
রূপালী জগতের কিংবদন্তি অভিনেতা বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের হিরো নায়করাজ রাজ্জাক। পূর্ববাংলা তথা বাংলাদেশের অভিনেতা হিসেবে রাজ্জাকের সাফল্য ছিল ঈর্ষণীয়। তিনি অনেক ধরনের চরিত্রে প্রতিনিয়ত সাবলীল অভিনয় করতে পারতেন। শুধু রোমান্টিক নায়ক নয়, অ্যাকশন ও জীবনের গল্প পাওয়া যায় এমন প্রায় সব বাঙালি চরিত্রের সঙ্গে হুবহু মিলিয়ে তাকে পাওয়া গেছে। চলচ্চিত্রের সোনালী যুগ রাঙিয়েছেন তিনি। জনপ্রিয়তার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে গিয়েছিলেন বলে ‘নায়করাজ’ উপাধি পেয়েছেন। চিত্রালীর সম্পাদক প্রয়াত আহমদ জামান চৌধুরী নায়ক রাজ্জাককে ‘নায়করাজ’ উপাধি দিয়েছিলেন। কয়েক দশকের অভিনয় জীবনে তিনি ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘অবুঝ মন’, ‘রংবাজ’, ‘আলোর মিছিল’, ‘অশিক্ষিত’, ‘অভিযান’, ‘মৌচোর’, ‘পাগলা রাজা’সহ প্রায় ৩০০টি বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও পরিচালনা করেছেন প্রায় ১৬টি চলচ্চিত্র। ‘বেহুলা’য় লখিন্দরের ভূমিকায় অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। আর তার প্রথম নায়িকা ছিলেন সুচন্দা। তিনি সুচন্দার পর শবনম, কবরী, ববিতা, শাবানাসহ তখনকার প্রায় সব অভিনেত্রীকে নিয়ে একের পর এক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র উপহার দেন ঢালিউডকে। আজ নায়ক রাজ রাজ্জাকের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী । ২০১৭ সালের এই দিনে ভক্ত-দর্শকদের কাঁদিয়ে চিরবিদায় নেন নায়করাজ। কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্বাঞ্জলি


ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৬২ সালে খায়রুন নেসার সঙ্গে (লক্ষ্মী) বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন রাজ্জাক। এই দম্পতির ঘরে জন্ম নেন রেজাউল করিম (বাপ্পারাজ), খালিদ হোসেইন (সম্রাট), নাসরিন পাশা শম্পা, রওশন হোসেন বাপ্পি ও আফরিন আলম ময়না। ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট সন্ধ্যা ৬:১৩ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপতালে সবাইকে কাঁদিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন মহানায়ক। ২৩শে আগস্ট তাকে বনানী কবরস্থানে করাহয়। চলচ্চিত্র বোদ্ধাদের মতে, রাজ্জাকের মৃত্যুতে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। আজ নায়ক রাজ রাজ্জাকের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। কিংবদন্তি অভিনেতা রাজাধিরাজ রাজ্জাকের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্বাঞ্জলি।
নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



