somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কল্প ২

২০ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১১:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



-বুঝাবুঝির কিছু নাই তো।
একটু বিরক্তি নিয়েই বলে ছক্কু।
-এই যেমন ধরেন দ্যাশের অনেক গরীব মানুষ এখন শীতে কষ্ট পাইতাছে। এগো জন্য গরম কাপড়ের ব্যবস্থা করতে হবে। এইটাই হইল কারেন্ট ইস্যু। জনগণের জন্য করবেন। মানুষ জানবে। তারপর আপনার নাম দ্রুত ছড়াইয়া পড়বে। দরকার হইলে স্টুডিও থাইক্যা লিটনরে ভাড়া কইরা লইয়া যামু। হ্যায় ছবি তুলব। আপনে হাসি মুখে পোজ দিবেন। সেই ছবি আমরা পত্রিকায় পাঠাইয়া দিব।
-ফটু উঠব? গদগদ এক হাসিতে কোথায় য্যান হারাইয়া যান দিরান ভাই খানিক্ষণ।
-শীতকালে গরম কাপড়। আহারে এই মানুষগুলা আবার গরম কালেও কষ্ট পায় নিশ্চয়ই। তখন ওগো লাইগ্যা পাঙ্খা। বর্ষা কালে বৃষ্টিতে ভিজে। একটা কইরা ছাতা। অনেক খরচা তো রে ছক্কু।
-আপনেরে পাঙ্খা আর ছাতার কথা ভাবতে কইছে ক্যাডা? গরম কাপড়ের কথা ভাবেন। সেইডা এমন খরচাপাতির কিছু তো না। বাসা বাইতে পুরান কাপড় অনেক আছে। সেগুলা নিমু। মহল্লার বাইতে বাইতে যামু। তাগোটা লমু। এরপর না কুলাইলে বঙ্গ তো আছেই।
-তার থেইক্যা গুলিডির ব্যবস্থা আগে করলে হইতো না?
-গুলি মানে!!
- ওই যে একটু আগে পড়লি রাইফেলের গুলির অভাবে শুটিং ফেডারেশনে পেরাকটিস করতে পারতাছে না। কয়েক হাজার তো পুইতা থুইছি। ওইডি তুইল্লা লইয়া চল। লিটন ফটু উডাইব। চোদনারাও জানব দিরান অহনো আছে। বিচি আছে মানে ম্যাশিনভি আছে। প্যাচ করলে প্যাচ।
-কী কন এইডি ভাই। আর্মি নামছে। ল্যাংরা মফিজ, কানা বক্কররা আছে লৌড়ের উপর। আর আপনে কয়েন লইয়া যাইবেন, ছবিও উডাইবেন!! তারপর সোজা নাজিমুদ্দিন রোজ। তার আগে পিডা মাটিত পড়তো না। ক্রস ফায়ারো হয়্যা যাইতে পারেন। পত্রিকায় উঠব আপনারে নিয়া অস্ত্র উদ্ধারে যাওয়ার সময় সঙ্গীসাথীরা আপনারে ছিনাইয়া নিতে গুল্লি করছে। আপনে পালাইতে গিয়া হ্যাগো গুলিতে মরছেন। লাশের পাশে একটা কাটা রাইফেল, একটা ভাঙা পিস্তলও পাওয়া যাইব।

-ঠিকোই। বাদ দে তাইলে। তো এহন ক্যামনে কি? গরম কাপড় লইয়া কই যামু? কারে দিমু? ক্যামনে দিমু?
-হ। সামনাসামনি না দ্যাখলে বুঝতারবেন না। চলেন একজাগায় লইয়া যাই আফনারে। সুন্দর সুন্দর মাইয়ারা কি সুন্দর কইরা কাপড় টোকাইতাছে (চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কালকেউটে

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৯



তুমি ও অতিথি পাখি কী সুন্দর মিলেমিশে একাকার!
আম ও দুধের অপূর্ব সংমিশ্র!
অতিথি পাখির কিছু কিছু বিসর্জন থাকলেও-
তুমি যা কিছু অর্জন করেছো তাতে নেই একরত্তি বিসর্জন!

অর্বাচীনের মতো ভেবেছিলাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায় নেওয়ার কেউ নেই ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫


বাংলাদেশের ব্যাংকিং সংকট নিয়ে যত আলোচনা হচ্ছে, যত টকশো হচ্ছে, যত বিশেষজ্ঞ মতামত দিচ্ছেন, তার কিছুই ব্যাংকের সামনে লাইনে দাঁড়ানো মানুষটার কাজে লাগছে না। তিনি জানতে চান একটাই কথা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্য ধর্মের মানুষদের মাঝেও 'উত্তম মানুষ' আছেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৪৭



পবিত্র কোরআনে অসম্ভব সুন্দর একটি আয়াত আছে। মহামহিম খোদাতায়ালা পুরো বিশ্বের মানুষদের দিকে একটি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে পবিত্র কোরআনে জিজ্ঞাসা করেছেন - "আর ঐ ব্যক্তি থেকে কে বেশি উত্তম... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুখু মিয়া

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৭ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫৬



গভীর অন্ধকার রাত প্রবল গর্জন করে আকাশ ডাকছে, দুখু মিয়া আর তার মেয়ে ফুলবানু খুপড়ি মতো ছাপরা ঘরের জানালা দিয়ে তাকিয়ে আকাশ দেখেন। অন্ধকারে কিছুই দেখা যায় না তারপরও বাপে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে শহরে বৃষ্টি নেই

লিখেছেন রিয়াজ দ্বীন নূর, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:৩০



শহরটা নিচে। অনেক নিচে। রিকশার টুংটাং, বাসের হর্ন, কারো হাসির শব্দ, কারো ঝগড়ার শব্দ — সব মিলিয়ে একটা জীবন্ত শহর। কিন্তু রিয়াজের কাছে এই সব শব্দ এখন অনেক দূরের।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×