somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

কিংবদন্তি আফ্রো-আমেরিকান মানবাধিকার কর্মী কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র এর ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত বিখ্যাত কিংবদন্তি আফ্রিকান-আমেরিকান মানবাধিকার কর্মী মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র। যুগ যুগ ধরে পৃথিবীর ইতিহাসে যে সব ব্যক্তিত্বরা নির্যাতিত, অত্যাচারিত নিপিড়ীত আর অধিকার বঞ্চিত মানুষদের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন, সেই সংগ্রামে নিজের জীবন পর্যন্ত বিসর্জন দিয়েছেন মার্টিন লুথার কিং ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। মার্টিন লুথার কিং ই প্রথম মানুষ যে আমেরিকায় কালো মানুষদের প্রতি বৈষম্যের জন্যে প্রতিবাদ শুরু করেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি নির্যাতিত মানুষের জন্যে লড়াই করে গেছেন। তিনি গান্ধীর অহিংস আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ হয়ে ১৯৫৯ সালে গান্ধীর জন্মস্থান ভারত সফর করেন। আমেরিকায় নাগরিক ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অহিংস আন্দোলনের জন্য ১৯৬৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র। নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে তিনিই সর্বকনিষ্ঠ। গরিব এবং কৃষ্ণাঙ্গদের আর্থিক ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে পুওর পিপলস ক্যাম্পেইন সংগঠিত করেছিলেন তিনি। আজ এই কৃষ্ণাঙ্গ নেতার ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৬৮ সালের আজকের দিনে আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান এই কৃষাঙ্গ মহানায়ক। বিখ্যাত মানবাধিকার কর্মী মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র এর মৃত্যু দিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি।


(৭ বছর বয়সে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র)
১৯২৯ সালের ১৫ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া ষ্টেইটের আটলান্টা সিটিতে জন্মগ্রহণ করেন মার্টিন লুথার কিং। তার পিতা মার্টিন লুথার কিং সিনিয়র এবং মাতা আলবার্টা উইলিয়ামস কিং। মার্টিনের পিতৃপুরুষেরা বংশানুক্রমিকভাবে ছিল খুবই ধার্মিক। লুথার কিং এর দাদা ও বাবা দুজনেই ছিলেন চার্চের প্যাস্টর (ধর্মযাজক)। জন্মের সময় তাঁর নাম রাখা হয়েছিল মাইকেল লুথার কিং, পরবর্তীকালে তাঁর কিশোর বয়সে এই নাম পালটে তিনি নিজেই বাবার নামের অনুসারে নতুন নাম নির্বাচন করেন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র। যে ছেলে কৈশোরেই নিজের জন্মকালীন নাম পরিবর্তন করে নিজের পছন্দমত নাম নির্বাচন করতে পারে, সেই ছেলে যে কোন এলেবেলে ধরনের ছেলে ছিলনা, তা তাঁর কিশোর বয়স থেকেই বুঝা গিয়েছিল। আটলান্টার বুকার টি ওয়াশিংটন হাইস্কুলে তার স্কুল জীবন শুরু।কালো চামড়ার ছিলো (তখন বলা হতো নিগ্রো) বলে কালোদের জন্য নির্দিষ্ট স্কুলে তাকে যেতে হয়েছিল। কিনতু এই ছেলে এতই মেধাবী ছিল যে তাকে ক্লাস নাইন ও ক্লাস টুয়েলভ পড়তেই হয়নি, দুইবার অটোপ্রমোশন পেয়ে ১৯৪৮ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে মোরহাউজ কলেজ থেকে সমাজ বিজ্ঞান এর উপর স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। এরপর ১৯৫৫ সালে বষ্টন ইউনিভার্সিটি থেকে দর্শন শাস্ত্রে পিএইচডি, ডক্টর অব ফিলোসোফি ডিগ্রি লাভ করেন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র।


