আমরা এইভাবে নিজেদের লুকিয়ে রাখি...
তার চোখে ঘুম নেমে এসেছিল মিনিটখানেকের জন্য। স্বপ্নে ওই কথাটুকু শুনবে বলেই বুঝি ! আমি ওইভাবে কথা বলি না। লিখি হয়তো। মুখে বলি না। স্বপ্নরা সাদাকালো হয় না এই মতে একাট্টা দুজনই। আমরা রঙীন স্বপ্ন দেখি। যার যার অবস্থান এতটুকু বিপন্ন না করেই। স্মৃতির সমুদ্রবেলা ফের ফিরে আসে। আচ্ছা, আমাদের দুজনকে দেখে ওরা কি ভাববে বলো তো! আমরা একদম কথা বলব না কেউ কারো সাথে। চোরা চোখে তাকাবো! অসহায় চোখে! নিজেদের অবস্থান বিপন্ন করা চলবে না এতটুকুও।
তুমি সাদা কিংবা গোলাপি ড্রেস পড়েছো...
অদ্ভুত তো! দুটোই সত্যি! সাদায় গোলাপি কাজ। কীভাবে বলো তো! তার মানে তুমি আমাকে খুব ভালোবাসো। কোনো প্রেমিক যদি তার ভালোবাসার পোষাকটা গেস করে বলে দিতে পারে, তার মানে সে তাকে খুব ভালোবাসে। কাল যদি ভুল হয়ে যায়! যদি উল্টোপাল্টা হয়! তাতে কিছু এসে যায় না। এসব পরীক্ষা একবারই দিতে হয়।
কাল আমার ভীষণ মন খারাপ ছিল...
বলা যাবে না। আহা বলোই না। ক্যানো এমন কথা মনে এলো বলো তো! হঠাৎ মনে হলো তুমি যদি আমাকে একটা আংটি কিনে দিতে, আমি সেটা কখনোই হাত থেকে খুলতাম না। দেবো। আমি নিলে তো! ভাবছি কথাটা ক্যানো মাথায় এলো। লজিকাল একটা ডিডাকশন দেওয়াই যায়। তুমি চাও আমি তোমাকে জড়িয়ে থাকি সারাক্ষণ। একদম বাজে কথা বলবে না।
প্লেট উপচানো ভালোবাসা...
ধরা যাবে না। ছোঁয়া যাবে না। দ্যাখাও হবে না। দূর থেকে আমরা ভালোবেসে যাব। আকাশে নক্ষত্রের দূরত্ব নিয়ে! ঠিক তাই। প্লেটোনিক ভালোবাসা যাকে বলে। প্লেট উপচানো ভালোবাসা। প্লেট ভর্তি খাবার। তাকিয়েই দেখতে হবে। খাওয়া যাবে না। হাহাহা। তুমি ভীষণ পাজি। যখনই সিরিয়াস কিছু বলি, তুমি মজা করো।
তুমি এমন ক্যানো করো...
ক্যানো এত কষ্ট দাও। আমার সব কিছুতেই তোমার একটা তাচ্ছিল্যভাব। ক্যানো এমন করো! তাচ্ছিল্য তো আমি আমাকেই করি, নিজের উপর টানছো ক্যানো! কিংবা আমি হয়তো এরকমই। চারপাশের ভালোবাসা শুষে নিয়েই হয়তো আমার শ্বাসপাত, জীবন ধারণ। পরজীবি। কার্ডিয়াক হাইপারট্রফির জন্যেই হয়তো ভালোবাসা বিলোতে পারি অনায়াস। ভুল বললে। তুমি মোটেও কাউকে ভালোবাসো না। কাউকে না! কাউকে না। নিজেকেও না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



