somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রবীন্দ্রোত্তর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি অরুণ মিত্রের বিংশতিতম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

২২ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রথিতযশা কবি, ও ফরাসী ভাষা ও সাহিত্যের খ্যাতনামা অধ্যাপক ও অনুবাদক অরুণ মিত্র। সারা জীবন ধরে অরুণ মিত্রের অনুরাগ ও গভীর আনুগত্য ছিল ফরাসি সংস্কৃতিতে কবি। ফরাসি শিক্ষা ও অনুশীলন একেবারে বাল্যকাল থেকে, প্রথমে কারও ব্যক্তিগত সহায়তায়, তারপর কলকাতার ফরাসি চর্চার প্রতিষ্ঠান আলিয়ঁস ফ্রঁস্যাজ-এর ছাত্র ও গ্রন্থাগারকর্মী হিসেবে, সাংবাদিকতাও সাময়িক ভাবে। ১৯৪৮-এ ফ্রান্সের সরবন বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন বছরের জন্য গবেষণা, ফিরে এসে ইলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরাসি ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপনা বছর কুড়ি। অবশেষে কলকাতায় থিতু হয়ে পারিবারিক ও সাংসারিক অস্তিত্ব, বন্ধু সমাগম ও সহবত এবং পড়া ও লেখা নিয়েই কাটিয়ে দেন বাকি জীবনের আঠারোটি বছর। বস্তুত সেটাই ছিল তাঁর সৃজনের আর মননের শ্রেষ্ঠ সময়— কবিতা ও প্রবন্ধ রচনায়। পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন অধ্যাপক। কবি অরুণ মিত্রের কবিতায় কবি মননের ভাবাদর্শের স্ফূরণ কঠোরে কোমলে মাখামাখি। হিটলারের বিরোধী মুক্তিযুদ্ধে রাশিয়ার ভূমিকাকে তিনি একরকম শ্রমজীবী কৃষিজীবী মানুষের আগামী দিনের মুক্তির ইশারা হিসাবে দেখেন" কসাকের ডাক" কবিতায় যা পরিলক্ষিত হয়। জনগণের মিলিত শক্তিই যে শেষ পর্যন্ত শেষ কথা বলবে-এ ইঙ্গিত রাখেন তিনি। সুদূর ভারতবর্ষ থেকে যে ডাক তিনি তার স্বদেশ ভূমিতে দাঁড়িয়ে তাঁর দেশের শ্রমজীবী কৃষিজীবী মানুষদের কানে অগ্নিকন্যার মতন ছুড়ে দিচ্ছেন রাশিয়ার মুক্তি যুদ্ধের অংশীদার হওয়ার জন্য এই ভাবনা তো শ্রেণিগত ভাবে আন্তর্জাতিক। বিধ্বস্ত সময়ের জ্বালা-যন্ত্রণা, বুর্জোয়া শ্রেণির শোষণ ও তার প্রতিরোধ, দুর্ভিক্ষ-মহামারীর কথা যেমন কবি অরুণমিত্রের কবিতায় উঠে এসেছে, তেমনি উঠে এসেছে তাঁর কাব্যে নাগরিক চেতনা বোধ ও।কোলকাতা শহরের মধ্যবিত্ত সমাজের জীবন যন্ত্রণাকে তিনি যেমন নিপূণ চিত্রকরের মতন তাঁর কবিতায় শব্দ বন্ধনে তুলে ধরেছেন জীবন রসের সুধা মাখিয়ে, তেমনি কোলকাতাকে কেন্দ্র করে তিনি করেছেন কোলকাতায় বসবাসের সুবাদে তাঁর নাগরিক জীবন বোধের কবি আত্মার প্রীতি-প্রেম-ভালোবাসার আত্ম উন্মোচন। জীবন ও জগতকে কবি অরুণমিত্রের এই ভালোবাসা বোধের একাত্মবোধই তাঁকে পৌঁছে দেয় এক মহাপ্রেমের আনন্দময়তার কাছে।আর তখনই কবির চেতনা বোধে ফিরে আসে প্রেম আর বাসনার চিত্রপট। যেখানে সময় সঙ্কটের জ্বালা-যন্ত্রণার হা-হুতাশ মিশ্রিত কবি মন খুঁজে পায় অন্ধকার থেকে মুক্তি। মলিন সময় ও তখন তার কাছে হয়ে ওঠে টুকরো টুকরো হীরকের দ্যুতি। কবিতায় হীরকের দ্যুতি ছড়ানো কবি অরুণ মিত্রের আজ বিংশতিতম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০০ সালের আজকের দিনে তিনি কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। বাংলা সাহিত্যের প্রথিতযশা কবি অরুণ মিত্রের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।


