জানতে চাইলাম ক্যামনে কি? লিটল জনি বলে, 'বলেন তো ভাইজান এই শহরে কোন জায়গাগুলায় মানুষের পাঠ্যভ্যাস বেশি?' বললাম 'লাইব্রেরি।' লিটল জনির মুখে 'কিচ্ছু জানে না' তাচ্ছিল্য দেওয়া হাসি। 'দুরো না। মুতার জায়গায়।' তাজ্জিব বাত!! বলি 'ক্যামনে?' জনির উত্তর, 'ভাই খুব খিয়াল কইরা দ্যাখলেই বুঝবেন, মানুষ যখন ওয়ালের পাশে দাড়াইয়া মুতে তখন সে আশে পাশের পোস্টারগুলা মনযোগ দিয়া পড়ে।' মোটের ওপর ছাপার অক্ষরে সব কিছু। তাই যেসব কবি যশোপ্রার্থী, তাদের উচিত হবে নিজেদের কবিতা পাবলিক টয়লেট এবং মুতের দাগ বুঝে সেইরকম বহুব্যবহৃত দেয়ালে সাঁটানো। 'কবিতা পাবলিক পইড়াই ছাড়ব'!
আজ জনি আরেকটা আইডিয়া দিলো। কবিতার জগতে নতুন এক ধারার সূত্রপাত বলা যেতে পারে। রীতিমতো বিপ্লব। আঁতলামিতে বললে রেঁনেঁসাঁ। বিশাল শিরোনামে এক শব্দে ল্যাখা এইসব কবিতার ঠিক কী নাম দেওয়া যায় তা ভাবিত হচ্ছে। নমুনা :
১. তুমি চলে যাচ্ছ
ধ্যাত!
২. ঘুম আসে না
ধুর!
৩. তুমি কত সুন্দর
বাহ্!
৪. আজ অনেক কাজ করতে হবে
শিট্!
(ক্রমশঃ)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


