somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

স্পার্টাকাস উপন্যাসের লেখক, বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক হাওয়ার্ড ফাস্ট এর মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

১২ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১১:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


হাতে গোণা আধুনিক মার্কিন সাহিত্যিকদের একজন হাওয়ার্ড মেলভিন ফাস্ট। তিনি একজন ইহুদি মার্কিন ঔপন্যাসিক এবং টেলিভিশন লেখক। ফাস্টকে ছদ্মনামেও লেখালেখি করতে দেখা যায়। তিনি ই. ভি. কানিংহ্যাম এবং ওয়াল্টার এরিকসন ছদ্মনামেও লিখেছে। ফার্স্টের অনবদ্য সৃষ্টি স্পার্টাকাস। ফাস্ট শুধুমাত্র স্পার্টার্কাসের মধ্যেই তার সৃষ্টি থামিয়ে রাখেননি। আরো একাধিক উপন্যাসে মানুষের সংগ্রামের বিস্তৃত কাহিনী তিনি তুলে ধরেছেন। পিকস্কিল উপন্যাসে দেখা যায়, ফাস্ট কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম এবং নিপীড়নের দৃশ্য চিত্রিত করেছেন। যা তাদের আন্দোলনকে আরো শক্তিশালী হতে ভূমিকা রাখে। একইভাবে সাইলাস টিম্বারম্যান, ডিনার পার্টিসহ আরো একাধিক গ্রন্থে প্রচলিত সমাজের অন্তসারশূন্যতার উদাহরণ তিনি চমৎকারভাবে বিবৃত করেছেন। এর জন্য অবশ্য তাকে কম মূল্য দিতে হয়নি। জেলে যাওয়া থেকে শুরু করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত আইনের রাষ্ট্রদ্রোহীতা মামলারও শিকার হয়েছেন। শুধুমাত্র শিল্পের জন্য শিল্প নির্মাণের মধ্যেই তিনি আবদ্ধ থাকেননি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপরই তার মাতৃভূমি যুক্তরাষ্ট্র সাম্রাজ্যবাদী চরিত্র ব্যাপকভাবে অর্জন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এ দেশের অর্থনীতি আগ্রাসী রূপ নেয়। কিন্তু, একজন মার্কিন নাগরিক হওয়ার পরও তিনি এসব আগ্রাসী নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। লেখনী দিয়ে মার্কিন আগ্রাসনের বর্ণনা ফার্স্ট চমৎকারভাবে বিভিন্ন উপন্যাসে উপস্থাপন করেছেন। ২০০৩ সালের আজকের দিনে তিনি আমেরিতকার ওল্ড গ্রিনউইচে মৃত্যুবরণ করেন। আজ বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক হাওয়ার্ড ফাস্ট এর ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। স্পার্টাকাসের লেখক, বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক হাওয়ার্ড ফাস্ট এর মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।


