
কবি সাহিত্যিক বসে আছে সোফার মাঝে এক পাশে,
তার বিপরীত পাশে বসে আছে এক দল সাংবাদিক,
অনেকটা জায়গা নিয়ে বসে আছে
বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন প্রফেসর।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটা তরুণ ছাত্র
দাড়িয়ে আছে সোফা ও দরজার পাশে।
আজ এইখানে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইবে।
বেরিয়ে আসবে সমাজ পুনঃগঠনের নানান উক্তি,
বেরিয়ে আসবে মানবতার কথা,
মানুষের অধিকারের কথা।
আলোচনা আর সমালোচনার তর্ক,
এই চার দেয়ালের মাঝেই শেষ হয়ে যাবে।
যখন বাইজি ফরেনি মদের বেতল পরিবেন করবে,
এক গ্লাস দু গ্লাস করে চলছেই তো চলছেই বিরামহীন।
কবি সাহিত্যক চলে যাবেন
তার কবিতা ও সাহিত্যর থিম নিয়ে,
সাংবাদিক চলে যাবেন
তার নতুন নিজ বের করার উদ্দেশে,
পরদিন সেজেগুজে প্রফেসর বেরিয়েন যাবেন
ছাএদের কে নীতি বাক্য শেখাতে।
সব গাদারাই এক এক করে চলে যাবেন,
বাকি রইল কে?
অবশ্য বাকি রইল কম বয়সের
পায়ে পায়েল পড়া সেই বাইজিটা।
তার কি হবে ?
তার জীবন কি বাইজির কাজ করেই যাবে ?
বাইজি কি শুধু বাইজি না তার
সন্তানের মুখে মা অথবা আম্মু বলে ডাক শুনে?
বাইজিদের কি সন্তান থাকে?
সে বড় হয়ে শুনবে তার মা বাইজির কাজ করতো,
পায়ে পায়েল পড়ে,
হাতে পরিবেশ করতো মদের গ্লাস।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০১৬ দুপুর ১২:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



