হিমু হইব । এই উদ্দ্যেশ্যে ট্রেনিং আরম্ভ করিয়াছি । আজ প্রথম রজনী ট্রেনিংএর । প্রথম রজনীতেই আমার বোধোদয় হইল যে , হিমু হওয়া কিঞ্চিৎ কঠিন ব্যাপার । আসলে কিঞ্চিৎ কঠিন নহে , তারচেয়েও বেশী ! ইহাকে কিঞ্চিৎ হোল স্কয়ার বলা যাইতে পারে ।
*হিমু হইবার প্রথম কঠিন কাজটি হইল খালি পায়ে রাস্তায় রাস্তায় হন্টন করা ।
কোন মানুষই রোগ-শোকের ঊর্ধ্বে নহে । হিমুও নহে । এবং তাকে বহুবারই অসুস্থ হইতে দেখা গিয়াছে । তবে আজিকে খালি পায়ে হন্টন করিতে গিয়া আমার নিকট একখানা জিনিস খটকা লাগিল ।
একজন মানুষ প্রতিনিয়ত এই নোংরা রাস্তায় খালি পায়ে হাঁটাহাঁটি করিলে তাহার ক্রিমি হওয়ার সম্ভাবনা পৌনে তিনশ পার্সেন্ট নিশ্চিত হইয়া যায় । কিন্তু গল্পে কখনো হিমুকে ক্রিমির ঔষধ খাইতে অথবা ক্রিমি জনিত পেটের পীড়ায় ভুগিতে দেখা যায়নি । বড়ই আশ্চর্যের ব্যাপার লাগিল !!
*আরেকখানা ব্যাপার হইল গিয়া খালি পায়ে হন্টন করিলে পায়ে পেরেক,লোহা,কাঁটা,কাঁচের টুকরো,সূচ... প্রভৃতি ঢুকিয়া গিয়া শরীরে ধনুষ্টংকারের জীবানু বাসা বাধিতে পারে । কিন্তু হিমু গল্পের হিমুর কখনো এইসব হয়নি । এবং সেই কারনে সে টি.টি. টিকার খরচ ও যাতনা হইতে বাঁচিয়া গিয়াছে । কিন্তু বোধকরি বাস্তবের হিমুরা হয়ত এইসব সমস্যার মুখোমুখি হইয়াছেন । হইয়া থাকিলে দয়া করিয়া আমাকে জানাইবেন পিলিজ ।
ওহ ! আরেকখানা কথা...ইহা না বলিলে কবিরা গুনাহ হইবে । তাই বলিয়া দেই.. খালি পায়ে পিচ ঢালা রাস্তায় হন্টন করিতে বড়ই আরাম লাগে অবশ্য !!!
তবে ক্রিমি এবং ধনুস্টংকারের ব্যাপারে সাবধান !!!
আজ তাহলে এইখানে শেষ করিতেছি । অনুগ্রহপূর্বক গুরুচন্ডালী দোষ গুলকে মার্জনার চোখে দেখিবেন ।
Bদায়...
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১১:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


