অনলাইনে আপনি কী কী ট্যাগ খেয়েছেন?
০৮ ই অক্টোবর, ২০২৫ রাত ১১:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ট্যাগবাজ হচ্ছে সামুর অলংকার। এই অলংকার টিকে আছে এখনও। টিকে ছিল সেই শুরু থেকে। টিকে থাকবে সেই শেষ পর্যন্ত। নিজের মতের সাথে না মিললেই যাকে তাকে যা খুশি ট্যাগ দিয়ে দেওয়া যায়। এই ট্যাগ দেওয়ার কারণে তাদের কোন প্রকার ফল ভোগ করতে হয় না। আপনি চাইলে যে কাউকে যা ইচ্ছে ট্যাগ দিয়ে দিতে পারেন। কোন চিন্তা করতে হবে না, কোন তথ্য প্রমাণের দরকার হবে না। কেবল আপনি চান এতেই হবে। কেউ কাউরে রাজাকার ট্যাগ দিতে পারেন, কেউ কাউকে নাস্তিক ট্যাগ দিতে পারেন। জাশি ট্যাগ, ভাদা-ছাগু ট্যাগ। জঙ্গি ট্যাগ। লীগ-দল এর দালাল ট্যাগ। এই জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আপনার কোন প্রকার জবাবদিহি করতে হবে না। তারা আপনার কাছে কিছু জানতেই চাইবে না। এটা সব থেকে নিরাপদ কাজ।
আপনি এই পর্যন্তু সামুতে থাকা কালে কী কী ট্যাগ খেয়েছেন?
কেবল সামুতে নয়, পুরো অনলাইনে থাকাকালীন সময়ে আপনাকে কে কোন ট্যাগ দিয়েছে?
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৫ রাত ১২:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আমি আর কবিতা লিখব না বলেও
লিখে ফেলি একটি মুমূর্ষু কবিতা–
জন্ম নেয়ার আগেই যারা অবিরাম
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, লাথি মারছে
পদ্যের চিরায়ত চোয়ালে !
পঙক্তিতে পঙক্তিতে পথ হেঁটে
প্রচণ্ড পিপাসায় আমি পান করি
কবিতার স্নিগ্ধ জল; আর... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০
আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।
শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।
আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
ইসিয়াক, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১

শরৎ-প্রাতে শিউলি ঝরা ক্ষণে
দিবাকর ছড়ায় হাসি।
দিঘির জলে রক্তিম পদ্ম
ফুটেছে রাশি রাশি।
ছাতিম গাছের নিভৃত নির্জনে
সবুজ পাতার ঘ্রাণ।
সুখ আহ্লাদে ডাকছে নিসর্গ
উচাটন মন প্রাণ।
স্নিগ্ধ বাতাস দোলা...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬

এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই...
...বাকিটুকু পড়ুন