somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি টিভি বিজ্ঞাপণ এবং পাশে ফ্ল্যাটের মেয়েটির সাথে আমার সফল প্রেমের গল্প

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দুবার কলিংবেল বাজালাম । তারপর একটু বিরতি নিলাম । অপেক্ষা করছি কেউ দরজা খুলবে । কিন্তু সেই কাঙ্খিত মানুষটা কি দরজা খুলবে ?
কে জানে ?
যখন আমাদের মালপত্র তুলছিলাম তখন মেয়েটিকে দেখেছিলাম এই ফ্ল্যাটে থেকে বের হতে !
যদি মেয়েটার মা অথবা কাজের লোকটি দরজা খুলে ? তাহলে তো ধরা খেয়ে যাবো ! যা যা ভেবে এসেছিলাম তার কিছুই হবে না !
নিজের মনকে বোঝালাম, নাহ ! বিপরীত দিক দিয়ে আগে কেন ভাবছো ? সব কিছু পজেটিভ ভাবো ! পজেটিভ চিন্তা কর তাহলে ঘটনা ঘটবে পজেটিভ ! বলতে বলতে দরজা খুলে গেল । এবং অবাক হয়ে দেখলাম আমার পজেটিভ চিন্তার ফল পাওয়া গেছে । মেয়েটিই দরজা খুলছে ।
সাদা আর আকাশী রংয়ের একটা সেলোয়ার কামিজ পরা , কানে হেড ফোন চেহারায় একটা বিরক্তির ভাব । বড্ড অসময়ে কেউ চলে এসেছে এমন একটা অভিব্যাক্তি ।
মনে মনে ভাবলাম চায়ের ঐ বিজ্ঞাপনে তো ঠিক এই রকমই ঘটেছিল । প্রথমে তো এমনই হবার কথা । মেয়েটার চোখে এবার একটু জিজ্ঞাসার চিহ্ন ফুটে উঠল । তার মানে জানতে চাইছে আমি কে এবং কেন এসেছি । একদম মিলে যাচ্ছে । এবার আমার ডায়লক বলার পালা । বললাম
-আমরা আপনাদের পাশের ফ্ল্যাটে পরশু এসেছি । শুনলাম ছাদের চাবিটা নাকি আপনাদের কাছে । আমার একটা পাখি আছেতো পাখিটাকে বেড়াতে নিয়ে যাবো !
যদিও ডাহা মিথ্যা কথা । আমার কোন পাখি টাকি নাই । ঐ বিজ্ঞাপনটাতে এমন কথা ছিল । আর সামনে কথা আগানোর জন্যও এই পাখির ব্যাপারটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ।
একটু মনে হল সমস্যা হল । এই পর্যায়ে মেয়েটির মুখ একটু নমনীয় হওয়া উচিত্‍ । কিন্তু মেয়েটির মুখটা আরো শক্ত হয়ে গেল । আমিতো ভাবলাম মেয়েটি আমাকে অন্য কিছু না বলে । কিন্তু শক্ত মুখেই বলল
-এক সেকেন্ড ।
একদম সব মিলে যাচ্ছে । মেয়েটা ঘুরে ভিতরের দিকে হাটা দিল । নিশ্চই চাবি আনার জন্য । আমি ঘরের ভিতর উকি ঝুকি দিতে লাগলাম । এখন মেয়েটা আমাকে এভাবে ঘরের ভিতর উকিঝুকি মারতে দেখে নিশ্চই বলবে ভিতরে এসে বসতে পারেন । আসলে ভদ্রতার খাতিরে হলেও অন্তত এটা বলা উচিত্‍ । কিন্তু এই মেয়ে দেখলাম একদমই ভদ্র না । একবার পিছনে ফিরেও তাকালো না ।
আশ্চর্য ফাজিল মেয়েতো !
ঘরের ভিতরে না ঢুকলে তো বাকি কাজটুকু হবে না ।
এখন ?
আসলে প্রথমেই ভাবা দরকার ছিল । সবকিছুই যে টিভির ঐ বিজ্ঞাপনের মত হবে এমন কোন মানে নেই । এই মাসেই আমরা এই বাড়িতে ভাড়ায় এসেছি । তিনদিন আগে । যদিও মেয়েটাকে বললাম পরশু দিন কথার সুবিধার জন্য আর কি ! এই তিনদিন ঘর সাজানো গোছানোর কাজেই কেটে গেল । আজকে একটু ছাদে যাওয়া দরকার । নতুন এলাকায় আসলাম ছাদ থেকে দেখতে হবে না কোন জায়গায় কি আছে !
মানে নিশ্চই বুঝেগেছেন আমি কি বোঝাতে চেয়েছি ।
বাড়ীয়ালী আন্টির কাছে ছাদের দরজার চাবি আনতে গিয়েই জানতে পারলাম যে চাবিটা আছে আমাদের পাশের ফ্ল্যাটের পরিবারটার কাছে । আরো জানতে পারলাম আমাদের পাশের ফ্ল্যাটে যে পরিবারটা থাকে তাদের একটা মেয়ে আছে । মেয়েটা প্রায়ই নাকি ছাদে উঠে । চাবিটা তার কাছেই থাকে ।
এসব শুনেই আমার চোখের সামনে সেই চায়ের বিজ্ঞাপনটার দৃশ্য ভেসে উঠল । একদম সব কিছু মিলে যাচ্ছে । এখন কেবল ঠিকঠাক মত সব কিছু হলেই হয় ।
ঐ তো মেয়েটা ফিরে আসছে । সাথে চাবি । আমার দিকে চাবিটা বাড়িয়ে দিতে দিতে বলল
-আপনি নিশ্চই আশা করছেন আমি জানতে চাইবো কি পাখি । আপনি বলবেন ময়না পাখি, ক্লাস টু তে পড়ে । তাই না ?
আমি একু অবাক হলাম ! একটু বোকার মত হাসার চেষ্টা করলাম কিন্তু খুব বেশি লাভ হল বলে মনে হল না । মেয়েটি কঠিন গলায় বলল
-এই সস্তা ট্রিকস অন্য কারো সাথে দেখাবেন । আমার সাথে না । আর যারা পাখি খাচার ভিতর আটকে রাখে তাদেরকে আমি দুচক্ষে দেখতে পারি না । চাবি নিতে এসেছেন চাবি নিয়ে চলে যান ।
মেয়েটি চাবিটা আমার হাতে দিয়ে মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিল । আমি চুপচাপ চাবি নিয়ে চলে এলাম । আসলে আমার বোঝা উচিত্‍ ছিল মেয়েটার ঘরেও টিভি আছে । মেয়েটাও নিশ্চই টিভি দেখে ।
এই মেয়ে আর পটবে বলে মনে হয় । দেখি অন্য কোথাও লাইন মারতে হবে !!

