somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অন্তরে সুধু তুমি (দৃশ্য —১৩)ইহা একটি রুপক চরিত্রের শিক্ষনীয় উপন্যাস

১২ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ২:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ডালিম গাছের মধ্যে রফিক আল্লাহর বিস্ময়কর নিদর্শন প্রত্যাক্ষ করার পর সে কুটিরে প্রবেশ করে,জ্বাল এবং বরশী সংগ্রহ করে,এবং বিকালে নদীর দিকে ঘুরতে যায়।সেখানে নদীতে গিয়ে কিছু মাছ ধরে।মাছগুলো বাসায় নিয়ে আসে।এগুলো তার াাতের খাবার এবং সেহরির সময় কাজে লাগবে।
মাছের দিকেও গভীরভাবে লক্ষ করে,এবং এলমে মারেফত এবং আল্লাহর বিস্ময়কর নিদর্শন লক্ষ করে।
মাছ যেন অনুভবের ভাষায় রফিকের সাথে কথা বলছে।

রফিক :হে মাছ!তুমিতো ছোট একটি মাছই, কিন্তু তোমার ভিতর আল্লাহ তায়ালা কতকিছু ফিট করেছেন আমি অবাক না হয়ে পারিনা!

মাছ:(কোনো কথা না বলে চুপ থাকে)

রফিক :কি হলো!কিছু বলো।যেন আমার একাকিত্বের ভয় বিদূরিত হয়।নাকি গোস্বা করেছো,আমার হাগে আটকা পড়ে।

মাছ :না! আমি মোটেও রাগ করিনি।বরং আমি আনন্দিত যে একজন আরিফের পেটে যেতে পারবো,একজন আল্লহর অলীর কাজে আসবো এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু আমার জন্য হতে পারেনা।কিন্তু চুপ থেকেছিলাম বন্ধুর কথা মনে করে যে ঠিক কথাই বলেছিলো।

রফিক :বন্ধু!কোন বন্ধু!! কি বলেছিলো?

মাছ:আমি যখন তোমার পেতেরাখা বরশীর টোপ গিলতে যাবো তার আগ মুহুরাতে বন্ধু আমাকে সতর্ক করেছিলো।বলেছিলো এই টোপ খেয়োনা এই টোপে বিপদ রয়েছে।কিন্তু আমি বন্ধুর কথা শুনিনি।খেয়ে ফেেলেছি।এবং আজকে তোমার হাতে ধরা পরেছি।কিন্তু ধরা পরে আমি দুঃখিত বা বিচলিত নই।কারন আমাকে এসজন আরিফ ধরেছে!অনন্ত আল্লাহর কোনো নাফরমানের পেটে যেতে হবেনা।

রফিক!:আচ্ছা বন্ধু তোমাকে কি উপদেশ দিয়েছিলো। আমাকে একটু শুনাবে।

মাছ!: অবশ্যই শুনাবো রফিক :কারন তার মধ্যে তোমার মকো একজন আরিফের জন্য অনেক শিক্ষার উপকরন লুকিয়ে আছে।আমি বলছি শুনো—

বন্ধু মাছ :এইযে ভাই কাতল! তুমি এই খাবার খেয়োনা।এই খাবার বাহিরে চমৎকার দেখা গেলেও ভিতরে ফাঁদ এবং বিষ লুকিয়ে আছে।
কাতল :আচ্ছা! এই খাবারের ভিতরে বিষ লুকিয়ে আছে।কিন্তু মশাই!কথা হলো তুমি তা কিভাবে জান্ত পারলে। আমাকে বাঁধা দিয়ে তুমি খাবে,তোমার এই হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে আমাকে বাঁধা দিচ্ছ।আমি কি তোমার মতন নাদান!আগে খেয়ে নেই পরে কথা বলি তোমার সাথে।কি চমৎকাতর একটি খাবরকে তুমি ফাদ এবং বিষ বলছ!

বন্ধু মাছ :না ভাই।আমি খাওয়ার জন্য তোমাকে বাঁধা দিচ্ছিনা।তুমিই তো দেখো কিভাবে আমি এসমস্ত খাবার থেকে পলায়ন করি।আমার কথা একটু শুনো ভাই!তুমি এই খবার খেয়োনা।

কাতল : কেন এই খাবারে কি এমন বিপদ রয়েছে?তাছাড়া এই বিপদ তুমি জানতে পারলে ;আমি কেন জানতে পারলাম না।

বন্ধু মাছ :আমার অভিজ্ঞতা আছে ভাই!এজন্য আমি জানি কিন্তু তুমি জাননা।
শুনো তাহলে বিস্রিত বলছি—