অরুণ মিত্র ১৯০৯ সালের ২ নভেম্বর, বাংলাদেশের যশোর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা হিরালাল মিত্র এবং মা যামিনীবালা। ছয় পুত্রকন্যার মধ্যে তিনি ছিলেন বড়। নিজের বাড়ি ও মামাবাড়ি – এই যশোরেই কেটেছে তাঁর শৈশবের দিনগুলি। যশোরের পরিবেশ অরুণ মিত্রকে নিয়ন্ত্রণ করলেও তাঁর স্থায়ী আস্তানা হয়ে উঠেছিল কলকাতা। অনেকের মতোই তাঁর প্রথম প্রেম রবীন্দ্রনাথ। নজরুল, মোহিতলাল, সত্যেন দত্তের কবিতা পড়লেও তিনি অভিভূত হতেন রবীন্দ্রনাথের কবিতায়। সেই সময় থেকেই তাঁর কবিতা লেখা শুরু। ৯২৬ সালে তিনি বঙ্গবাসী স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। ১৯২৮ সালে বঙ্গবাসী কলেজ থেকে আইএসসি এবং ১৯৩০ সালে রিপন কলেজ থেকে ডিস্টিংশনসহ বিএ পাশ করেন। তিনি ছাত্রাবস্থায় রিপন কলেজের ম্যাগাজিনে লেখেন আলফাঁস দোদের ওপর প্রবন্ধ। এরপর ইংরেজিতে এমএ পড়তে ভর্তি হন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু পারিবারিক কারণে তাঁকে পড়া ছাড়তে হয় এবং ১৯৩১ সালে তাঁকে চাকরি নিতে হয় আনন্দবাজার পত্রিকায়। তখন থেকেই শুরু হয় তাঁর নতুন উদ্দীপনার ক্ষেত্র। সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার ছিলেন এই পত্রিকার সম্পাদক। এখানেই তাঁর আলাপ হয় শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, তারাশঙ্কর ও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। আবার সত্যেন্দ্রনাথের সদানন্দ রোডের বাড়ির আড্ডায় পেয়েছিলেন স্বর্ণকমল ভট্টাচার্য, বিজন ভট্টাচার্য, বিনয় ঘোষ, সুবোধ ঘোষ প্রমুখ তরুণ লেখকের সান্নিধ্য। সেসময়েই তিনি যুক্ত হন ‘বঙ্গীয় প্রগতি লেখক সংঘ ও সোভিয়েত সুহৃদ সমিতি’তে। ১৯৩৭ সালে প্রগতি লেখক সংঘের উদ্যোগে প্রকাশিত প্রগতি সংকলনগ্রন্থে তাঁর কবিতা স্থান পায়। ১৯৩৮ সালে ‘নিখিল ভারত প্রগতি লেখক সংঘ’ পরিচালিত প্রথম সাংস্কৃতিক পত্রিকা অগ্রণী। প্রফুল্ল রায়-সম্পাদিত এই মাসিক পত্রিকাটিতে জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র, সরোজ দত্ত, দিনেশ দাশ, চিন্মোহন সেহানবীশ, সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তিনিও লিখেছিলেন। দীর্ঘ ১১ বছর চাকরি করার পর অরুণ মিত্র আনন্দবাজার ছেড়ে ১৯৪২ সালে যোগ দেন অরণি পত্রিকায়। ১৮৪৮ সালে ফরাসি সরকারের আহ্বানে বৃত্তি নিয়ে ফ্রান্স যান। প্যারিসের সরবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট লাভ করেন। ফরাসি সাহিত্য অধ্যয়নের পর ১৯৫২ সালে দেশে ফিরে এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরাসি ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব নেন। এর পর দীর্ঘ কুড়ি বছর সপরিবারে এলাহাবাদেই বসবাস করেন। ১৯৭২ সালে অবসর নিয়ে ফিরে আসেন কলকাতায়।