মেয়েটি সাথে দুদিনপরেই দেখা হল । ছাদে উঠছিলাম খুব সকালবেলা ! আমার আবার সব সময় খুব সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠার অভ্যাস । সিড়ি ঘরে পা রেখেছি মনে হল কেউ যেন গান গাচ্ছে !
এতো সকালে ! আমি সিড়ি ঘরে দাড়িয়েই কিছুক্ষন গান শুনলাম !

ফুল ফোটে ফুল ঝরে ভালবাসা ঝরে পড়ে না
রাত যায় দিন আসে সে তো ফিরে আসে না !

কোন শিল্পীর গান যেন এটা ! ফাহমিদা নবীর বড় বোন ! কি যেন নাম টা ? নাহ মনে পড়ছে না !
কে গো ?
আমি ছাদে উঠে এলাম ।
মেয়েটি ! একদম ছাদের কিনারে দাড়িয়ে আছে ! আওয়াজ পেয়ে চুপ করে গেল ! কি মনে হল আমি মেয়েটার দিকে এগিয়ে গেলাম । কালকে মেয়েটার মুখটা যেমন শক্ত ছিল আজ সেই রকম নেই ।
-এতো সকালে উঠেন আপনি ?
মেয়েটি আমার দিকে তাকিয়ে রইলো কিছুক্ষন ।
-আপনিও তো দেখছি অনেক সকালে উঠেন !
-হুম ! সকাল বেলার বাতাসটা দিয়ে দিনের শুরু হলে পুরো দিনটা ভাল যায় !
-আচ্ছা !!
-আসলে আমি মনে মনে আপনাকেই খুজছিলাম ।
-কেন ?
-সেদিন আপন বলেছিলেন না পাখি আটকে না রাখতে !
-আমি তো এমন কোন কথা বলি নি । বলেছিলাম যে যারা পাখি আটকে রাখে তাদের কে আমি দুচোক্ষে দেখতে পারি না ।
-ঐ একই কথা আর কি ! আমি পাখি টা ছেড়ে দিয়েছি !
-আচ্ছা !! কেন আমি যাতে আপনাকে চোখে দেখতে পরি ! তাই !
আমি বিগলিত হাসি দিলাম ।
মেয়েটি বলল
-অপু সাহেব আমি আর এক শ্রেনীর লোককেও দেখতেও পারি না ।
-কাদের ?
-যারা মিথ্যা বলে ! আমি কাল আপনার ছোট বোনের সাথে কথা বলছিলাম । সে বলল যে আপনাদের কোন ময়না পাখি নাই !