হাওয়ার্ড মেলভিন ফাস্ট ১৯১৪ সালের ১১ নভেম্বর আমেরিকার নিউ ইয়র্ক সিটিতে জন্মগ্রহণ করেন। হাওয়ার্ড ফাস্টের মা আইডি (নী মিলার) ছিলেন একজন ব্রিটিশ ইহুদি ও বাবা বার্নি ফার্স্ট ইউক্রেন বংশোদ্ভুত আমেরিকান। ইহুদী পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও উগ্র জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারা ফাস্টকে কখনো স্পর্শ করেনি। তার কিশোর বয়সেই প্যালেস্টাইনে ইহুদী বসতি প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু, একই সময় ফাস্টের বিভিন্ন লেখায় সাম্্রাজ্যবাদ বিরোধী শ্লোগানের আধিক্য লক্ষ করা যায়। প্যালেস্টাইনে ইহুদী আধিপত্যকে তিনি কখনো সমর্থন করেননি। ১৯২৩-এ ফাস্টের মায়ের মৃত্যুর পর বাবা খুব বেশিদিন কর্মক্ষম ছিলেন না। ফলে কিশোর জীবন দারিদ্রতার মধ্যে অতিক্রান্ত হয়। পরিবার থেকে ভরণপোষণের অক্ষমতার কারণে, ফার্স্টের ছোটভাই জুলিয়াস জনৈক আত্মীয়ের বাড়িতে চলে যায়। উল্লেখ্য, পরবর্তী সময়ে এই জুলিয়াস ফাস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরেকজন বিখ্যাত সাহিত্যিক হিসেবে স্বীকৃতি পান। অন্যদিকে ফাস্ট এবং তার বড় ভাই জেরোম সংবাদপত্র বিক্রির সাথে যুক্ত হন। ওই সময় হাওয়ার্ড ফাস্ট নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরীতে খণ্ডকালীন চাকরীতে যোগ দেন। এখনের মত ওই সময়ও এ লাইব্রেরী বিশ্বের অন্যতম গবেষণাগার হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানে চাকরী করার মাধ্যমে ফাস্ট পড়ার প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহী হয়ে উঠে। যা তাকে পরবর্তীতে সময়ে একজন ভালো লেখক হতে সহায়তা করে।কর্মজীবনে ফাস্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ইউনাইটেড স্টেটস অফিস অফ ওয়ার ইনফরমেশনএ ভয়েস অফ আমেরিকার জন্য লেখালেখি করেন। ১৯৪৪ সালে তিনি আমেরিকার কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন এবং ফলস্বরূপ হাউস আন-আমেরিকান একটিভিটিস কমিটিতে তার ডাক পড়ে। তিনি স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধ চলাকালে বাবা-মা হারানো সন্তানদের জন্য খোলা তহবিলের জন্য অর্থদানকারীদের নাম বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং তাকে তিন মাস জেলে কাটাতে হয়। জেলে থাকা অবস্থাতেই ফাস্ট তার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপন্যাস স্পার্টাকাস লেখা শুরু করেন। রোমান কৃতদাসদের প্রতিরোধের কাহিনী নিয়ে লেখা উপন্যাসটি তাকে নিজের ছাপাখানা থেকেই প্রকাশিত করতে হয়। কালো তালিকাভূক্ত হবার কারণে উপন্যাসটি প্রকাশের সময় ই. ভি. কানিংহ্যাম ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়। এক ই নামে পরবর্তী সময়ে তিনি জনপ্রিয় গোয়েন্দা উপন্যাস লেখা শুরু করেন যার প্রধান চরিত্রে ছিলেন একজন নিসেই গোয়েন্দা এবং সাহায্যকারী হিসেবে বেভারলি হিলস, ক্যালিফোর্নিয়ার পুলিশ বিভাগ।ফাস্ট অল্প বয়সে লেখা শুরু করেন। তার প্রথম উপন্যাস টু ভ্যালিস ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হবার সময় তার বয়স ছিল আঠারো। তার প্রথম জনপ্রিয় উপন্যাস সিটিজেন টম পেইন টমাস পেইনএর জীবনীকে উপজীব্য করে লেখা। চেইনেনেস সম্প্রদায়ের নিজ ভূমিতে ফিরে আসার সংগ্রাম নিয়ে উপন্যাস ‘দি লাস্ট ফ্রন্টিয়ার’ এবং রিকন্সট্রাকশনএর সময় কৃতদাসদের নিয়ে লেখেন ফ্রিডম রোড