আমিও একদিন তোমার মতোই ক্ষুদার্থ ছিলাম।হঠাৎই সামনে দেখি লোভনীয় এক প্রকার খাদ্য ঝুলতেছে।আমি লোভ সামলাতে না পেরে সেই খাবার গিলে ফেললাম। হঠাৎ উপর থেকে কে যেন হেঁচকা টান মারল।এমন জোরে টান মারল যে মুখের এক কোনা ছিড়ে আমি পানিতে পরে গেলাম।এই দেখো মুখে এখোনো দাগ আছে।

আমি বিদ্যুৎ চমকানোর মতো অল্প সময়ের জন্য উপরের দৃশ্য দেখে ফেলেছি,কিন্তু তুমি তা দেখোনি।এজন্য আমার হাক্কুল ইয়াকিন হ'য়ে ছে যে এই খাবর অবশ্যই আটকানোর ফাঁদ ছাড়া কিছুনা।

কাতল মাছ :আচ্ছা!উপরে তুমি কি দেখেছো!
বন্ধু মাছ :মাথা মোটা কোথাকার।এত কথা না বলে এই খাবার তুমি খেয়োনা।

কাতল মাছ :শুনতে আমি খুবই আগ্রহী,উপরে তুমি কি দেখলে?

বন্ধু মাছ :উপরে বিদ্যুৎ চমকানোর মতো অল্প সময়ের জন্য যা দেখলাম তা খুবই ভয়ংকর।
দেখলম
গোলমাথা বিশিষ্ট একটি প্রানীর দুটি হাত রয়েছে।মাথার মধ্যে কপালের নিচে দুটো চোখ আছে।তোমার মতোই গোলগাল।তবে আর একটু বড় হবে,এবং ফটকাইয়ে পানির দিকে অপলক চোখে তাকিয়ে আছে।
একহাতে একটি লাঠি,এবং লাঠির মাথায় সুতোর সাথে বাঁধা শিকে এই সুস্বাদু খাবার। যা খেয়ে আমি বিপদে পরেছিলাম।

কাতল মাছ : আচ্ছা। তোমার এই বানোয়াট কিচ্ছা কাহীনি থামাও।আমি একন খুভই ক্ষুদার্থ। আমাকে এটা ক্ষেতেই হবে।তুমি একটি জঙ্গি এবং মৌলিকবাদি অথবা মৌলবাদি মনে হচ্ছে।তোমরা সমাজের জন্য বোঝা।তোমাদের জন্য আমরা সুস্বাদু সব খাবার খেতে পারিনা,স্বাধীন ভাবে চলতে পারিনা।
একথা বলেই আমি টোপ গিলে ফেললাম,যেকারনে, হে রফিক তোমার হাতে ধরা পরলাম।

(রফিক মনোযোগ দিয়ে মাছের কথা শুনছিলো।সত্যিই তো এটা শিক্ষনীয়)

রফিক :হে মাছ!তুমি সত্যিই আজকে আমাকে মূলবান শিক্ষা দিলে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ২:০৮
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ১৭৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৩



শীত শেষ। ঢাকায় শীত শেষ।
এখন রাতে ফ্যান ছেড়ে ঘুমাতে হয়। গ্রামে শীত কেমন জানি না। তবে ঢাকায় শীত চলে গেছে। মাত্র কয়েকটা দিন শীত পেলাম। অবশ্য কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

=খালি হাতেi যেতে হবে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৫


যতই করি বাহাদুরি
যেতে হবে খালি হাতে
রয়ে যাবে বিত্ত বৈভব
যাবে না তার কিছু সাথে।

হিংসা বিদ্বেষ আর অহংকার
মনে নিয়ে জীবন কাটাই
হায় বুঝি না আমরা ঘুড়ি
অন্য কেহ ধরছে নাটাই।

সুতাতে টান পড়বে যখন
সকল ছেড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুজিব থেকে সজীব ........‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪৪



প্রায়ই অমুক তমুক অক্সফোর্ড, কেমব্রিজ,হাভার্ডে পড়েছে বলে হাইপ তোলা হয় বাংলাদেশের রাজনীতিতে... ভাবখানা দেখানো হয় এমন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এসব প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ কখনো আসেনি। অথচ বাংলাদেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতা এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪৪


বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ এবং সম্পৃক্ততা সাম্প্রতিক সময়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ঘটে যাওয়া কূটনৈতিক বৈঠক এবং আলোচনাগুলো বিশ্লেষণ করলে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে আমেরিকান কূটনীতিকদের প্রধান কাজ কী?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮


ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত খবরের প্রেক্ষাপটে এই লেখা। ফাঁস হওয়া অডিও রেকর্ডিং অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে একসময়ের নিষিদ্ধ জামাতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। সেখানে উল্লেখ আছে, আসন্ন নির্বাচনে দলটি ইতিহাসের সবচেয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×