
বহুদিন আগে একটি ঘটনা পাঠকের জানা থাকতেও পারে।
চিনের বেজিং শহরের কোনো এক এলাকায়,, এক তরুণী ধর্ষিতা হলেন। খবরটি চা্উড় হয়ে চেয়ারম্যান মাও-সে-তুঙ এর কানে পৌঁছে গেলো। তিনি নিজে গিয়ে পীড়িতার সঙ্গে দেখা করলেন।। তিনি মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করলেন,,"যখন তোমার সঙ্গে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছিল,, তুমি কি সাহায্যের জন্য চিৎকার করেছিলে ? মেয়েটি বললো - "হ্যাঁ।" চেয়ারম্যান মাওসে-তুঙ , মেয়েটিকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে,, ঘটনাস্থল থেকে হাফ-কিলোমিটার পর্যন্ত, সেনাবাহিনী দিয়ে একটা সার্কেল তৈরী করে নিলেন। এবার মেয়েটিকে বললেন -" দূর্ঘটনার সময় তুমি নিজেকে রক্ষা করার জন্য যেমন ভাবে চেঁচিয়ে ছিলে, ঠিক সেই ভাবে চিৎকার দাও।" মেয়েটি তাই করলেন। এরপর চেয়ারম্যান মাও সে-তুঙ, সার্কেলের মধ্যে থাকা সকল সেনাদের নিজের কাছে তলব করলেন। সেনাদের জিজ্ঞেস করলেন,"মেয়েটির চিৎকার শুনতে পেয়েছেন ?"সেনারা জবাব দিলো - "হ্যাঁ।" এবার চেয়ারম্যান মাও নির্দেশ দিলেন, অধা-কিলোমিটার পর্যন্ত যতো পুরুষ বসবাস করে, কলকে বন্দি করা হোক। তিন ঘন্টার মধ্যে অভিযুক্তকে চিহ্নিত করতে না পারলে, সকল পুরুষকে হত্যা করা হবে। ঘোষণার মাত্র ২ ঘন্টার মধ্যে, ধর্ষককে চিহ্নিত করা সম্ভব হলো। কয়েকজন ঘটনাটির কথা জানতেন, বেগতিক দেখে নিজের প্রাণ বাঁচাতে তারা অপরাধীকে চিহ্নিত করতে সাহায্য করলো। অপরাধী এবং সাক্ষীদের চেয়ারম্যান মাও এর কাছে হাজির করা হলো।
চেয়ারম্যান মাও সে-তুঙ এর নির্দেশে প্রথমে সাক্ষীদের শ্যুট করে দেওয়া হলো। কারণ তারা দেখেছেন অথচ প্রতিবাদ করেননি। এরপর, অপরাধীর মাথায় প্রকাশ্যে গুলি করেতাকে তৎক্ষণাৎ হত্যা করা হলো। এর পরে চিনের ধর্ষকরা যে শিক্ষা নিলো তাতে করে কেউ ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ করার কথা স্বপ্নেও ভাবতো না।

আমাদের দেশে ধর্ষিতা বেঁচে থাকলে তাঁকে বাকি জীবন কোর্ট-কাছারি-তে কাটিয়ে দিতে হয় সুবিচার পাওয়ার জন্য। আর ধর্ষককে মালা পরিয়ে,, অভ্যর্থনা জানানো হয়। ধর্ষিতা সমাজে নিগৃহীত হতে থাকেন। আর ধর্ষিতা মারা গেলে......... আমরা তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে রাজপথে মৌন মিছিলে দ্বায়িত্ব শেষ করি। হায় সেলুকাস! কি বিচিত্র এই বঙ্গ দেশ।
নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
ব্রেকিং নিউজ২৪.কম
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুন, ২০২১ দুপুর ১:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