সাহিত্য, প্রধানত কবিতা সম্পর্কে অরুণ মিত্রের ধ্যান-ধারণাও গ্রথিত হয়েছে তাঁর বইতে। প্রবন্ধগুলির নাম ‘কাব্যের দোসর’, ‘আমার কবিতা লেখা’, ‘বাংলা কবিতার বিকাশ ও কবিকৃতি’, ‘কবিতার পথে’ কিংবা ‘কবিতা কী বলে কীভাবে বলে’, ‘বাংলা সাহিত্যের বিবর্তন ও আধুনিক কবিতা’, ‘কবিতা পাঠ কবিতা আবৃত্তি’, ‘কবিতার গান’ ইত্যাদি। তাঁর প্রবন্ধসংগ্রহ-র প্রথম খণ্ডে ফরাসি সাহিত্য প্রসঙ্গে-র (১৯৮৫) পাশাপাশি যে-দু’টি বই, তার নাম সৃজন সাহিত্য: নানান ভাবনা (১৯৮৭) ও কবির কথা, কবিদের কথা (১৯৯৭)। এর বাইরে সমধর্মী সাহিত্যের দিক-দিগন্ত (১৯৯৭) এবং কবিতা, আমি ও আমরা (১৯৯৯) নামে যে বই দুটো, তা এই খণ্ডে স্বতন্ত্র ভাবে নেই বটে, কিন্তু তাদের অন্তর্গত প্রবন্ধ খুঁজে পাই খণ্ডটির অন্য প্রবন্ধের সঙ্গে। সর্বত্র এর অনুরণন যেন তাঁর উচ্চারণে— ‘জীবন নিয়েই কবিতার কথা বলা’, কিংবা ‘সব কবিতা মিলিয়ে তো একটা কবিতাই লিখি আমরা’। ‘কবিতা, আমি এবং আমরা’ নামের স্মরণীয় প্রবন্ধটিতে বলেন অরুণ মিত্র: ‘পৃথিবী আর মানুষ আর তাদের সংস্পর্শে আমার সত্তা, এই তো আমার কবিতার মূল। সব কবিতারই মূল। এদের সংলগ্নতা থেকে যা ভাষায় প্রকাশিত হয় তাই কবিতা’। তাঁর মতো যুক্তি-নিয়ন্ত্রিত স্পষ্টভাষী নির্মেদ স্বচ্ছ গদ্য ও খুব কম বাঙালি কবিই লিখতে পেরেছেন’। ১৯৭৯ সালে প্রকাশিত হয় তার একমাত্র উপন্যাস 'শিকড় যদি চেনা যায়'। তার মৌলিক প্রবন্ধ গ্রন্থ ফরাসী সাহিত্য প্রসঙ্গে প্রকাশিত হয় ১৯৮৫ সালে। বাংলায় তিনি একাধিক গ্রন্থ অনুবাদও করেছেন। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্যঃ ভারত: আজ ও আগামীকাল (১৯৫১), কাঁদিদ বা আশাবাদ (১৯৭০), সে এক ঝোড়ো বছর (১৯৭০), ভারতীয় থিয়েটার (১৯৭৫), গাছের কথা (১৯৭৫), মায়াকোভস্কি (১৯৭৯), সার্ত্র ও তাঁর শেষ সংলাপ (১৯৮০), অন্যস্বর (১৯৮৩) ও পল এলুয়রের কবিতা (১৯৮৫)। সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৯০ সালে তাঁকে সন্মানিক ডি,লিট উপাধিতে ভূষিত করেন। ফরাসি ভাষা ও সাহিত্যে নিরন্তর গবেষণার জন্য ১৯৯২ সালে ফরাসী সরকার তাঁকে "লিজিয়ন ওফ অনার" সন্মানে ভূষিত করে। এছাড়াও তিনি জাতিসত্তা বাঙ্গালী পুরস্কার এবং সাহিত্য অকাদেমী পুরস্কার লাভ করেন।


