somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ফরহাদের ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা

০৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের সংগ্রামের অন্যতম স্থপতি, সিপিবি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য কমরেড ফরহাদ। ‘অপরূপ রাজনৈতিক নায়ক' কমরেড ফরহাদ পঞ্চাশের দশকের শেষভাগে সুদূর পঞ্চগড়-বোদা থেকে স্বপ্ন বুকে নিয়ে রাজধানী ঢাকায় এসেছিলেন জাতীয় নেতা হবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে, মোহাম্মদ ফরহাদ একজন জাতীয় নেতার পরিচিতি নিয়েই অকালে প্রয়াত হয়েছেন। ১৯৮৭ সালে, অকাল প্রয়াণের আগ পর্যন্ত যিনি ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক। মাত্র ১৪ বছর বয়সে তৎকালীন পাকিস্তানে বে আইনি ঘোষিত কমিউনিস্ট পার্টির সংস্পর্শে এসেছিলেন। এই অল্প জীবনে তিনি কারান্তরালে এবং আত্মগোপন অবস্থায় কাটিয়েছেন প্রায় ১৪ বছর। মেট্রিক পাশ করার পর তিনি গ্রেফতার হন। তার বিরুদ্ধে রাস্ট্র দ্রোহী মামলা হয়েছে। হ্যান্ডক্যাপ সমেত তার দ্রোহী ছবি সে সময়ের কর্মী বন্ধুদের প্রতিবাদী করে তুলে। ১৯৮৬ সনে তিনি এম, পি হন। পার্লামেন্ট এ তার বক্তৃতা দেশবাসী কে উৎসাহিত করে নবতর সংগ্রামে। স্বাধীনতা সংগ্রামে তিনি পার্টির নির্দেশ মেনে সংগঠক এর দায়িত্বে ছিলেন। ৬২ ‘র শিক্ষা আন্দোলনের ‘মস্তিষ্ক ছিলেন। ষাটের দশক জুড়ে ছাত্র আন্দোলন-সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেছিলেন মোহাম্মদ ফরহাদ গোপন কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষ থেকে। বাষট্টির ঐতিহাসিক সামরিক শাসনবিরোধী এবং শিক্ষা আন্দোলন পরিচালনার ‘মস্তিষ্ক’ হিসাবে মোহাম্মদ ফরহাদের পরিচিতি ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে থাকবে। কমরেড মোহাম্মদ ফরহাদের ৮২তম জন্মবার্ষিকী আজ। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ফরহাদের জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা।


