somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মহসিন আলীর ১৫ টি অজানা তথ্য

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সহজ শব্দের, সহজ ভাষার, সহজ মনের, সহজ প্রাণের একজন মানুষকে আমরা হারালাম। সাদা মনের একজন মানুষ, বড় ভালো একজন মানুষকে আমরা হারালাম। খুব অসময়েই হারালাম। তার মত মানুষের খুব দরকার ছিলো এই জাতির। বড় দুর্ভাগ্য আমাদের, ভালো ভালো মানুষ গুলো খুব তাড়াতারি চলে যায় আমাদের একা করে...
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী...
এই মানুষটির সম্পর্কে নানারকম জানা- অজানা তথ্য ।

১.সৈয়দ মহসিন আলী নিজ বাপ দাদার পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে মানুষের কল্যাণে কাজ করে গিয়েছেন।
২. তিনি একমাত্র মন্ত্রী ছিলেন যার বসবাসকৃত বাড়িতে একজন ভিক্ষুকও যেকোনো সময় কোনো বিনা বাধায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই তার ঘরে গিয়ে দেখা করতে পারতো।
৩. তাঁর কোনও ব্যাক্তিগত নম্বর ছিলোনা যেই কেউ যে কোনও প্রকারের সমস্যা নিয়ে তাকে মোবাইল করতো আর তিনি নিজেই ফোন ধরতেন শতভাগ চেষ্টা করতে সমাধান করতে।
৪. তাঁর বাড়ির কোন সীমানা প্রাচীর নেই।
৫. তাঁকে বলা হয় গণমানুষের অবিভাব। যিনি মিল্টন রোড়ে ৬০লাখ টাকা ধার করে গরীব অসহায় রোগীদের চিকিত্‍সার জন্য বাড়ি তৈরি করেছেন।



৬. তিনি এমনই নেতা ছিলেন যার কারনে বিরোধী দলের নেতা কর্মীরা কখনো নিজের বিরোধী দল বলে ভাবতনো।
৭. সৈয়দ মহসীন আলী ঢাকার তার বাড়িটা আশ্রয়হীন মানুষদের দান করে গেছেন।
৮. তিনি নিজ খরচে অসংখ্যা অসংখ্যা মানুষকে ক্যান্সার, লিভার, কিডনি, ফুসফুসসহ নানান রোগের চিকিত্‍সা করিয়েছেন।
৯. সৈয়দ মহসীন আলী ক্যান্সারে আক্রান্ত ২১জনকে বিদেশ পাঠিয়ে নিজ খরচে চিকিত্‍সা করিয়েছেন।
১০. তিনি স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীদের পাগলের মতো স্নেহ করতেন এতোটাই যে গত এপ্রিলে ক্যান্সারে আক্রান্ত দুই স্কুল শিক্ষার্ত্রীকে বিদেশ পাঠিয়েছেন চিকিত্‍সার জন্য।
১১. সৈয়দ মহসিন আলী এমনই মন্ত্রী ছিলেন যিনি এলাকায় আসলে কখনো পুলিশ এসে নিরাপত্তা দেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি।
১২. সৈয়দ মহসিন আলী অসহায় দরিদ্র মানুষদের পাশে থেকেছেন সবসময়। নিজের উপার্জনের সবটুকু বিপদগ্রস্ত মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছেন। নিজ এলাকায় একটা কথা প্রচলিত ছিলো- ‘মহসিন আলী যে টাকা হাতে পেয়েছেন তা নিজের জন্য যতটা না খরচ করেছেন। তারচেয়ে বেশি অসহায়, দরিদ্র মানুষের মাঝে বন্টন করে দিয়েছেন।
১৩. সৈয়দ মহসিন আলী গানের পাগল ছিলেন এনিয়ে তাকে জীবদ্দশায় অনেক কটূক্তি-সমালোচনার মুখে পড়তেও হয়েছে। তিনিই পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র মন্ত্রী যিনি, সন্ত্রাসীদের উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ‘নাশকতাকারীদের দেখা মাত্রই গান শুনিয়ে দিবো’
১৪. সৈয়দ মহসীন আলী সেই ব্যাক্তি যিনি অসুস্থ হওয়ার পর চিকিত্‍সার জন্য সিঙ্গাপুর যাওয়ার সময় বাড়ির পরিচালক জনিকে বলেন ‘জনি তুমি এখানে? এখনি বাসায় যাও। আমার রোগীরা যেন সুচিকিৎসা পায়, তাদের যেন যত্নের কমতি না হয়। সেদিকে খেয়াল রেখো।’
১৫. সৈয়দ মহসিন আলী এমনই উদার ছিলেন যার কারণে এখন নিজ এলাকার বাড়িতে এসে হাজার হাজার মানুষ অশ্রু ঝরিয়ে যাচ্ছেন।

তথ্যঃ kalerkantho
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাষ্ট্রভাষা নিয়ে জিন্নাহর সেই ভাষণ। কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১০


জিন্নাহর সেই ভাষণ
সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে ভাষা আন্দোলন নিয়ে জিন্নাহর একটি বক্তব্য যাতে দাবী করা হচ্ছে তিনি নাকি আমাদের ওপর উর্দু যেভাবে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বলে এতকাল “প্রচার”... ...বাকিটুকু পড়ুন

গালিব সাহেব, মিথ্যারও তো একটু সামাজিক মর্যাদা আছে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩



মির্জা গালিব বলেছেন -
“পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে। আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে, যেটা পানশালা।”

গালিব সাহেব, আপনার কথায় যুক্তি আছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাউঞ্জ এন্ড ফুড রিভিউ; দ্যা সেন্স

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২


নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অধরা বালিকা

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮




লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×