somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

০৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দী। তিনি আধুনিক বাংলা গানের এক কিংবদন্তী শিল্পী, সুরের রাজকুমার। আধুনিক বাংলা গানের জাগরণ পর্ব বলা হয় গত শতকের ষাটের দশককে। স্বাভাবিকভাবেই তখন আমাদের দেশে ছিল ভারতীয় বাংলা আধুনিক গানের শিল্পীদের বিস্তর প্রভাব। ঠিক সেই সময়ে আবির্ভাব ঘটে সুবীর নন্দীর মতো কয়েকজন গুণী শিল্পীর যারা যাবতীয় প্রভাব থেকে মুক্ত থেকে নিজেদের সংগীত প্রতিভা ও সাধনাকে কাজে লাগিয়ে সূচনা করেছিলেন বাংলাদেশের আধুনিক বাংলা গানের এক নতুন অধ্যায়ের। দীর্ঘ চার দশকের ক্যারিয়ারে তিনি গেয়েছেন প্রায় আড়াই হাজারেরও বেশি গান। বেতার, টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্রের প্লেব্যাকে তার রয়েছে শ্রোতাপ্রিয় অসংখ্য জনপ্রিয় গান। তার জনপ্রিয় কিছু গানের মাঝে আছে- আমার এ দুটি চোখ, হাজার মনের কাছে প্রশ্ন করে, বন্ধু হতে চেয়ে তোমার, বৃষ্টির কাছ থেকে, একটা ছিল সোনার কন্যা, চাঁদের কলঙ্ক আছে, ও আমার উড়াল পঙ্খী রে, দিন যায় কথা থাকে, হাজার মনের কাছে, কত যে তোমাকে বেসেছি ভালো, সেই দুটি চোখে, কেন ভালোবাসা হারিয়ে যায়, তোমারই পরশে জীবন, বন্ধু তোর বরাত নিয়া, মাস্টার সাব, আমি নাম-দস্তখত শিখতে চাই ইত্যাদি। গানের পাশাপাশি ব্যাংকে চাকরি করেছেন দীর্ঘদিন। চলচ্চিত্রে প্লেব্যাকের জন্য চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি। তার প্রকাশিত প্রথম গানের অ্যালবাম সুবীর নন্দীর গান ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয়। এছাড়া তার অন্যান্য অ্যালবামগুলো হল প্রেম বলে কিছু নেই, ভালোবাসা কখনো মরে না, সুরের ভুবনে, গানের সুরে আমায় পাবে (২০১৫) এবং ভক্তিমূলক প্রণামাঞ্জলী প্রকাশিত হয়। সঙ্গীতে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০১৯ সালে তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে। বরেণ্য এই সঙ্গীতশিল্পীর আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। গতবছর এই দিনে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান। শুদ্ধ সঙ্গীতচর্চার অনন্য পথিকৃৎ সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।