নিলুর উপর এমন মেজাজ খারাপ হল । মনে হল একটা থাপ্পর দেই !
-শুনুন অপু সাহেব আপনি সময় নষ্ট করছেন ! কোন লাভ হবে না !
মেয়েটি আর দাড়াল না !

আমি এভাবে দুদুবার ধরা পরে যাবো ভাবতে পারি নি !
মেয়েটি সাথে আরো কয়েকবার কথা বলার চেষ্টা করলাম কিন্তু কোন কূল কিনারা হল না ! এই মেয়ে মনে হচ্ছে আমার বাগে আসবেই না !
এই মেয়ের পিছনে আর সময় নষ্ট করব না ! দুনিয়াই কি আর কোন মেয়ে নাই ! আমি খোজ নিয়েছি এই মেয়েটি ঠিক নিচ তলায় আর একটি মেয়ে থাকে ! কলেজে পড়ে !
সেই মেয়ে খুব সহজে পটবে ! নীলুর সাথেই পড়ে । নিলু বলছিল কি যেন নাম ! মীম মনে হয় ! এই মেয়ের জান্নামে যাক !!

একমাস পরের কথা !!

সকালবেলা নিলু বলল
-ভাইয়া , আনুশেখা আপু তোমাকে ফোন করতে বলেছে !
-আমি ফোন টোন করতে পারবো না ! তার দরকার হলে সে করবে !
আনুশেখা হল আমাদের পাশে ফ্ল্যাটের মেয়েটির নাম !
মেয়েটির পেছনে আমি ঘোরা বন্ধ করে দিয়েছি ! এমন বেশি সময় মীমের সাথেই কাটে ! ছাদে সকাল বেলা একসাথে সাথে গল্প করি ! চটপটি খাই !! জীবন মন্দ না !!

একদিন নিলু এসে আমাকে বলল
-তুই মীমের সাথে কেন ঘুরিস ?
-কেন কি হয়েছে ?
-ঐ মেয়েটা ভাল না । এলাকার বেশ কয়েকটা ছেলের সাথে মীমের রিলেশন আছে ! তুই এসম কেন করছিস !
-তুই কিভাবে জানলি ?
নিলু একটু চুপ করে বলল
-আনুশেখা আপু বলেছে !
আমি মনে মনে একটু হাসলাম । তারপর নিলুকে বললাম
-যে বলে বলুক ! আমি এসব কান দেব না ! আমার যার সাথে ভাল লাগে তার সাথে কথা বলবো ! তোর কি ! আর তোর আপুরই বা কি ? সামনের থেকে দুর হ !
নিলু আর কিছু না বলতে পেরে চলে গেল । ইদানিং দেখছি আনুশেখার সাথে নিলুর খুব ভাব হয়েছে ! আমাদের বাড়িতে প্রায়ই প্রতিদিনই আসছে ! আমার সাথে দেখা হয় ! এমন ভাব করি যেন চিনি না ! আসলেই যেখানে কোন লাভ নাই সেখানে আমি সময় নষ্ট কেন করবো ?

