মন ভরাইয়া দিল দ্্বিতীয় পাতার ছবিটা। শয়তানের স্তম্ভের মতো একটা কিছু দাড়া করানো হইছে। রাজাকার-আলবদর লেখা। ওই খানে গিয়া সবাই লাথি মারতাছে। অসাধারণ আইডিয়া!
আমি ব্যক্তিগতভাবে ঠিক করছি এখন থাইক্যা ত্রিভুজ এবং তার অন্যনিকগুলার উদ্ভট প্রচারণায় চোখ বুলামুনা। সোজা সাপ্টায় বর্জন। আশরাফ রহমান, ডাটা মাইনার, এহহামিদা, উকিলসাব, ইত্যাদি রামছাগলরা যা করতাছে তা এক কথায় ফাতরামি। ইতরামিও বলা যায়।
এরা এমন সব শব্দ নিয়া নাড়াচাড়া করে, যা তারা একদমই বুঝে না। সেইটারে বিকৃত উপস্থাপনায় আসলে আমাদের ইতিহাসের বারোটা বাজাইতে চায়। আমি তাদের পোস্ট আর পড়ব না। নিশ্চিত জানি, তাগো চামুচ আর পাচাটারাই কিংবা নিজেই অন্য নিকে ওইসব পোস্টে কমেন্ট চোদাইব। বৃথাই যাইব তাগো দিগদারি
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




