে শাহ আব্দুল করীম-এর গানগুলোও তখন ফিরছে নতুন প্রজন্মের মুখে মুখে। এরমধ্যেই ২০০৭ সালের ‘মনপুরা’ দিয়ে ঘটে গেল বিপ্লব! অর্ণব, কৃষ্ণকলি, ফজলুর রহমান বাবুর কণ্ঠে ‘নিথুয়া পাথারে’, ‘সোনার পালঙ্কের ঘরে’, ‘আমার সোনার ময়না পাখি’র মতো গানগুলো পেল নতুন জীবন। প্রাণের তাগিদে’২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে শুরু হওয়া শাহবাগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হতে তিনি লিখেছিলেন ‘শাহাবাগ দিচ্ছে ডাক’ গানটি। সিনেমাতে কালিকাপ্রসাদ-এর গাওয়া গান এর আগে ব্যবহার হয়েছে দুবার, সৃজিত মুখোপাধ্যায়-এর ‘জাতিস্মর’ আর গৌতম ঘোষ-এর ‘মনের মানুষ’-এ। তবে বাংলাদেশের প্রতি নিজের ‘প্রাণের তাগিদে’ই প্রথমবারের মতো সংগীত পরিচালনা করেন তিনি সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ভুবন মাঝি’তে। মুক্তিযুদ্ধ এবং সমকালীন সময়ের মৌলবাদ ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঘিরে তৈরি হওয়া সিনেমাটির প্রাণই ছিল কালিকাপ্রসাদ-এর সংগীত।

কালিকাপ্রসাদ ছিলেন এক সুরমাঝি, মানুষের প্রাণের সঙ্গীত লোকসঙ্গীতের প্রবাদপুরুষ, বিশুদ্ধ সঙ্গীতের স্বপ্নদ্রষ্টা, বাংলা লোকগীতির কিংবদন্তি, সবার অন্তরের মানুষ। সোশ্যাল মিডিয়াকে তাঁর আনরিয়েল লাগতো। অজস্র লাইক মানেই গান হিট নয়। টালিগঞ্জের বেশ কিছু ছবির সঙ্গীত পরিচালক হলেও বাংলা গান নিয়ে বেশ হতাশ ছিলেন কালিকাপ্রসাদ। কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য বাংলা ভাষায় রচিত লোকসঙ্গীত চর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সহজ কথায় তিনি লোকসঙ্গীত গাইতেন। আরও সহজ করে বললে তিনি লোকসঙ্গীত শিল্পী ছিলেন। দুই বাংলায় একজন তুমুল জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত শিল্পী ছিলেন। 'দোহার' নামে কলকাতাকেন্দ্রিক গানের দলের এই প্রাণপুরুষের সাথে আমার কখনো দেখা হয়নি, সরাসরি মঞ্চে তাঁর গান শোনারও সুযোগ হয়নি।তবুও তিনি আমার পরম আপনজন হয়ে উঠেছিলেন, সুরের মহাসাগরে নিত্য স্নাতক হতাম বলে। তাঁকে অকালে হারানোটা বড়ই বেদনার। আর পাবো না তাঁর লোকগীতির বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গী, তাঁর অসাধারন পরিবেশনা। এই ক্ষতি শুধু বাংলা বা ভারতের নয়। এ ক্ষতি সমগ্র সঙ্গীত জগতের। তাই তাঁর আকস্মিক অকাল প্রয়াণে দুঃখ আমাদের থাকবেই। তিনি আমাদের মনে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকবেন। আমরা জানি, প্রকৃত শিল্পী বা স্রষ্টার মৃত্যু হয় না কখনো।শিল্পী বা স্রষ্টা বেঁচে থাকেন তাঁর সৃজনশীল সৃষ্টি আর কাজে। তিনি আমাদের অনেক দিয়েছেন,আরো অনেক দিতে পারতেন। তাঁর গবেষণা, প্রতিভা অসাধারণ। স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী মানুষ হিসাবেও তিনি ছিলেন অনন্য। কালিকাপ্রসাদ শুধু একজন শিল্পীই ছিলেন না, বাংলার লোকসঙ্গীত ছিল তাঁর প্রাণ। বাংলার লোকসঙ্গীতকে তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্বের দরবারে। তাঁর প্রচেষ্টাতেই এদেশের গ্রামবাংলার গান এখন নতুন প্রজন্মের বাঙালির মুখে মুখে। গণমানুষের গান একজীবনে যেভাবে তুলে এনেছেন কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য, তাতে করে চিরস্মরণীয় হয়েই তিনি রয়ে যাবেন দুই বাংলাতেই। এসব গানের চর্চার মধ্য দিয়েই কালিকাপ্রসাদকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