একসময় আমেরিকাতে কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের সাথে চরম বৈষম্য করা হত। সাদা মানুষ বাসে উঠলে কালো মানুষদের সিট ছেড়ে দিতে হত। মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রই প্রথম মানুষ যে আমেরিকায় কালো মানুষদের প্রতি বৈষম্যের জন্যে প্রতিবাদ শুরু করেন। তাঁর সত্যিকারের আনুষ্ঠানিক সিভিল রাইটস মুভমেন্ট শুরু হয় ১৯৫৫ সালের ডিসেম্বার মাসের এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ১৯৫৫ সালের ১লা ডিসেম্বার তারিখে মিসেস রোজা পার্কস নামের এক সম্ভ্রান্ত আফ্রিকান-আমেরিকান মহিলাকে পুলিশ এরেস্ট করেছিলো, কারন সেই ভদ্রমহিলা অফিস থেকে বাসে করে ফেরার পথে আরেক সাদা আমেরিকান যাত্রীকে কেনো তার নিজের আসন ছেড়ে দেয়নি, এটাই ছিল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ। অবশ্য মিসেস রোজাই প্রথম ব্যক্তি নন যিনি এই ধরনের অভিযোগে এরেস্টেড হয়েছেন, তার আগে অনেকেই এই ধরনের বৈষম্যের শিকারও হয়েছে, জেলেও গিয়েছে। তবে যেহেতু মিসেস রোজা আফ্রিকান-আমেরিকান সোসাইটিতে খুবই পরিচিত ছিলেন, তাই ঐ সোসাইটির সকল লিডাররা ও মার্টিন লুথার কিং এই বৈষম্যমূলক আচরনের বিরূদ্ধে প্রতিবাদ করাকেই বিবেচনায় নিয়ে আসেন। তারা অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেন, এখানেই মার্টিন মহাত্মা গান্ধীর অহিংস অসহযোগ আনদোলনের প্রক্রিয়া সমর্থন করে ঐ বাস সার্ভিস সমস্ত কালোদের জন্য বয়কটের সিদ্ধান্ত নেন। বাসে না চড়ে কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ বা নিজের গাড়ী চালিয়ে অফিসে যাওয়া আসা করতে থাকেন। ৩৮১ দিন একটানা বাস সার্ভিস বর্জনের পরেই এলাবামা রাজ্যে যে কোন যানবাহনে কালো বা সাদা যাত্রীদের মধ্যে উচ্চনীচ ভেদাভেদকে বেআইনী ঘোষনা করা হয়। গান্ধীজীর সত্যাগ্রহ তাঁকে খুব বেশী অনুপ্রানিত করে তোলে। সত্যাগ্রহ যার মানেই হচ্ছে সত্যকে ধারন করা বা সত্যকে বরন করা অথবা সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করা কোন সামাজিক মুভমেন্টে প্রতিবাদের প্রধান অস্ত্র হিসেবে। লুথার কিং গান্ধীজীর সত্যাগ্রহে অনুপ্রানিত হয়ে ১৯৫৯ সালে গান্ধীর জন্মস্থান ভারত সফর করেন।


