
বাংলাদেশের মায়েদের জন্য এটা এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। অনেকেই এটাকে নিয়ে বলতেছে, এই আইনের ফলে অবাধ যৌনতা বেড়ে যাবে। কিন্তু এর উল্টোটা ভাবে না। একটি মেয়ের বিয়ে হবার ৫-৭ মাস পরে যখন তার স্বামী পালিয়ে যায়। যৌতুকের অভাবে যখন শ্বশুর বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। তারপর মা এ বাড়ি ও বাড়ি কাজ করে, নিজের যৌবনরে বিসর্জন দিয়ে সন্তাকে বিদ্যালয়ে পড়ায়। ফরম পূরণের সময় ঠিকই ওই জানোয়ার, কাপুরুষের নাম দিতে হয়। এটা নিয়ে কারো মাথাব্যাথা নেই। মহামান্য উচ্চ-আদালত কে সম্মান জানাই এই ধরণের যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য। সেই সকল মায়েদের নিজস্ব একটি পরিচয় অর্জিত হল।
অবাধ যৌনতা বলতে কি বুঝায় এরা জানিনা। এই আইনের ফলে হয়তো বাচ্চা নষ্টকরণ প্রক্রিয়া কমবে কিন্তু যৌনতা এতদিন যেরকম ছিলো সেরকমই হবে। মেয়েরা তাদের বাচ্চা নষ্ট করা থেকে বিরত থাকবে। এবং নিজের মত করে পালন করতে উৎসাহী হবে, তাদের পরিশ্রমের একটা মর্যাদাপূর্ন সুফল পাবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




