দু'পংক্তিতে সমগ্র পরিচয়,তুমি গাঢ় হয়ে নামো
অবশ্য স্বরণীয় কিংবা অব্যাবহার্য পুঁতি দুর্গন্ধময়
ভোগ কী-সব অমীমাংশীত বোধে
এলোমেলো করে দেয় ফাল্গুন দিন
অবসর নেই,উড়ে যাই চৈত্রের শিমুল তুলায়
হাতের তালুতে ঠেকেছিলো জানু
পরিত্যাক্ত পাঠ্য বইয়ের মতো অস্তিত্য প্রাচীন তাকে রাখা
তোর স্বপ্ন বকের চঞ্চুর মতো আমার চোখ গেলে দেয়
তার নিমগ্ন মনে যন্ত্রনা চুবিয়ে বৈধব্যের গান শিখিয়েছি
অস্থির ধুলো ওড়া অথবা কৃষকের কাদা মাখা পায়ের আন্দোলনে
স্নেহাতুর প্রাদেশিক ভাষায় প্রকাশিত যে আকুতির
অবিবেচ্ছেদ্য প্রেম
প্রশ্ন তুলে আনো-
আপেক্ষিক সব বিজোয়ল্লাস আজ আগাছা-মূলত হিসেব কষি
বেদনার সারমর্ম;আক্ষেপ-তাবৎ পরাজয়
তুমিই লজ্জার শিরোনাম দিয়ে দাও
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