(১৯৫৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আলবামার মন্টেগরীতে ২জন সাদা চামড়ার পুলিশ কর্মকর্তার হাতে গ্রেফতার হন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র)/si]
১৯৫৭ সালে রেফ এবারনেথি এবং অন্যান্য সিভিল রাইট নেতাদের সহযোগিতায় স্হাপন করেন সাউদার্ন লিডারশীপ কনফারেন্স (এসসিএলসি)। আমেরিকার সিভিল রাইট নেতা হাওয়ার্ড থমসন এবং ভারতের নন ভায়োলেন্স এর জনক গান্ধীর মতবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে কিং অত্যান্ত যোগ্যতার সাথে আমৃত্যু এই সংগঠনটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্টার পাশাপাশি তাদের নৈতিক চরিত্র গঠন নিশ্চিত করাও ছিল এই সংগঠনটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ন কাজ । লুথারের বাবা দাদারা নিগ্রো হিসেবে সারাজীবন অনেক বর্ণ বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। মার্টিন নিজেও এই বর্ণবৈষম্যের শিকার হয়েছেন। কিন্তু তার বাবা ছেলেকে শিক্ষা দিয়েছেন ন্যায়ের পক্ষে থাকার, শিক্ষা দিয়েছেন সকলের মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার জন্য, শিখিয়েছেন সবাইকে ভালোবাসতে। তার বাবা মনে করতেন একমাত্র ভোটের মাধ্যমেই আফরিকান-আমেরিকানরা তাদের প্রতি যত বৈষম্যের অভিযোগ উত্থাপন করতে পারে। যার প্রভাবে ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসিতে কৃষ্ণাঙ্গদের অর্থনৈতিক মুক্তি, চাকরির সমতা অর্জন এবং সর্বক্ষেত্রে সমান অধিকার লক্ষ্যে কিং, বেয়ারড রাস্তিন এবং আরো ছয়টি সংগঠনের সহায়তায় মার্চ অন ওয়াশিংটন ফর জব এন্ড ফ্রিডম নামে এক বিশাল সমাবেশের আয়োজন করেন। এই সমাবেশ ছিলো আমেরিকার ইতিহাসে সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহা-সমাবেশ। এই সমাবেশে এ যোগ দেবার জন্য ২০০০ বাস, ২১ টি স্পেশাল ট্রেন, ১০ টি এয়ারলাইন্স এর সকল ফ্লাইট ও অসংখ্য গাড়িতে করে মানুষ ওয়াশিংটনে এসেছিল। ওয়াশিংটন মনুমেন্ট থেকে লিঙ্কন মেমোরিয়াল পর্যন্ত যাত্রায় প্রায় ২ লক্ষ জনতা জাতিগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে এবং কাজ ও সামাজিক অধিকারের দাবীতে অংশগ্রহণ করে। মুল আন্দোলন আফ্রিকান আমেরিকানদের হলেও, ২ লক্ষ সমর্থকের মধ্যে ও ৫০,০০০ ছিল সাদা মানুষ। সকল ধর্মের, সকল শ্রেণীর মানুষের সাথে এই সমাবেশে Harry Belafonte, Marlon Brando, Sammy Davis, James Garner, Bob Dylan এবং Joan Baez এর মত তারকারাও এসেছিল। সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লং মার্চ ও মহা-সমাবেশে বর্ণবাদবিরোধী ও নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নন্দিত মার্কিন নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ১৭ মিনিটের ঐতিহাসিক ভাষণ আই হ্যাভ এ ড্রিম প্রদান করেন।


মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র এই বক্তৃতাটির মাধ্যমে, ঘোষণা দেন জাতিগত বৈষম্যের দিন শেষ করার ডাক দেন সমতার। তিনি তার ভাষণে তুলে ধরন শ্বেতাঙ্গদের বৈষম্যমূলক আচরণ আর কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর নির্যাতন ও বঞ্চনার কথা। বললেন ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কোনো প্রাপ্তি নেই, যতক্ষণ নিগ্রোরা পুলিশের বর্ণনাতীত নির্যাতনের শিকার হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কোনো প্রাপ্তি নেই, যতক্ষণ ভ্রমণক্লান্ত নিগ্রোরা শহরের হোটেল বা মোটেলে বিশ্রামের অধিকার পাবে। ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের প্রাপ্তি নেই, যতক্ষণ আমাদের শিশুরা ‘কেবলমাত্র শ্বেতাঙ্গদের জন্য’ লেখা সাইনবোর্ড দেখবে। আমি জানি, তোমরা কেউ এসেছ দূর-দূরান্ত থেকে। কেউ জেলের কুঠরী থেকে। কেউ পুলিশের টর্চার সেল থেকে। তোমরা যার যার ঘরে ফিরে যাও। কিন্তু কাদা পানিতে ডুব দিয়ে থেক না। হয়তো আজ বা আগামীকাল আমাদের জন্য সংকটময় হবে। তবুও আমি স্বপ্ন দেখি, এই স্বপ্নগাথা আছে আমেরিকার অস্তিত্বে। আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন এই জাতি জাগ্রত হবে এবং মানুষের এই বিশ্বাসের মূল্যায়ন করবে, সব মানুষ জন্মসূত্রে সমান।