তার অন্যান্য উপন্যাসের মাঝে ১। টু ভ্যালিস (১৯৩৩), ২। স্ট্রেঞ্জ ইয়েস্টারডে (১৯৩৪), ৩। প্লেস ইন দ্য সিটি (১৯৩৭), ৪।কনসিভড ইন লাইব্রেরি, ভ্যালি ফোর্জ এর উপন্যাস (১৯৩৯), ৫। দি লাস্ট ফ্রণ্টিয়ার (১৯৪১), ৬। দি আনভ্যাংকুইসমেণ্ট (১৯৪২), ৭। সিটিজেন টম পেইন (১৯৪৩), ৮। ফ্রিডম রোড (১৯৪৪). ৯। দি আমেরিকান: এ মিডল ওয়েস্টার্ন লিডেণ্ড (১৯৪৬), ১০। ক্লার্কটন (১৯৪৭), ১১। দি চিলড্রেন (১৯৪৭). ১২। মাই গ্লোরিয়াস ব্রাদার (১৯৪৮), ১৩। দি প্রাউড এণ্ড দি ফ্রি (১৯৫০), ১৪। স্পার্টাকাস (১৯৫১) , ১৫। দি প্যাসন অফ সাকো এণ্ড ভ্যানজেট্টি, এ নিউ ইংল্যান্ড লেজেণ্ট (১৯৫৩), ১৬। সিলাস টিম্বারম্যান (১৯৫৪), ১৭। দি স্টোরি অফ লোলা গ্রেগ (১৯৫৬), ঙ১৮। মোজেস, প্রিন্স অফ ইজিপ্ট (১৯৫৮), ১৯। দি উইনস্টন এফেয়ার (১৯৫৯), ২০। দি গোল্ডেন রিভার (১৯৬০), ২১। এপ্রিল মর্নিং (১৯৬১), ২২। পাওয়ার (১৯৬২), ২৩। এগ্রিপ্পা’স ডটার (১৯৬৪), ২৪। টর্কুয়েমাডা (১৯৬৬), ২৫। স্যালি (১৯৬৭), ২৬। দি ক্রসিং (১৯৭১), ২৭। দি হেসিয়ান (১৯৭২), ২৮। দি ইমিগ্র্যাণ্টস (১৯৭৭), ২৯। সেকেণ্ড জেনারেশন (১৯৭৮), ৩০। দি এস্টাবলিশমেণ্ট (১৯৭৯), ৩১। দি লিগেসি (১৯৮১), ৩২। ম্যাক্স (১৯৮২), ৩৩। দি আউটসাইডার (১৯৮৪), ৩৪। দি ইমিগ্র্যাণ্টস ডটার (১৯৮৫), ৩৫। দি ডিনার পার্টি (১৯৮৭), ৩৬। দি প্লেজ (১৯৮৮), ৩৭। দি কনফেশন অফ জো কালেন (১৯৮৯), ৩৮। দি ট্রায়াল অফ এবিগেইল গুডম্যান (১৯৯৩), ৩৯। সেভেন ডেজ ইন জুন (১৯৯৪), ৪০। দি ব্রিজ বিল্ডার’স স্টোরি (১৯৯৫), ৪১। এন ইণ্ডিপেণ্ডেণ্ট ওম্যান (১৯৯৭), ৪২। রিডেম্পশন (১৯৯৯), ৪৩। গ্রিনউইচ (২০০০) , ৪৪। বাঙ্কার হিল (২০০১) উল্লেখযোগ্য। তিনি ১৯৬৫ সালে মিরাজ নামক একটি চলচ্চিত্রের স্ক্রিপ্টও লিখেন। ফাস্টের সবশেষ উপন্যাস হচ্ছে বাঙ্কার হিল (২০০১)। হাওয়ার্ড ফাস্টের ছেলে জোনাথন ফাস্টও একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন।


হাওয়ার্ড ফাস্ট স্পার্টাকাস প্রকাশ করেন১৯৫১ সালে। উপন্যাসটি ইফতেখা আমিন বাংলায় অনুবাদ করেছেন। এ ছাড়াও তার অনেক উপন্যাস বাংলায় অনুদিত হয়েছে। ফাস্টের আরেক যুগান্তকারী সৃষ্টি সাইলাস টিম্বারম্যান এ প্রকাশনী সংস্থা থেকে ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত হয়। এ উপন্যাসে বুদ্ধিজীবীদের প্রতি মার্কিন সমাজের নিপীড়নের বিভিন্ন ধরন তুলে ধরেন। সাইলাস টিম্বারম্যান উপন্যাসের কাহিনীর সাথে তার জীবনের কিছুটা মিল পাওয়া যায়। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হচ্ছে সাইলাস টিম্বারম্যান। তিনি পেশায় একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। টিম্বারম্যান বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্ক টোয়েন পড়াতেন। আর তা হয়ে যায় শাসক শ্রেণীর জন্য চুশূল। কেননা মার্ক টোয়েনের উপন্যাসে ঔপনিবেশিক শোষণের কাহিনী বিস্তৃতভাবে বর্ণনা করা গহয়েছে। আর তা প্রকারন্তরে মার্কিন শোষণের বিরোধিতার পর্যায়ে পড়ে। তাছাড়া টিম্বারম্যান যুক্তরাষ্ট্রের কোরিয়া আগ্রাসনের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেন। ফলে তাকে আদালতে তলব করে রাষ্ট্রদ্রোহীতার খেতাব দেয়া হয়। এছাড়া তার বাসায় গুপ্ত হামলার ঘটনাও ঘটে। শেষ পর্যন্ত তাকে জেল খাটতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের আরেকজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী মাইকেল প্যারেন্টির জীবন সংগ্রামও এ উপন্যাসের বর্ণনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্যারেন্টির ঘটনা উপন্যাস নির্মাণের আরো পড়ে। ভিয়েতনাম আগ্রাসনের সময় প্যারেন্টি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। তিনি এ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তোলেন। ছাত্র শিক্ষকদের এ আন্দোলনে তিনি নেতৃত্বের ভূমিকাও রাখেন। আর তা মার্কিন শাসকদের কাছে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে তাকে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমজীবী মানুষের সংবাদপত্র ডেইলি ওয়ার্কারে স্টাফ রাইটার হিসেবে কাজ করেন।