(পরিবারের সাথে সুবীর নন্দী)
সুবীর নন্দী ১৯৫৩ সালের ১৯ নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানার নন্দীপাড়া নামক মহল্লায় এক সম্ভ্রান্ত কায়স্থ সঙ্গীত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ডাক্তার সুধাংশু নন্দী ছিলেন সংগীতপ্রেমী আর মা পুতুল রানীও বাড়িতে ঘরোয়াভাবে গান গাইতেন। তাই ছোটবেলা থেকেই সুবীর নন্দী পারিবারিকভাবেই গানবাজনার মধ্য দিয়ে বড় হয়েছেন। বাবার চাকরি সূত্রে নন্দীর শৈশব কেটেছে চা বাগান এলাকাতে। পাঁচ-ছয় বছর বয়স পর্যন্ত বাগানেই ছিলেন। চা বাগানে খ্রিস্টান মিশনারিদের একটি বিদ্যালয় ছিল, সেখানেই পড়াশোনা করেন। তবে পড়াশোনার অধিকাংশ সময়ই তার কেটেছে হবিগঞ্জ শহরে। হবিগঞ্জ শহরে তাদের একটি বাড়ি ছিল, সেখানে ছিলেন। পড়েছেন হবিগঞ্জ গভঃ হাইস্কুলে। তারপর হবিগঞ্জ বৃন্দাবন কলেজে। মুক্তিযুদ্ধের সময় সুবীর নন্দী দ্বিতীয় বর্ষে পড়তেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি ভাই-বোনদের সঙ্গে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তালিম নিতে শুরু করেন ওস্তাদ বাবর আলী খানের কাছে। তবে সঙ্গীতে তার হাতেখড়ি মায়ের কাছেই। সুরের ভুবনে তার পথচলা শুরু হয়েছিল ১৯৬৩ সালে। তখন তিনি মাত্র তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। মায়ের কাছে প্রথম গান শেখা শুরু হলেও শাস্ত্রীয় সংগীতে তার গুরু ওস্তাদ বাবর আলী খান। তবে তিনি লোকগানে তালিম নিয়েছেন বিদিত লাল দাসের কাছে। কিশোর বয়সেই তিনি সিলেট বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হয়ে যান, সেখানে প্রথম গান গেয়েছিলেন ১৯৬৭ সালে। প্রথমে শুধুমাত্র সিলেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও ১৯৭২ সাল থেকে তার ঢাকায় আসা-যাওয়া শুরু হয়। প্রথমদিকে নজরুলগীতি নিয়ে মনোযোগী হলেও অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ঝুঁকে পড়েন বাংলা আধুনিক গানের দিকে। বাংলাদেশ বেতারে (তৎকালীন রেডিও বাংলাদেশ) তার গাওয়া প্রথম গান ছিল ‘যদি কেউ ধূপ জ্বেলে দেয়’। গানটির সুরকার মীর কাশেম তাকে বেতারে গান গাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বিশেষকরে যখন ১৯৭৬ সালে রাজা হোসেন-সুজয় শ্যামের সুরে আব্দুস সামাদের ‘সূর্যগ্রহণ’ চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক করার সুযোগ পেলেন। সেই সিনেমায় গাওয়া লোকগান ‘দোষী হইলাম আমি দয়াল রে’ গানটি তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিল। কয়েকটা সিনেমায় গান করার কিছুদিনের মধ্যেই তার গানকেন্দ্রিক ব্যস্ততা কয়েকগুন বেড়ে গেল। একের পর এক নতুন গান রেডিওতে বাজছে, সেগুলোর প্রায় সবই আবার শ্রোতাপ্রিয়ও হচ্ছে। তবে সে সময় সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়েছিল ‘হাজার মনের কাছে প্রশ্ন করে’ আর ‘বন্ধু হতে চেয়ে তোমার শত্রু বলে গণ্য হলাম’ গান দুইটি। এরপর ১৯৮১ সালে ডিসকো রেকর্ডিংয়ের ব্যানারে প্রথম একক অ্যালবাম সুবীর নন্দীর গান বাজারে আসে।