বাংলাদেশের বামরাজনীতির আদর্শনায়ক, কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য এবং বাকশালের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ ফরহাদ ১৯৩৮ সালের ৫ জুলাই পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম আহমেদ সাদাকাতুল বারি এবং মাতার নাম মরহুমা তৈয়বুন্নেসা। তার পিতা ছিলেন একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ। ইংরেজি, আরবি, ফার্সি ও উর্দু প্রভৃতি ভাষায় তার দখল ছিল। মোহাম্মদ ফরহাদের পড়াশুনার হাতেখড়ি পরিবারে। শিশুকাল শৈশব কৈশর কেটেছে দিনাজপুরে। বাল্যকালে দিনাজপুর প্রাইমারী স্কুলে পড়াশুনা করেন। তখন চলছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। এ সময় তিনি তার বাবার কাছ থেকে যুদ্ধের বিবরণ শুনে নানা প্রশ্ন করতেন। যুদ্ধ কারা করে, কেন করে, কেন মানুষ মারে আরও কত কি? এভাবেই ধীরে ধীরে রাজনৈতিক জ্ঞান অর্জন করতে থাকেন। ১৯৪৭ সালে তিনি সপ্তম শেণীর ছাত্র। তিনি ছাত্র হিসেবে খুব তুখোড় ছিলেন। তখন তিনি মুকুল ফৌজ নামে একটি শিশু-কিশোর সংগঠনের সাথে যুক্ত হন। এই সংগঠনটি ছিল মুসলিমলীগের দৈনিক মুখপত্র আজাদ পত্রিকার। পত্রিকার শিশু-কিশোর পাতায় তিনি অনেক লেখা লিখেছেন। ওই সংগঠনে কাজ করে এক পর্যায়ে তিনি সংগঠনের ক্যাপ্টেন নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৪৮-৪৯ সালে স্কুলের মিলিশিয়াতে যুক্ত হন। এই মিলিশিয়া বাহিনীতেও তিনি যোগ্যতা অর্জন করে লিডার নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি খেলাধুলায় তেমন পারদর্শী ছিলেন না, তবে ভাল আবৃতি করতেন। নাটকও করেছেন বেশ কয়েকবার। মাছধরা, পাখি শিকার ও ঘুরে বেড়ানো তার ছিল স্বাভাবিক নেশা। মোহাম্মদ ফরহাদ ১৯৫৩ সালে দিনাজপুর জেলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা, সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ও গ্রাজুয়েশন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ ডিগ্রী অর্জন করেন। ১৯৫২ সালে ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন এবং ১৯৫৪ সালে প্রথম কারাবরণ করেন। ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র থাকা অবস্থায় পাকিস্তানের আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে জঙ্গী ছাত্র আন্দোলনে ও শিক্ষা আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান করেন। ১৯৬৮ সালে কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম কংগ্রেসে (সম্মেলন) কেন্দ্রীয় সম্পাদক মন্ডলীর অন্যতম সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি দিনাজপুর জেলা স্কুলের একজন মেধাবী ছাত্র হিসেবে সর্বদাই পরিচিতি ও প্রশংসিত ছিলেন। ১৯৫৩ সালে তিনি প্রবেশিখা পরীক্ষায় ভালভাবে উত্তীর্ণ হন এবং দিনাজপুরের তদানিন্তন একমাত্র কলেজ দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজে লেখাপড়া শুরু করেন। ১৯৫৭ সালে তিনি কৃতিত্বের সাথে আই.এ পাস করেন। ১৯৫৯ সালে তিনি সুনামের সাথে বি.এ পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে তিনি ১৯৬১ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম.এ পাস করেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক কার্যকলাপে ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ স্থান লাভ করেন। ১৯৬২ সালে আইন অধ্যয়নরত অবস্থায় আইয়ুব খান ফরহাদের বিরুদ্ধে হুলিয়া বের করে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন কমরেড ফরহাদ। সি,পি,বি, ন্যাপ ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ গেরিলা বাহিনীর (মুক্তি বাহিনী) প্রধান সংগঠক ও অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালে কমিউনিস্ট পার্টির দ্বিতীয় কংগ্রেসে কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি অন্যতম প্রধান সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ৫২’র বাংলা ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে এদেশের সকল গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন।


