somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Happy Teachers Day

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি ছাত্র হিসেবে কখন আহামরি ছিলাম না। তবু ও টেকনিক্যাল ইউনিভারসিটি তে পরাকালিন কেমনে যেন প্রথম ২ সেমিস্টার ফাস্ট হয়ে গেলাম। টেকনিক্যাল ইউনিভারসিটির একটা সুবিধা আছে, প্রথম ১/২ সেমিস্টার ফাস্ট হলে সব টিচার মুখ চিনে ফেলে, ভাইভা তে মার্ক পেতে সমস্যা ই হ্য় না।২ সেমিস্টার এর পর পরাশুনায় মনোযোগ ছুটে গেলো। না চাইতে ই সব সাফল্য হাতের মুঠোতে আসায় কোন কিছুর ই মূল্য ছিল না আমার কাছে। ছিটকে পরলাম মেরিট লিস্ট থেকে। প্যারাসাইটোলজি বিভাগের এক টিচার ভাইভা বোর্ড এ পরা জিগ্গেস না করে ঘন্টার পর ঘন্টা আমাকে বুঝাতো কেন পরাতে মনযোগ দিছ্ছি না।ভাইভা বোর্ড থেকে বের হবা মাত্র সকল ছাত্র ঘিরে ধরত ..এতক্ষন ধরে কি জিগ্গেস করল। আমি মুচকি হাসি হাসতাম। আপনার সেই মোটিভেশন আমি এখন ও ভুলি নি। কিছু সময় পর আমি ঘুরে দাড়াই। এরপর অনেক চড়াই উৎরাই। আমার প্রফেশনে এখন আমি সাফল্যের সাথে ই কাজ করে যাচ্ছি।কিন্তু আপনার সেই সময়কার বানী আমি এখন ও ভুলিনি।

জেনেটিকস ডিপার্টমেন্টে একবার প্রিপারেশন ভাল নেই বলে লিখিতো পরিক্ষায় অংশগ্রহন করলাম না। ভাইভা তে অংশগ্রহন করলাম। আইডেন্টিফিকেশন, টার্ম পরিক্ষা, আর এটেনডেন্স মিলে এ প্লাস এর মার্ক হয়ে ই গেছে। ভাইভা তে এক মার্ক দিলে ও চলে। যেহেতু লিখিতো পরিক্ষায় অংশ নেই নি তাই কোন প্রশ্নের ই উত্তর দিতে পারিনি প্রিপারেশনের অভাবে। স্যার ফেল করালো। স্যার কে হাসতে হাসতে ভাইভা বোর্ড এ ই বলি, পরের বার আপনি ই আমাকে সর্বোচ্চ মার্কস দিবেন। তিনি পরের বার আমাকে যা যা প্রশ্ন করলেন কাকতলিয় ভাবে সব প্রশ্ন ই আমার কমন পরল। হাসি মুখে আমার দিকে চেয়ে বল্লেন, এই শেষ প্রশ্নের উত্তর পারলে তোমাকে সর্বোচ্চ মার্কস দিব।সেটাও কমন পরে গেল।সব প্রশ্নের উত্তর পারলে ই যে তাকে সর্বোচ্চ মার্কস দিতে হবে এমন কথা নেই। একবার বিসিএস ভাইভা তে আমাকে শুধু মাত্র একটা ই প্রশ্ন করল। ইংরেজি তে নিজের সম্পর্কে ৫ টা বাক্য বলো। আমি প্রশ্ন শুনে খুব ই অপমানিতো হলে ও সামলে উত্তর দিয়েছিলাম।তবু ও সেই বিসিএস আমার হয়নি।

পরে চিন্তা করে দেখলাম জেনেটিকস ডিপার্টমেন্টের স্যার আমার কনফিডেন্স কে মূল্যায়ন করে ই হয়ত ভাল মার্কস টা দিয়েছেন অথবা প্যরাসাইটোলজির জামাল স্যার হ্য়ত ভেবেছিলেন এই ছেলের এখানে ই সমাপ্তি নয়, সে আরো বহুদুর যাবে। আজকালকার টিচারদের ছাত্র দের অবজারভেশনের সময় নাই। ছাত্র দের ভবিষ্যৎ দেখবার চোখ নাই। অবনত মাথায় সম্মান জানাই তোমাদের মতো শিক্ষক দের।

Happy Teachers Day !!!
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:২৯
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×