বাংলা গানের অন্যতম সুন্দর কণ্ঠের অধিকারী সুবীর নন্দী। তিনি আধুনিক বাংলা গানের এক কিংবদন্তী শিল্পী, সুরের বরপুত্র। কয়েক দশকে তিনি যত গান করেছেন, সেসবের অধিকাংশই পেয়েছে আকাশ-সমান জনপ্রিয়তা। সুদীর্ঘ সময় ধরে একই রকম সতেজ থাকা এই চিরসবুজ কণ্ঠশিল্পীর নিজের তুলনা নিজেই। তার শৈশব-কৈশোর কেটেছে আধুনিক বাংলা গানের জোয়ারের মধ্যে। তাই স্বাভাবিকভাবেই উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী পঙ্কজ মল্লিক, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, মান্না দে, জগজিৎ সিং-দের ভক্ত ছিলেন তিনি। এদের গান শিল্পী হওয়ার ক্ষেত্রে সুবীর নন্দীকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, প্রভাবিত করেছে। একক কিংবা দ্বৈত, সব ধরনের গানেই নন্দী বাবু ছিলেন সাবলীল। সাবিনা ইয়াসমীনের সাথে তার জুটি ছিল এক কথায় অনবদ্য। সাবিনা ইয়াসমীনের সাথে প্রথম প্লেব্যাক ছিল ‘অশিক্ষিত’ সিনেমায়, একেবারে ক্যারিয়ারের শুরুতে। সেই সিনেমায় সত্য সাহার সুরে ও গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ‘মাস্টার সাব, আমি নাম-দস্তখত শিখতে চাই’ গানটি সিনেমপ্রেমী সবার মুখেমুখে প্রচলিত ছিল। রুনা লায়লার সাথেও তিনি অনেকগুলো গান করেছেন। বিশেষ করে তখনকার সময়ের প্রতিটি সাহিত্য নির্ভর সিনেমাতে সুবীর নন্দীর গান থাকবেই। ‘দেবদাস’, ‘শুভদা’, ‘চন্দ্রনাথ’, ‘বিরাজ বৌ’ সিনেমাতে তার দরদমাখা কণ্ঠের জাদুতে সবাই মুদ্ধ হয়েছে। সঙ্গীতে অবদানের জন্য তার উল্লেখযোগ্য পুরস্কার ও সম্মাননার মাঝে আছে একুশে পদক (২০১৯); জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (৫বার); সেরা পুরুষ কন্ঠশিল্পীঃ মহানায়ক (১৯৮৪), শুভদা (১৯৮৬), শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯৯), মেঘের পরে মেঘ (২০০৪), মহুয়া সুন্দরী (২০১৫); বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস) পুরস্কার; সেরা পুরুষ কন্ঠশিল্পীঃ ১৯৭৭, ১৯৮২, ১৯৮৫, ১৯৮৬; ১৩তম চ্যানেল আই সংগীত পুরস্কার (আজীবন সম্মাননা) ইত্যাদি


সুবীর নন্দী গত বছর ১২ এপ্রিল পরিবারের সবাইকে নিয়ে মৌলভীবাজারে আত্মীয়ের বাড়িতে যান। ১৪ এপ্রিল পরিবারের সাথে শ্রীমঙ্গল থেকে ঢাকায় ফেরার পথে ট্রেনে অসুস্থ হয়ে পড়লে রাত ১১ টার দিকে তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। তাছাড়াও তার হার্টে বাইপাস অপারেশন করা হয়েছিল। আবার কিডনিতেও সমস্যা ছিল। এর আগে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল তার। টানা ১৬ দিন সিএমএইচ চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৩০ এপ্রিল উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুর নেওয়ার কয়েকদিন পর সুবীর নন্দীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও তারপর থেকে ক্রমেই অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরপর তিনবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন সুবীর নন্দী। শেষমেষ ২০১৯ সালের ৭ মে ভোর সাড়ে চারটার দিকে তিনি দৈহিকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। সুবীর নন্দী বাংলা সঙ্গীতের আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। শুধু এই প্রজন্মেরই নন, তিনি তার প্রজন্মেরও অনেক শিল্পীর অনুপ্রেরণা। দৈহিকভাবে তার মৃত্যু হলেও আত্মিকভাবে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন সঙ্গীতপ্রেমীদের মাঝে। যতদিন বাংলা গানের সৌন্দর্য নিয়ে কথা হবে, ততদিন সুবীর নন্দী থাকবেন স্বকীয় অবদানের জন্য বেঁচে থাকবেন সঙ্গীতপ্রেমী বাঙালির মাঝে। তার সুর ও কণ্ঠ তো কখনও হারিয়ে যাবার নয়। কালজয়ী এই সুর-কণ্ঠ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে যাবে প্রেরণার বাণী নিয়ে। পরপারে ভালো থাকুন প্রিয়শিল্পী সুবীর নন্দী। বরেণ্য এই সঙ্গীতশিল্পীর আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী সুবীর নন্দীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল :-& ফেসবুক
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:১৫
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাদা নীল জার্সি

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪২


গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাইরে এসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।

দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পর্শে_ _ _ _ _

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×