স্বাধীন দেশে কমিউনিস্ট পার্টি প্রকাশ্য করার ক্ষেত্রে মোহাম্মদ ফরহাদের উদ্যমী উদ্যোগ ছিল লক্ষণীয়। ১৯৭৩ এর তৃতীয় কংগ্রেসে সিপিবি স্বাধীন দেশে সাধারণ সম্পাদক হিসাবে পঁয়ত্রিশ বছরের মোহাম্মদ ফরহাদকে নির্বাচিত করে ফরহাদ-বৈশিষ্ট্যের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে। ক্ষিপ্র, গতিশীল, নিবেদিত, ধারাবাহিক যে নেতৃত্ব। কিসিঞ্জারের আগ্রাসী প্রতিশোধ পরিকল্পনায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হলেন। ১৯৭৯ সালে জিয়া সামরিক শাহী মোহাম্মদ ফরহাদকে দেশদ্রোহের দায়ে গ্রেফতার করে। তার আটকাদেশের জন্য সরকারের বিরুদ্ধে হাই কোর্টের মাননীয় বিচারপতিগণ রায় দেন যে, 'মোহাম্মদ ফরহাদকে বিনা বিচারে আটক রাখা অন্যায় এবং সরকার বেআইনীভাবে তাকে আটক রেখেছে। সরকারপক্ষ মামলায় হেরে যায়। ১৯৮০ সালের পার্টির তৃতীয় কংগ্রেসে মোহাম্মদ ফরহাদ পুনঃনির্বাচিত হন সাধারণ সম্পাদক পদে। আশির দশকে বিশেষত ক্ষেতমজুর আন্দোলনের মধ্য দিয়ে কমিউনিস্ট পার্টি সারা দেশে তৃণমূলে সমীহ অবস্থান গ্রহণ করে। ১৯৮০ সালে তাকে পুনরায় রাজদ্রোহের মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়। 'বিপ্লব' ও 'সরকারকে শক্তি বলে উৎখাতের' মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়। ১৯৮১ সালে তিনি জামিনে মুক্তি পান। ১৯৮৩ সালে স্বৈরাচারী এরশাদের সামরিক সরকার আবার তাকে গ্রেফতার করে এবং ক্যান্টনমেন্ট জেলে অন্ধকার কক্ষে ১৪ দিন আটক রাখে। এরশাদ শাহীর বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা গণ আন্দোলনে মোহাম্মদ ফরহাদ কার্যত জননেত্রী শেখ হাসিনার পরেই দ্বিতীয় অবস্থান লাভ করেন নেতৃত্বের বৈগুণ্যেই। ১৯৮৬ সালে জাতীয় সংসদের নবীন সদস্য হিসাবে প্রবীণের অভিজ্ঞতাকেও যেন ছাড়িয়ে উজ্জ্বল ভূমিকা রাখেন। এবছর চতুর্থ কংগ্রেসেও তিনি পার্টির সাধারণ সম্পাদক হিসাবে পুনরায় নির্বাচিত হন। অকাল প্রয়াণের আগ পর্যন্ত যিনি ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক। কমরেড মোহাম্মদ ফরহাদ ১৯৮৭ সালের ১০ আগস্ট চিকিৎসার জন্য মস্কো যান। ৬ অক্টোবর তিনি হাসপাতাল ত্যাগ করে হোটেলে অবস্থান করেন। বিপ্লব পিপাসু কমরেড ফরহাদ মাত্র ৪৯ বছর বয়সে ১৯৮৭ সালের ৯ই অক্টোবর রাশিয়ার মস্কো শহরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। বাংলাদেশে আজও মোহাম্মদ ফরহাদ-নেতৃত্বের শূন্যতা কাটেনি। মৃত্যুর পর আজো পর্যন্ত তিনি প্রয়োজনীয় ও প্রাসঙ্গিক হয়ে আছেন। মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের কিংবদন্তি কমরেড মোহাম্মদ ফরহাদের আজ ৮২তম জন্মবার্ষিকী। বাষট্টির আন্দোলনের ‘মস্তিষ্ক’প্রখ্যাত রাজনীতিবীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড মোহাম্মদ ফরহাদের জন্ম দিনে ফুলেল শুভেচ্ছা।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল :-& ফেসবুক
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:০৯
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইসলামী ব্যাংক - সবার ভাবী !

লিখেছেন ঢাকার লোক, ১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৬

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি দীর্ঘদিন ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকটির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে মো. খুরশিদ আলমের নিয়োগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাংকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারেক রহমানের প্রথম সফর কেন ভারতেই হওয়া উচিত ছিল?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৯


দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান কলম্বোর পথ ধরে দেশে ফিরে আসেন । তিনি ভারতে ঢোকার অনুমতি পেয়েছিলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৪শের শহীদ নাকি প্রতারক ⁉️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৫:৪৭



'বায়বীয় গুলিতে আহত হয়ে নিহত' এক শহীদের উপাখ্যান।

ইনুস বাটপারের ভূয়া শহীদের বিতর্কিত 'জুলাই শহীদ গেজেট' যে অসংখ্য মিথ্যা, প্রতারনা, জালিয়াতিতে ভর্তি একটা বড় রকমের মিথ্যাচার, বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪


চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো  মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ  বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষো-ল-ব-ছ-রঃ আর কি বর্ষপূর্তি পোস্ট লেখা হবে?

লিখেছেন আমি তুমি আমরা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:০৬



অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।

দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।

ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×