হাওয়ার্ড ফাস্ট সাহিত্য রচনার স্বীকৃতিস্বরুপ ১৯৫৩ সালে স্ট্যালিন শান্তি পুরষ্কার লাভ করেন। ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত মার্কিন কমিউনিস্ট পার্টির প্রতি তিনি অনুগত ছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে স্ট্যালিন প্রসঙ্গে তৃতীয় সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট নিকিতা ক্রুশ্চেভের সমালোচনা এবং হাঙ্গেীরতে রাশান ভূমিকার বিরোধিতা করে তিনি দল ত্যাগ করেন। এ মহান মার্কিন সাহিত্যিক ২০০৩-এর ১২ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন। আজ বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক হাওয়ার্ড ফাস্ট এর ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। স্পার্টাকাসের লেখক, বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক হাওয়ার্ড ফাস্ট এর মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল :-& ফেসবুক লিংক
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১২:০৪
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দাওয়াত দিয়েছে

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৬ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭

দাওয়াত দিয়েছে
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

এক পছন্দের মানুষ দাওয়াত দিয়েছে
তার ‍সুন্দর জেলা দেখার জন্য
আমিও বলেছি চলে আসবো হঠাৎ-
একদিন দেখতে, দেখবো ঘুরে ঘুরে
তার পুরো শহর , তার গ্রাম, তার বাড়ি
বিশেষ করে তাকে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ মোহমায়া

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৬ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬



খরস্রোতা নদীও একসময়
ক্ষীণ নালায় পরিণত হয়
কালের পরিক্রমায়,সময়ের চাহিদায় ।
তবু আশা বেঁধে রাখি।

ফিরবে সব আগের মত
চলবে জীবন অবিরত
কোন একদিন।


হারানো মুহুর্তরা কি সত্যিই  ফিরে আসে?
শত ব্যস্ততায়- মায়ের মত... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙালি মুসলমান সম্বন্ধে ChatGPT র মূল্যায়ন !

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৬ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:০৯

ChatGPT কে "বাঙালি মুসলমান বনাম প্রকৃত ইসলাম" এর উপর একটা প্রবন্ধ লিখতে বলেছিলাম, কয়েক সেকেন্ডে যা লিখেছে হুবুহু তুলে দিলাম ! আপত্তি থাকলে চ্যাটজিপ্ট দায়ী !!

বাংলার মুসলমান সমাজকে দেখলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন্তব্যে অনন্য রাজীব নূর

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৬ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৩২



অনন্য রাজীব নুর মন্তব্য বেলায়
পাওয়া ও দেওয়ায় লক্ষ করে পার
সম্মুখে এগিয়ে চলে গন্তব্যে অপার
প্রতিটি পোষ্টের ক্ষেত্রে তার আছে টান।
মন তার দোলে চলে আনন্দ ভেলায়
ব্লগেতে নিশ্চুপ দেখে পোষ্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন ইকারুস: জেনেভার ছায়া

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



বালি অপারেশন শেষ করে ঢাকায় পিবিআই সদর দপ্তরে যখন আরিয়ান, তানভীর ও বর্ষা ফিরে এলো, তখনো বাইরের আকাশ থমথমে। বালি থেকে উদ্ধার করা ৬০% ডেটায় একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×