-হ্যালো ! কে ?
কিছুক্ষন নিরবতা ! আমি জানি আনুশেখা ওপাশে লাইনে আছে !
-আমি আনুশেখা !
-ও !! আচ্ছা ! বলুন !
-আমার সাথে আমার কয়েকটা কথা ছিল !
-বলেন !
-ফোনে না ! সরাসরি বলার দরকার ছিল !
-এমন কি কথা যে ফোনে বলা যায় না !
-আচ্ছা ঠিক আছে ! শুনতে হবে না ! আপনি আপনার গার্লফ্রেন্ডের সাথে বসে বসে গল্প করেন !!
আমি ভাবলাম আনুশেখা মনে হয় ফোন রেখে দিয়েছে ! কিন্তু দেখলাম কাটে নি ! আমি বললাম
-আজ বিকাল ৫ টায় মিরপুর রোডের বিএফসিতে আসুন ! ঠিক আছে !
-আচ্ছা !!

বিকালে আনুশেখা সময় মতই হাজির হল ! বসে রইলো চুপ করে অনেকক্ষন ! আমি বললাম
-আপনি কি যেন বলতে চাইলেন ?
আনুশেখা আমার দিকে তাকালো ! ওর চোখে কেমন একটা বিষন্নতা দেখলাম ।
-আপনি ....
এই একটা শব্দ বলেই আনুশেখা চুপ করে গেল ! ওর চোখের দৃষ্টি অনুসরন করে তাকিয়ে দেখি মীম ! আমাকে দেখে এগিয়ে এল !
-আপু ভাইয়া আপনি এখানে ? আরে আনু আপি ! আপনিও আছেন !! তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল
-ভাইয়া আপনাকে কি বলেছিলাম ! কাজ হয়ছে না ??
আমি একটু হেসে বললমা
-এখনও হয় নি ! তবে হবে হবে করছে !
মীম হাসলো ! তারপর মীম কাকে যেন ডাকলো ! দেখলাম একটা ছেলে এগিয়ে এল !
মীম বলল
-ভাইয়া এ হল সাফিন ! আমার বয়ফ্রেন্ড ! আর সাফিন এ হচ্ছে অপু ভাইয়া ! তোমাকে বলেছিলাম না !!
-হ্যালো ভাইয়া !
আমি হাত মিলালাম !
-আর এ হচ্ছে আনুশেখা আপু ! আপু ভাইয়ার গার্লফ্রেন্ড !
গার্লফ্রেন্ড !!
এই সেরেছে রে !! মীম ডোবালো !!
আনুশেখার দিকে তাকিয়ে দেখি আমার দিকে শীতল দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে !
সাফিন আনুশেখার সাথেও কথা বলল ।
-হ্যালো আপু !!

ওরা দুজন চলে গেল আমাদের কে একা রেখে ! আমাকে একা রেখে ! আমি আনুশেখার দিকে তাকিয়ে দেখি ও শান্ত মুখে তাকিয়ে আছে !
আমি বললাম
-কি যেন বলতে চাচ্ছিলে তুমি ?
আপনি থেকে তুমি বলেই ফেললাম ! আসলে আনুশেখা হয়তো আপনি তুমি এই পার্থক্য টা ধরতে পারবে না !
আনু বলল
-আপনি ইচ্ছা করে এসব করেছেন?
-কোন সব ?
-শুনুন ঢং করবেন না !!
আমি হাসলাম ! কিছুক্ষন চুপ করে থেকে বললাম
-দেখো ! তোমাকে আসলেই আমার অনেক পছন্দ হয়েছিল ! একদম প্রথম দেখাতেই ! কিন্তু তোমার সাথে যতবারই কথা বলতে যাই তুমি কেমন বোল্ড করে দাও ! তাই অন্য পথ দেখতে হল ! আমি খহব ভাল করে জানি একটা মেয়ে যখন দেখবে একটা ছেলে প্রথমে তার দিকে আগ্রহ দেখিয়ে তারপর অন্য কোন মেয়ের দিকে যায় এবং তাকে ইগনোর করে তখন মেয়েটার মনে একটা ঈর্ষার জন্ম হয় ! বিশেষ করে অন্য মেয়েদিকে যখ যায় তখন ! আর মেয়েটি যদি তার আশে পাশে হয় তাহলে তো কথাই নাই ! সেই ঈর্ষা থেকেই ভাল বাসার জন্ম নেয় !
-তাই না !!
-হুম !! তার প্রমান তুমি ! আর আজকের তোমার এখানে আসা !
-আচ্ছা তাহলে মিষ্টার অপু ! আপনাকে বলতে বাধ্য হচ্ছি যে আপনার লজিকে সমস্যা আছে !
-থাকতে পারে ! কিন্তু এখানে আমি অব্যর্থ !
-থাকেন আপনি আপনার অব্যর্থতা নিয়ে ! আমি যথেষ্ট সহ্য করেছি ! আমি যাই !
আনুশেখা উঠার জন্য তোরজোর করলো ! আমি আনুশেখার হাত ধরলাম ! খুব সহজ ভাবে ! তারপর ওর চোখের দিকে তাকিয়ে বলল
-এখান থেকে চলে যাওয়ার আগে একটা কথার জবাব দিয়ে যাও ! একদম সত্যি করে ! যদি তুমি আমাকে ভাল না বাসো আমার চোখের দিকে তাকিয়ে সরাসরি বল যে তুমি ইউ ডোন্ট লাভ মি ! আজকের পর আমি তোমাকে আমার মুখ দেখাবো না !
আনুশেখা খানিকটা চমকালো !! চমকালাম আমি নিজেও নিজের কন্ঠস্বর শুনে !!
তারপর চুপ করে বসে পরলো চেয়ারে ! কোন কথা না বলে কেবল আমার দিকে তাকিয়ে রইলো !
কয়দিন আগে মেয়েটি আমাকে যে ভাবে পরাস্ত করতো আজ আর সেই দৃষ্টি নাই আনুশেখার চোখে ! সেখানে কেমন আলাদা আভা ছড়াচ্ছে !! মেয়েটির প্রেমে পরার আভা !!
আমার প্রেমে পড়ার আভা !!