মার্টিন লুথাক কিং এর ঐতিাসিক বক্তৃতাটি আই হ্যাভ এ ড্রিম নামে নামে বিশ্বে পরিচিত পেয়েছে। তবে অনেকেই বলেন বক্তৃতাটি লেখার শুরুর দিকে এই শিরনাম ছিল Normalcy, Never Again যা বক্তৃতাটি লিখে শেষ করার পর পরিবর্তন করা হয় এবং পরিবর্তিত সংস্করণটিই পড়া হয়। এই বক্তৃতাটি ভোটের মাধ্যমে ১৯ শতকের সেরা বক্তৃতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। আই হ্যাভ এ ড্রিম ভাষণটি শুধুমাত্র আমেরিকার ইতিহাসেই নয় সারা পৃথিবীর মুক্তিকামী মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আলোড়ন তোলা আই হ্যাভ এ ড্রিম (আমি স্বপ্ন দেখি) ভাষণের প্রভাবেই ১৯৬৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিক অধিকার আইন ও ১৯৬৫ সালে ভোটাধিকার আইন প্রণয়ন করা হয়। মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ১৯৬৫ সালের ৭ মার্চ রবিবার তার এসএলসি সংগঠনের সহায়তায় সেলমা থেকে মন্টগোমারির রাজধানীতে এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করেন। কিন্তু পুলিশ আর সরকারী গুপ্তচরদের মিছিলের উপর অমানবিক নির্যাতনের কারনে সেই মিছিলটি শেষ পর্যন্ত ভেঙ্গে যায়। উল্লেখ্য যে আমেরিকার সিভিল রাইট মুভমেন্টের ইতিহাসে সেই দিনটি এখনো’ব্লাক সান ডে’ হিসাবে গন্য করা হয়। অন্যদিকে ভিয়েতনামের সাথে আমেরিকার যুদ্ধে জড়িত হওয়ার ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ আর নিন্দা প্রকাশ করেন।


১৯৬৭ সালের ৪ এপ্রিল নিউইয়র্কে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এই যুদ্ধের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “আমেরিকানরা ভিয়েতনামকে তাদের কলোনি বানানোর যে বাসনা করেছে তা পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ঘৃণ্য আর বর্বরোচিত একটা অধ্যায় হিসাবে বিবেচিত হয়ে থাকবে “। এর ঠিক এক বছর পর ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা ১ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি মেম্ফিসের লরিয়েন মোটলে শ্বেতাঙ্গ উগ্রপন্থী যুবক জেমস আর্ল রে নামক আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান এই কৃষাঙ্গ মহানায়ক। মানবাধিকার কর্মী কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র এর ৫২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। বিখ্যাত মানবাধিকার কর্মী মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র এর মৃত্যু দিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল :-& ফেসবুক লিংক
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:১৪
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ সময়ের ব্যবধানে তারা দুজন

লিখেছেন সামিয়া, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৩



কোর্টের সামনের চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। দুপুরের রোদটা তখন কিছুটা নরম হয়েছে। মানুষের ভিড়, আইনজীবীদের কালো কোট, চায়ের দোকানের ধোঁয়া আর ফাইল হাতে ছুটে চলা লোকজন মিলে জায়গাটা যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় মুসলিমদের অসহনীয় জীবন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৫ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৫


পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার সুপুরডিহি গ্রামের ঠেলাগাড়িতে বাসনপত্র বিক্রেতা দরিদ্র মুসলিম আকবর ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানধারী জঙ্গি হিন্দুদের হাতে প্রাণ দিলেন, আর মুক্তি পেলেন অসহনীয় যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে থাকার হাত থেকে। পুরুলিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×