কোনও মৃত্যুই প্রিয় নয়। তারমধ্যেই কিছু বিদায় থাকে বড় বিষন্নতার। বড় যন্ত্রণার। সেভাবেই বিদায় নিলেন শিল্পী কালিকাপ্রসাদ।শেষ যাত্রায় শিল্পীর সঙ্গী হয়েছেন তাঁর অসংখ্য অনুরাগী। রবীন্দ্রসদনে শিল্পীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান সঙ্গীত জগতের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। কেওড়াতলা মহাশ্মশানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় শিল্পীর। দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে এক তাজা প্রাণ। আর দেখা যাবে না শিল্পী কালিকাপ্রসাদের দরাজ হাসি। ২০১৭ সালের ৭ মার্চ তিনি হুগলী জেলার গুরাপ গ্রামের কাছে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৭ বছর।কালিকাপ্রসাদের শারীরিক মৃত্যু হলেও বেঁচে থাকবে তাঁর গান। বেঁচে থাকবে কালিকার মাটির সুর।আজ কালিকাপ্রসাদের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। লোকগানের উজ্জ্বল নক্ষত্র বাঙালি লোকসঙ্গীত শিল্পী ও লোকসঙ্গীত গবেষক কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্যের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল :-& ফেসবুক লিংক
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০২০ বিকাল ৫:৪৯
৫টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাঙালি মুসলমান সম্বন্ধে ChatGPT র মূল্যায়ন !

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৬ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:০৯

ChatGPT কে "বাঙালি মুসলমান বনাম প্রকৃত ইসলাম" এর উপর একটা প্রবন্ধ লিখতে বলেছিলাম, কয়েক সেকেন্ডে যা লিখেছে হুবুহু তুলে দিলাম ! আপত্তি থাকলে চ্যাটজিপ্ট দায়ী !!

বাংলার মুসলমান সমাজকে দেখলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন্তব্যে অনন্য রাজীব নূর

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৬ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৩২



অনন্য রাজীব নুর মন্তব্য বেলায়
পাওয়া ও দেওয়ায় লক্ষ করে পার
সম্মুখে এগিয়ে চলে গন্তব্যে অপার
প্রতিটি পোষ্টের ক্ষেত্রে তার আছে টান।
মন তার দোলে চলে আনন্দ ভেলায়
ব্লগেতে নিশ্চুপ দেখে পোষ্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন ইকারুস: জেনেভার ছায়া

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



বালি অপারেশন শেষ করে ঢাকায় পিবিআই সদর দপ্তরে যখন আরিয়ান, তানভীর ও বর্ষা ফিরে এলো, তখনো বাইরের আকাশ থমথমে। বালি থেকে উদ্ধার করা ৬০% ডেটায় একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুরাগের বুকে আমার ছোট ভাইদের লাশ ২০২৪-এর উপহার ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৩



২০২৪ আমাদের নতুন করে শত্রু মিত্র চিনতে শিখিয়েছে। আমি কোনো করুনা, সান্ত্বনা কিংবা বিচারের দাবি নিয়ে আজকের এই ক্ষুদ্র পোস্ট লিখতে চাই না।শুধু সময়ের স্বাক্ষী হিসেবে একটু আচর কেটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আম গেল ছালাও গেল

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩


আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের এমন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যার নাম মুছে ফেলা অসম্ভব। ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে শক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করেছিলেন এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×