বিঃদ্রঃ এইটা কিন্তু আসলেই একটা কার্যকরী উপায় ! আপনি যদি মেয়েদের মনে ঈর্ষার সৃষ্টি করতে পারেন তাহলে মেয়ে নিশ্চিত পটে যাবে !!
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৪
৬৬টি মন্তব্য ৬৬টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্বর্গে এখন বাচ্চা বিক্রি শুরু হয়েছে।

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ সকাল ১১:০৭






স্বর্গে এখন বাচ্চা বিক্রি শুরু হয়েছে। আমরা এখন এমন এক স্বর্গে বাস করছি যেখানে মা তার একমাত্র সন্তানকে বিক্রি করে বেঁচে থাকতে চান। কি দুঃখের, কি লজ্জার দিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

গামারি

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:০৯



২০১৬ সালের মার্চ মাসের সকালে কাধে ছোট একটি ব্যাগ ঝুলিয়ে বেড়িয়েছি বাড়ি থেকে। গাজীপুরের টাকশাল-শিমুলতলী পথ ধরে রেল লাইনে উঠে পায়ে হেঁটে চলে যাবো রাজেন্দ্রপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত। ভাওয়াল-গাজীপুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি গরীব আমার ১৩ টাকায় একটি ডিম ১৫ টাকায় একটি সাগর কলা কিনে খাওয়ার অবস্থা নেই।

লিখেছেন ভার্চুয়াল তাসনিম, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:১২

প্রিয় রাষ্ট্র,
গতকাল মাত্র শোক দিবস চলে গিয়েছে। আপনি কি দেখেছেন? এই শোক দিবসে দেশের আপামর জনসাধারণ শোক পালন না করে ডিম নিয়ে মেতে ছিল। বুঝেছি মেনেছি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে অস্থিতিশীল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভিন্ন নিক থেকে ব্লগিং করার কথা ভাবছি

লিখেছেন স্বপ্নবাজ সৌরভ, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:৩৩


" কষ্টের পোস্টে কিছু লিখতে যে সূক্ষ অনুভূতি আর সংবেদনশীলতা দরকার, তা আজকের চাপের পৃথিবীত বজায় রাখা মুশকিল। কেউ কেউ হয়তো পারেন- যেমন স্বপ্নবাজ সৌরভ।" - নিমো... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্টের সন্তান বিভক্তি

লিখেছেন পথিক৬৫, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:৪০

বরগুনায় পুলিশ ছাত্রলীগ পেটাল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, "বাড়াবাড়ি হয়েছে"। ঘটনার পরের দিনই এসপি সাহেব বদলির নোটিশ পেলেন। দেশের মিডিয়া এই ঘটনাকে নিয়ে হুমরি খেয়ে পড়ল। কার পক্ষ নিবে- পুলিশ নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×