জনগন তাদের একজন প্রিয় নেতাকে রাষ্ট্রের সর্বচ্চ আসনে বসায়,কেন?জনগন কি চায় তার নিকট থেকে?রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব মানে কি?
এটা কি কোনো ছেলেখেলা,নাকি জনগনের কল্যান সাধনের জন্য স্রষ্টার পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিরাট আমানত?
এসব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের আর্টিকেল।
জনগন কেন তাদের একজন প্রিয় নেতাকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব প্রদান করে?
একটা রাষ্ট্রে মানুষ ছাড়াও বসবাস করে আরো অনেক প্রানী।মানুষের মধ্যে যেমন লিডার আছে,তেমনি অন্যান্য প্রানীর মধ্যেও আমরা লিডার লক্ষ করি।যেমন পিপিলিকাদের একজন লিডার থাকেন, মৌমাছিদেরও লিডার বা নেতা আছে।এরককমভাবে আরো অনেক প্রানীরা তাদের লিডার বা নেতা নির্বাচন করেন।
এখন প্রশ্ন হলো কেন লিডার বা আমির নির্বাচন করা হয়,লিডার বা আমিরের দায়িত্ব কি?তিনজন মুসলমান একত্রিত হলে তাদের মধ্যে একজন লিডার বা আমির অবশ্যই বানানো হয়।অন্যথায় শয়তান হয় তাদের আমির।
একজন লিডার তার সংশ্লিষ্টদের অভিভাবক হয়ে থাকেন,হয়ে থাকেন পরিবারের প্রধান বা খুব কাছের একজন মানুষ।
হাদিস শরীফে আছে,শুনে রাখো, তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্ব প্রাপ্ত,এবং প্রত্যেককে তার দায়িত্ব বা কাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।(অর্থাৎ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে কিনা, এটা জিজ্ঞেস করা হবে।
কোনো একজন নেতাকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব প্রদান করা হলে,তার হাতে অনেক কঠিন বোঝা অর্পিত হয়।যদি কেউ জানত এই বোঝা কত ভারি তাহলে কোনোদিনও কেউ তা ইচ্ছা করে গ্রহন করতোনা।
একজন রাষ্ট্র প্রধানের কাছে জনগনের পাওনা হক—
১।জনগনের মৌলিক অধিকার বা মৌলিক চাহীদার দিকে আগে লক্ষ করা যে,তা জনগন পাচ্ছে কিনা?
২।জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ধর্ষন খুন এগুলো রোধ করা।
৩।জনগনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, ধর্মীয় স্বাধীনতা,ব্যাক্তি স্বাধীনতা ইত্যাদি।
৪।জনগনকে সু শিক্ষার সুযোগ করে দেওযা।কু শি্ক্ষা রোধ করা।
৫।জনগনের বাসস্থান, কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।এং রাষ্ট্রের কাঠামোগত উন্নয়ন করা।
এতটুকু কাজও যদি কোনো সরকার সুষ্ঠু ভাবে করতে পারে তাহলেও জনগন শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
কিন্তু আজকে আমরা দেখি,উপরোক্ত সবগুলো মৌলিক পয়েন্টে সরকারের ব্যার্থতা রয়েছে।জনগন তাদের মৌলিক অধিকার পাচ্ছে না,নিরাপত্তা পাচ্ছেনা,যেখানে সেখানে নিরীহ মানুষ খুন হচ্ছে দিন-দুুপুরে মানুষের সামনে,অথবা রাতের আঁধারে। সরক দুর্ঘটনা রোধ করা যাচ্ছে না। মনে হচ্ছে রাষ্ট্র নিয়ে সরকারের যেমন ভাবর কথা তিনি তেমন ভাবতে পারছেননা।একজন মানুষ কম ঠেলায় আইন নিজের হাতে তুলে নেয়না।
এখন তাহলে করনীয়—
১।মৌলিক চাহিদাগুলো সহজলভ্য করতে হবে।
২।নিরাপত্তা ব্যাবস্তা জোরালো এবং কঠিন করতে হবে,অপরাধী র শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অপরাধী ধরার জন্য পুরো দেশকে সিসিটিভির আওততায় নিয়ে আসতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





