বাংলাদেশের রাজনীতি কয়েকটি শব্দের আবর্তে জীবিত।স্পেশালি বাম ঘরনার রাজনীতি,বাম বুদ্ধিজীবীদের এবং আওয়ামী রাজনীতির খাদ্য ও পুষ্টির মূল উৎস এই শব্দ সমূহ।স্বাধীনতা,মুক্তিযুদ্ধ আর রাজাকার এই শব্দে আবর্তিত হচ্ছে বাংলাদেশের সরকার আর রাজনীতি।
পিকে মুভির মত এই ঘরনার শক্তি নিজদের পড়তির সময় কিংবা অসহায়ের মুহূর্তে মুক্তিযুদ্ধ নামক ঢাল দিয়ে ব্যাংক,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,রাস্তা-ঘাট,ভোট,গণতন্ত্র এবং সংসদ সব খেয়েও আজো বিজয়ী শ্রেষ্ঠ বীর।
বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে বড় গুন বা দোষ যাই বলি তা হল সরলতা আর বিশ্বাস করার প্রবণতা।রাজনীতিবিদরা এর সুযোগ নিয়েছে এবং নিচ্ছে।আর এই সুযোগের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী অংশ হল মুক্তিযুদ্ধ নাম বিক্রি করা অংশ।ঢাকের ঢোল পিটিয়ে বিষয়টিকে দিন কে দিন এমন ভাবে প্রচারনা চালিয়ে এমন স্পর্শকাতর বানিয়েছে যে দেশ কে শেষ কিংবা শেষ কে দেশ বানিয়েও তারা বাঁকে পড়লেই এই বিষয়টিকে সামনে এনে সব কিছুকে মুছে দেয় ফুঁ দিয়ে।
এরকম বিজয়ের ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ রাজাকার তালিকা করে বিজয়ের আবারো হাসি শেষ পর্যন্ত এমন বিজয় হল যে তাকে লজ্জাকর বিজয় বলতেই হয়।
অসংলগ্ন,সমন্বয়হীন কথাবার্তা এই লজ্জায় “উপর ঢাকি না নিচ ঢাকি” এমন হীনকর পরিবেশকে আরও উসকে দিয়েছে।শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যাক্তিকে দুই হাত দিয়ে লজ্জাস্থান ঢেকে দিয়ে তালিকাটিকেই স্থগিত করার নির্দেশ দিতে হয়েছে।
আবার “চোর ধরা পড়েছে নিজের জালে” ঠিক এরকম ঘটনার উদ্ভব অনেক সাজানো সংসারে কেমন যেন কুল কাঠের আগুনও ধরিয়ে দিয়েছে।
রাজাকারের সমার্থক শব্দ জামায়াতে ইসলামীর ২৫ জন মৃত সহ মত ৩৭ জন রাজাকারের বিপরীতে আওয়ামীলীগের ৮০২৪ জনের তালিকা “ভুতের মুখে রাম রাম” বললে কি বেশী বলা হবে ?
পেঁচা দিনের আলোতে আন্ধা হয়ে যায় তেমনই সত্যের মুখোমুখি হলে আওয়ামীলীগ বেসামাল হয়ে যায়।রাজাকার তালিকাও তাদের বেসামাল করে দিয়েছে।যদিও লজ্জিত তারা কখনোই হয় না।
এখন অপেক্ষা স্বাধীনতার মাসের।৬০ কোটি টাকা বেড়ে পদ্মা সেতুর স্প্যান এর মত আরও কত বাড়ায় এবং কি কি দৃশ্যমান হয় তাই বসে হিসেব করি।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