ব্যক্তিগতজীবনে ১৯৩৮ সালে সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদারের ভাগ্নি শান্তি ভাদুড়ির সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। সদানন্দ রোডের বাড়িতেই তাঁরা থাকতেন। এখানেই তাঁদের প্রথম সন্তান রণধীরের (গোগোল) জন্ম হয়। কবি অরুণ মিত্র ২০০০ সালের ২২ আগষ্ট কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। আজ তার বিংশতিতম মৃত্যুবার্ষিকী। শ্রদ্ধেয় কবি অরুণ মিত্রের মৃত্যুবার্ষিকীতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল :-& ফেসবুক
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:২৮
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভারত খারাপ, তবে নিমন্ত্রণ পত্র ভালো

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৫



দুই ঘণ্টা বিমানবন্দরে বসিয়ে রাখা হয়েছে, প্রবেশও করতে দেয়নি। তারপরও ঘোষণা দিলেন - আবার আমন্ত্রণ পেলে যাবেন।

ভারতবিরোধী কথা বলা ছিলো তার রাজনৈতিক স্ট্যান্ড পয়েণ্ট, কারো কাছে নতি স্বীকার করবো... ...বাকিটুকু পড়ুন

খাম্বা/খাল তারেক কে কিছু উপলব্ধি শেয়ার করছি

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৪২

আজ আর মনের মাধুরী মিশিয়ে বকাঝকা করব না। আজ কিছু ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা শেয়ার করব।



খাল খনন বা ঢাকার বাসস্ট্যান্ড সরানোর চেয়ে কি কি গুরুত্বপূর্ন কাজ এই অর্থবছরে করা যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গানটি প্রিয় রাজীব নূর ও কবি স্বপ্নের শঙ্খচিলকে উৎসর্গ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:০৬

আমার খুব প্রিয় একটি কবিতার সাথে ব্লগার স্বপ্নের শঙ্খচিলের কবিতা মিলিয়ে গানটি বুনেছি।
শোনার আমন্ত্রণ রইলো।
============================

এই জল ভালো লাগে;
বৃষ্টির রূপালি জল কত দিন এসে
ধুয়েছে আমার দেহ- বুলায়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন ইকারুস: কুয়ালালামপুরের ছায়া সম্রাট

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৭ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫



বালির নীল দিগন্ত
ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের একটি নির্জন পাথুরে সৈকত। ভারত মহাসাগরের বিশাল নীল ঢেউ আছড়ে পড়ছিল তীরে। সমুদ্রের ঠিক ওপরের একটি আধুনিক কাঁচের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহলে হাদিস বিরোধী পোষ্টে ব্লগে লাইক না থাকলেও গ্রুপে লাইক পাঁচ হাজার আটশত

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৭ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৪



হাদিস প্রেমিক হলো নাস্তিক ও আহলে হাদিস। উভয় দল হাদিস দিয়ে মুসলিমদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। আমি যেহেতু মুসলিমদের হেদায়াতের জন্য কাজ করি সেহেতু আমাকে আহলে হাদিস বিরোধী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×